ফন্ট সাইজ:
থিম:
বসন্তের প্রথম প্রেম

৫ম পর্ব

লেখক: আইজা রহমান

(🚫রোমান্টিক গল্প যাদের পছন্দ নয় তাঁরা নিজ দায়িত্বে স্কিপ করবেন।)

#বসন্তের_প্রথম_প্রেম

#লেখনীতে_আইজা

পর্ব : ০৫

সব গুছগাছ করে জাইরা গিয়ে দরজা খুললো। বড়রা সবাই সিআইডি-র মতো দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে আছে।

“এতোক্ষণ লাগে দরজা খুলতে?” জাইমা বেগম কড়া গলায় বললেন।

“ওই... আসলে ঘুমে ছিলাম তো, তাই শুনতে দেরি হয়েছে!” জাইরা মাথা চুলকে কাঁচুমাচু হয়ে বলল।

“তোর চুলের এমন ছিরি কেন? মনে হচ্ছে চড়ুই পাখি তোর মাথায় বাসা বেঁধে ডিম পেড়েছে!” ভ্রু কুঁচকে বললেন জাইমা বেগম।

জাইরা আমতা আমতা করে বলল, “রাতে তো চুল না আঁচড়েই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, তাই এমন হয়ে আছে।”

“ আচ্ছা, এখন গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নে । ”

তিনি ভিতরে ঢুকতে ঢুকতে ফের বললেন ,

—" জিসানকে নাস্তা আনতে পাঠা । এখন তৈরি করতে পারবো না । তাছাড়া তোর বড় আম্মু ও তো টায়ার্ড । "

জাইরা মাথা নেড়ে রুমে চলে গেল। মনে মনে হাফ ছেড়ে বাঁচল, যাক! বাসর রাতের সেই ‘বিপজ্জনক’ অভিনয় থেকে অন্তত বড়দের কাছে ধরা পড়া থেকে বেঁচে গেছে।

.

.

.

কেটে গেছে আরো এক সপ্তাহ ! এই কদিনে জাইরা যেন অন্য এক রিশানকে চিনেছে , যে সারাক্ষণ তার পিছে লেগে থাকে।

সকাল ৭:০০টা।

রিশান, জিসান আর জাইরা সবাই একসাথে নিচে নেমে এল। ডাইনিং টেবিলে রিশান আর জাইরা একদম মুখোমুখি বসেছে। জাইরা খেয়াল করেছে , রিশান কিছু দিনে যেন একদম বদলে গেছে। সে আড়চোখে বারবার জাইরার দিকে তাকাচ্ছে। জাইরার অস্বস্তি এবার চরমে! এই ‘গম্ভীর গরু’র হুট করে কী হলো? সে কেন বারবার চোর-পুলিশ খেলছে?

জাইরা সাহস করে একবার চোখ তুলে তাকাতেই সরাসরি রিশানের চোখের জালে ধরা পড়ে গেল। রিশান ওর দিকেই তাকিয়ে ছিল। রিশান জাইরার চোখে চোখ পড়তেই খুব কায়দা করে একটা চোখ টিপ মারল!

জাইরা থতমত খেয়ে পানির গ্লাসে চুমুক দিতে গিয়ে বিষম খেল। রিশানের এই ‘রোমান্টিক ঝাটকা’ হজম করা তার জন্য বেশ কষ্টকর।

জিসান বেচারা খাবার চিবুচ্ছিল আর ডানে-বামে ওদের এই নিঃশব্দ যুদ্ধ দেখছিল। রিশানের চোখ টিপ মারা দেখে জিসানের খাবার গলায় আটকে গেল। ঝটপট এক গ্লাস পানি খেয়ে সে ভাবল— “বাপরে! রিশান ভাই তো দেখি জেমস বন্ড হয়ে গেছে! চোখ তুলে তাকালেই বিপদ, এবার খাবার গলায় আটকেছে, পরেরবার নাকে উঠে যাবে!”

সবার খাওয়া যখন শেষ পর্যায়ে, তখন তারেক রহমান গম্ভীর হয়ে বললেন—

“রাকশির বিয়ে পাকা হয়ে গেছে। আমরা আজ বিকালেই গ্রামের বাড়ি রওনা হবো। সবাই নিজের প্রয়োজনীয় জিনিস প্যাক করে নাও।”

“ইয়েএএএএএ! কত্তো দিন পর একটা বিয়ে খাব, কী মজা!” জাইরা খুশিতে লাফ দিয়ে উঠলো।

“আরেব্বাস! জম্পেশ মজা হবে!” জিসান ও খুশিতে আত্মহারা। দুজনে মিলে একটা ‘হাই-ফাইভ’ দিল।

রিশান ডাইনিংয়ের এক কোণায় বসে মুচকি মুচকি হাসছে। সে ভাবছে— “গ্রামে যাওয়া মানেই সবাই বিয়ে নিয়ে বিজি থাকবে। এই সুযোগে জাইরার কাছাকাছি থাকা যাবে প্লাস ওকে আরও ভালোভাবে জ্বালানো যাবে!”

জিসান সেটা খেয়াল করে ভ্রু কুঁচকালো। এই ছেলের হঠাৎ হয়েছেটা কী? একা একা হাসছে আবার জাইরাকে চোখ টিপ মারছে! প্রেমে তো পড়েনি? জিসান মনে মনে লজিক মিলালো— “রিশানের দিক দিয়ে ভাবলে, জাইরা হবে তার ভাবী। আর জাইরার দিক দিয়ে ভাবলে, রিশান হবে তার দুলাভাই। নাঃ, মন্দ না!”

.

.

.

বিকালে সবাই লটবহর গুছিয়ে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। রিশান বেশ বুদ্ধি করে ‘মাথাব্যথা’র বাহানা দিল। জিসানকে ড্রাইভিং সিটে বসিয়ে নিজে গিয়ে বসল পেছনের সিটে জাইরার একদম পাশে। বড়রা অন্য গাড়িতে আসায় এই গাড়িতে এখন তারা তিনজনই রাজা।

রিশান জাইরার পাশে বসেছে তো ঠিকই কিন্তু নিজেকে কন্ট্রোল করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে । জাইরার শরীরের সেই হালকা সুবাস তাকে যেন বারবার টানছে। রিশান একটু এগিয়ে আস্তে করে জাইরার কোমরে হাত রাখলো। জাইরা হালকা কেঁপে উঠলো। তড়িঘড়ি রিশানের দিকে তাকাতেই দেখল রিশান এক মোহনীয় বাঁকা হাসি দিয়ে তার দিকেই তাকিয়ে আছে। জাইরা ইতস্তত বোধ করল।

“রিশান ভাই... হাতটা একটু সরাও না, প্লিজ!” জাইরা মিনমিন করে বলল।

রিশান এবার কোমরে হালকা চাপ দিল। জাইরার শরীরে যেন হাজার ভোল্টের একটা শিহরণ খেলে গেল। তার চোখ আপনা-আপনি বন্ধ হয়ে এল।

“কী করতে বলছিলি?” রিশান জাইরার কানের কাছে মুখ নিয়ে একদম ‘হিসহিসিয়ে’ গা কাঁপানো গলায় বললো।

“র-রিশান ভাই... হ-হাত...” জাইরা আর কথা শেষ করতে পারল না। কানের লতিতে রিশানের ঠোঁটের হালকা স্পর্শ পেতেই তার সব ভাষা হারিয়ে গেল। জাইরা বারবার ঢোক গিলছে।

জাইরার এমন নাজেহাল অবস্থা দেখে রিশান একটু দূরে সরে বসল, কিন্তু হাত সরালো না। জাইরা এবার কিছুটা শান্ত হয়ে বড় বড় করে শ্বাস নিতে লাগল।

“এমনিতে তো সারাদিন তিড়িং বিড়িং করিস, আমার এইটুকু ছোঁয়াতেই নাজেহাল হয়ে গেলি?” রিশান একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো।

জাইরা কিছুই বললো না। মনে মনে ভাবছে এই এক্স গম্ভীর গরু কি শুরু করলো! আগেই তো ভালো ছিল।

“বিয়ে বাড়ীতে গিয়ে কোনো ছেলের সাথে কথা বলবি না বুঝছিস?” রিশান জাইরার হাতটা একটু শক্ত করে ধরে নিচু গলায় হুকুমের সুরে বললো। জাইরা হালকা মাথা নাড়লো। রিশান মুচকি হাসলো।

.

.

.

শীতের জীর্ণ চাদরটা ঝেড়ে ফেলে প্রকৃতি সগৌরবে জানান দিচ্ছে—ঋতুরাজ এসে পড়েছে। বরিশালের বসন্তের রূপটা যেন একেবারেই অন্যরকম, অনেকটা মায়াবী ধাঁচের।

দিগন্তজোড়া মাঠের পর মাঠ হলদেটে সরিষার সেই শেষ আভা যেন বিদায়ী শীতের শেষ চিহ্ন। দখিনা বাতাসের হিল্লোলে নারিকেল আর সুপারি গাছের সারিতে যখন এক অদ্ভুত ঝিরঝিরে সুর ওঠে, মনে হয় প্রকৃতি নিজেই কোনো এক অচেনা বাঁশি বাজাচ্ছে। আম গাছে আসা নতুন মুকুলের সেই পরিচিত ‘ম ম’ গন্ধ মায়ায় জড়িয়ে রাখছে চারপাশ। এরই মাঝে সুদূর থেকে ভেসে আসা কোকিলের কুহু কুহু ডাক আর নাম না জানা হাজারো ফুলের সমারোহ—সব মিলিয়ে বসন্তকালে বরিশাল বিভাগটা হয়ে ওঠে এক অসম্ভব সুন্দর স্বপ্নের ক্যানভাস।

এই বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলায় ‘ রহমান ’ দের বংশ বিস্তার। দুই ভাইয়ের কাজের দায় ঢাকা থাকতে হলেও বোনকে বিয়ে দিয়েছে এই পিরোজপুরেই ।

তারেক রহমান ও জিয়াউর রহমানের বোন — ফারাত রহমান। তার সামি আবরার খান। তাদের দুটো মেয়ে — রাকশি খান নাজি।যার গতকাল বিয়ের কথা পাকা হয়েছে। আরেকজন তিয়াসা খান। সে এবার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ছে।

.

.

.

রাত ৮:২২

খান বাড়ির বিশাল গেটের সামনে এসে দুটো গাড়ি থামল। চারদিকে লাইট ঝিলমিল করছে। ফারাত রহমান ও আবরার খান এগিয়ে এলেন। তাদের সাথে তাদের ছোট মেয়ে তিয়াসা

। প্রথম গাড়ি থেকে বের হলো জাইরা, জিসান আর রিশান। ওরা সালাম দিল। তিয়াসা এগিয়ে এসে রিশানকে বললো

—“কেমন আছেন ভাইয়া?”

রিশান শুনেও না শোনার মত ভান করে দাঁড়িয়ে রইলো । জাইরা জিসান নাক মুখ কুঁচকে ফেললো । এই মেয়ের যতো ঢং , আসলেই শুধু রিশানের কাছে ঘেঁষতে চায় ।

ফারাত রহমান চিন্তিত হয়ে বললেন —

“ তোদের মধ্যে রিশান কে আর জিসান কে ? ”

জিসান ভেংচি কেটে মেয়েদের মতো করে বললো —

“ এহহ ঢং! এতো দিনেও আমাদের আলাদা করতে পারো না ফুফু ! উফফফফফফফফফ! ”

সবাই উচ্চস্বরে হেসে উঠলো ।

ফারাত রহমান হাসতে হাসতে বলল —

“ হ্যাঁ হ্যাঁ চিনেছি ! এরকম বাঁদরামি তো জিসান ছাড়া আর কেউ করতে পারে না! ”

জিসান মুখ বাকালো ।

দ্বিতীয় গাড়ি থেকে বের হলেন বড়রা। কুশল বিনিময় শেষে সবাই যে যার বরাদ্দকৃত রুমে চলে গেল। জার্নি করে সবাই অনেক টায়ার্ড।

জাইরা ফ্রেশ হয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়াতে আঁচড়াতে ভাবতে থাকলো আজকের ঘটে যাওয়া কাহিনীগুলো। রিশান ভাই এমন অদ্ভুত আচরণ কেন করছে? বারবার তার একদম কাছে চলে আসছে, নিষিদ্ধ ভাবে ছুঁয়ে দিচ্ছে। কেন?

ভাবতে ভাবতেই দরজায় নক পড়লো। “ভেতরে আসবো জাইরা?” জাইরা অনুমতি দিলে রাকশি ভেতরে আসলো।

“কিরে কি খবর? কেমন আছিস?” রাকশি হেসে জিজ্ঞেস করল।

“এইতো ভালো আপু, তুমি কেমন আছো?”

“আলহামদুলিল্লাহ!”

“হ্যাঁ ভালো তো থাকবাই, বিয়ে করে ফেলতেছো।”

“তুই ও করে ফেল। প্রেম টেম করছিস নাকি?”

জাইরা একটা লম্বা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে চরম হতাশার সুরে গেয়ে উঠল—

🎶 কইতে আমার সরম লাগে, প্রেম আগুনে পুইরা ছাই...

সানডে মানডে ক্লোজ কইরা দেওয়ার মতো কেউ নাই! ভাইরে ভাই... 🎧

রিশান ঠিক সেই মুহূর্তেই রুমের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। জাইরার গান শুনেই সে মনে মনে বাঁকা হাসলো আর অস্ফুটস্বরে বলে উঠল— “আমি আছি তো জান!” বলেই সে নিজেই বেকুব বনে গেল। সে এক্ষুনি ‘জান’ সম্বোধন করলো! নিজের ওপর বিরক্ত হয়ে মাথা চুলকে সে চলে গেল।

এদিকে রাকশি তো হাসতে হাসতে বিছানায় গড়াগড়ি খাচ্ছে। তাকে হাসতে দেখে জাইরা ঠোঁট ফুলিয়ে বললো — “আমার কষ্টে তোমার হাসি পাচ্ছে?”

রাকশি হাসি সামলে বললো— “সরি বইন। থাক কান্দিস না। বিয়ে বাড়ীতে অনেক ছেলে আইবো, ওখান থেকে একটা পছন্দ করে নিস।”

“আইডিয়াটা খারাপ না!” জাইরা চট করে সায় দিল।

“হ্যাঁ আচ্ছা ঘুমিয়ে পড়! আমি যাই।”

রাকশি চলে গেল। জাইরা শুয়ে পড়লো, দরজা যে আটকাতে হবে সেটুকু আর ক্লান্তিতে মাথায় আসেনি।

.

.

.

রাত ২:৩৮

রিশান চুপিচুপি জাইরার রুমে ঢুকল। দেখল জাইরা হাত-পা ছড়িয়ে ঘুমাচ্ছে। অগোছালো হয়ে ঘুমানোর কারণে জাইরার স্লিপিং শার্টটা একটু উপরে উঠে গেছে, উন্মুক্ত হয়ে আছে ফর্সা উদরের কিয়দংশ। রিশান ধীর পায়ে এগিয়ে গিয়ে বিছানায় বসল। তার সম্পূর্ণ মনোযোগ এখন জাইরার সেই অনাবৃত উদরে। সে কিছুক্ষণ অপলক তাকিয়ে থাকল। তারপর আস্তে আস্তে জাইরার উদরে হাত রাখলো। থেমে থেমে হাতটা স্লাইড করতে লাগল।

তপ্ত হাতের স্পর্শে জাইরার ঘুম যেন জানালা দিয়ে পালালো। চোখ খুলতেই সামনে রিশানের মুখাবয়ব ভেসে উঠলো। যেই না চিৎকার দিতে যাবে, অমনি রিশান ওর ঠোঁট দখল করে নিলো। জাইরার চোখ বড় বড় হয়ে গেল!

সে ধাক্কা দিয়ে সরানোর চেষ্টা করলো, কিন্তু রিশানের গায়ের জোরের কাছে সে তুচ্ছ। কিছুক্ষণ পর রিশান জাইরার ঠোঁট ছেড়ে দিলো।

রিশান জাইরার অবাধ্য চুল গুলো কানের পিছনে গুজে দিতে দিতে হালকা কণ্ঠে গেয়ে উঠলো ~

🎸Jis pe rekhe tum ne kadam

Ab se mera be raasta hain

Jaise mera tum se koi

Pichle janam ka vaste hei (2)🎸

🎶Adhoore Adhoore

Thhe vo din humare

Tumhare bina jo , guzaare thhe saare 🎸

🎵Sitaare sitaare , mile hain sitaare

Tabhi toh huye hain , nazaare tumhare (2) 🎶

জাইরা স্তব্ধ হয়ে বসে আছে । রিশান এতো সুন্দর গান গাইতে পারে , সেটা তো তার জানাই ছিল না । তার উপর গানের প্রত্যেকটা লাইন ! এই লাইন গুলো তার জন্য ছিল? জাইরা হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে ।

“ আ_আপনি এতো সুন্দর গান গাইতে পারেন রিশান ভাই? ” তুতলিয়ে বললো জাইরা ।

— “ হুসসসস! তখন কী যেন গান গাচ্ছিলি? সানডে মানডে ক্লোজ করার কেউ নেই? তোর আগুন নিভাতে আমি আছি তো ‘অরাপাখি’!”

জাইরা এমন সময় এইসব কথা শুনে লজ্জায় পড়ে গেল । রিশান জাইরার কপালে ঠোঁট ছুঁইয়ে যাওয়ার সময় পিছু ফিরে বলে গেল— “দরজা আটকে ঘুমা পাখি!”

রিশান যেভাবে এসেছিলো সেভাবেই হাওয়া হয়ে গেল, আর জাইরা নিজের দ্রুত হৃদস্পন্দন নিয়ে অন্ধকারে স্তব্ধ হয়ে বসে রইল।

চলবে....

#bangla_story #Romantic #‌aiza #uponnash

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৫ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন