(🚫কঠোরভাবে প্রাপ্তবয়স্ক ও মুক্তমনাদের জন্য 🚫)
#বসন্তের_প্রথম_প্রেম
#লেখনীতে_আইজা
#বোনাস_পর্ব
(❌ কপি করা নিষিদ্ধ❌)
রিশান দরজা আটকে জাইরাকে বিছানায় শুইয়ে দিলো । তারপর নিজের শার্ট খুলতে খুলতে জাইরার দিকে অগ্রসর হয় । জাইরার হার্ট যেন ধ্রিম ধ্রিম করে বাজছে । রিশান জাইরার উপরে উঠে এল , মুহূর্তের মধ্যেই ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দিলো । পান করতে থাকলো প্রেয়সীর ঠোঁটের সুধা । তার হাত জাইরার জামার ভিতরে বিচরণ করছে । জাইরা রিশানের টি-শার্ট খামচে ধরলো । রিশান ঠোঁট ছেড়ে উঠে বসলো , জাইরা প্রচন্ড অবাক ! রিশান বিছানা থেকে নামতে গেলে জাইরা তার টি-শার্টের কোনা ধরে বললো ,
—“ কোথায় যাচ্ছো? ”
—“ রিশানকে পাওয়ার খুব তাড়া দেখছি!! ”
রিশান ভ্রু উঁচিয়ে ঠোঁট কামড়ে বললো ।
জাইরা কিছু বলে না , লজ্জায় মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছে করছে তার । রিশান ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসলো তারপর বললো ,
—“ Wait just 5 minute ! ”
জাইরা রিশানের টি-শার্ট ছেড়ে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে রিশানের প্রস্থান দেখলো । কিছুক্ষণের মধ্যে রিশান হাতে কিছু একটা নিয়ে আসলো । জাইরা জিনিসটা সূক্ষ্ম ভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখলো এটা মেল্ট চকলেট । মুহূর্তের মধ্যেই সে কাহিনী বুঝে গেল । নাক ছিটকে বললো ,
—“ ইয়্যুউউ !! এইসব আমার শরীরে ঢালবে না , বিশ্রী লাগে । আঠালো আঠালো ইয়াক ! ”
রিশান খুব কষ্টে হাসি চেপে অবাক হয়ার ভান করে বললো ,
—“ আজব আমি তোর শরীরে চকলেট ঢালবো কেন? আমি তো খাওয়ার জন্য এনেছি । স্ট্রবেরি উইদ চকলেট ! ইয়াম্মি!! ”
এই বলে সে টেবিলের উপরে রাখা স্ট্রবেরি নিয়ে আসলো । জাইরা জিভে কামড় দিলো । অবাক হয়ে বললো ,
—“ স্ট্রবেরি কোথা থেকে আনলে? ”
—“ তোর জানতে হবে না । খাবি ? খেলে খা ! ”
—“ না তুমিই খাও । ”
জাইরা বিছানা থেকে নামার জন্য উদ্ধত হলো , রিশান জাইরার হাত ধরে আটকে দিলো ।
—“ কি? ”
—“ মাইন্ডটা একটু ঠিক কর ! কিসব ভাবছিস , ছ্যাঁহহ! ”
জাইরা লজ্জায় হাঁসফাঁস করে উঠল । রিশানের হাত থেকে নিজের হাত ছাড়াতে চাইলো কিন্তু পারলো না । রিশান একটানে তাকে নিজের উপর ফেললো । একটা স্ট্রবেরি চকলেটে ডুবাতে ডুবাতে হাস্কি স্বরে বললো ,
—“ Congratulation mam !! আপনি ঠিকই ভেবেছিলেন । রেডি হন ! ”
জাইরাকে কিছু বলতে না দিয়ে চকলেট মাখানো স্ট্রবেরিটা ওর মুখে ঢুকিয়ে দিল । শক্ত করে চেপে ধরে নিজের সাথে মিশিয়ে জাইরার ঠোঁটে ঠোঁট দাবিয়ে দিলো । কখনো হালকা কামড় কখনো গভীর চুম্বন । যা জাইরাকে অন্য জগতে প্রবেশ করতে বাধ্য করলো । রিশান ঠোঁট ছেড়ে জাইরার টি-শার্ট একটানে খুলে ফেলল । তার শরীরে এখন ই*না*র ব্যতীত কিছু নেই । জাইরাকে শুইয়ে দিয়ে সে আরেকটা স্ট্রবেরিতে চকলেট মাখালো । তারপর সেটা ঠোঁটে নিয়ে জাইরার শরীরের উপর অংশে ছোঁয়াতে লাগলো । জাইরার বুক দ্রুত ওঠানামা করছে । যা রিশানের ভিতর নাড়িয়ে দিতে পুরোপুরি সক্ষম ! সে হাত গলিয়ে জাইরার ইনারের হুক খুলে দিল । ধীরে ধীরে ইনার খুলে পাশে রাখল । যেন সে প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করতে চাইছে ! চকলেটের বাটিটা নিয়ে জাইরার শরীরে ঢেলে দিল । তার উপর স্ট্রবেরি ছড়িয়ে দিয়ে , মুখ ডুবিয়ে দিলো । ঠোঁট দিয়ে স্ট্রবেরি ঘোরাতে লাগলো , যতটুকু জায়গায় চকলেট ঢালা আছে ।
উষ্ণ চকলেট , রিশানের ঠোঁটের ছোঁয়া জাইরাকে স্বর্গীয় অনুভুতি দিচ্ছে । বিছানার একাংশ খামচে ধরলো । রিশান জিহ্বা দিয়ে সবটুকু চকলেট চে*টে নিলো । সে উঠে জাইরার গলায় মুখ ডু বি য়ে দিলো । দ্বিতীয় বারের মতো ডুবে গেল দুজন দুজনাতে । ভালোবাসার সাগরে !
নিঃশ্বাসের শব্দ পুরো রুমটাকে ভারি করে তুলছে ।
টানা তিন ঘণ্টা পর রিশান ক্লান্ত হয়ে জাইরার বুকের উপর শুয়ে পড়ল । দুজনেই হাপাচ্ছ !
রিশান ফিসফিসিয়ে বললো ,
—“ কেমন ছিল অভিজ্ঞতা ? বিশ্রী লেগেছে কি? ”
—“ উহু ! ”
—“ তো কেমন লেগেছে? ”
জাইরা উত্তর দিলো না । অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে হাসলো ।
—“ এভাবে হেসো না বুকে লাগে ! ”
—“ আচ্ছা? ”
—“ Yes পাখি ! শুধু বুকে না অন্য কিছুতেও লাগে ! ”
—“ চুপ ! অসভ্য লোক । ”
রিশান ঠোঁট বাঁকিয়ে বললো ,
—“ Only yours ! ”
ঘর জুড়ে পিনপিন নিরবতা নেমে এলো । কিছুক্ষণ পর নিরবতা ভেঙ্গে জাইরা বললো ,
—“ ঘুরতে যেতে ইচ্ছে করছে । ”
—“ কোথায় যাবি ? ”
—“ উমম ! তুমি ডাকো না , তুই ভালো লাগে না । ”
—“ আচ্ছা তো কোথায় যাবে আমার অরাপাখি? ”
—“ শহর থেকে দূরে কোথাও । ”
—“ এখন যাওয়া ঠিক হবে না । কিছুদিনের মধ্যেই মেবি বিয়ের অনুষ্ঠান করবে । ”
—“ বিয়ের আগে চলে আসবো । ”
—“ আচ্ছা গ্রামে যাবে ? ”
—“ যাওয়া যায় । But গিয়ে থাকবো কোথায়? ”
—“ ফুফু বা......”
—“ না কখনোই না । ”
রিশানের মুখের কথা কেড়ে নিয়ে ঝটপট বললো জাইরা । রিশান ভ্রু কুঁচকে বলল ,
—“ কেন ? ”
—“ কেন মানে কি ? তিয়াসার জন্য পরান পুড়ছে বুঝি? ”
চিৎকার করে উঠল জাইরা । ভাগ্যিস রুম সাউন্ড প্রুফ ! নয়তো সবাই দৌড়ে চলে আসতো । রিশান এতোক্ষণে কাহিনী বুঝতে পেরেছে । জাইরাকে জ্বালানোর জন্য বললো ,
—“ হুম অনেক! ”
—“ কি বললি রিশানের বাচ্চা !! ”
বলেই রিশানের চুলের মুঠি ধরে টান দিলো । যদিও রিশানের তাতে কিছুই হলো না ।
—“ কি আজব? তোরা দুই ভাইবোন আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে পড়ছিস কেন? ”
কিছু একটা মনে পড়তেই বললো ,
—“ এইমাত্র তুই আমাকে 'তুই' করে বললি? ”
—“ আমাকে আবার তুই বলছো তুমি । ”
জাইরা কেঁদে ফেলে । রিশান হতবাক হয়ে গেল । এই মেয়ে আবার কবে থেকে এমন ছিৎ-কাঁদুনি হয়েছে ? যাই হোক এখন এসব ভাবার সময় নেই , বউয়ের কান্না থামাতে হবে ।
—“ আরে বউ কাঁদে না সরি আর তুই করে বলবো না । সরি পাখি ! ”
—“ তুমি আমাকে ভালোবাসো না । তিয়াসার কাছে যাও , আমি থাকবো না তোমার সাথে !! ”
রিশান কী করবে বুঝতে না পেরে জাইরায ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দিলো । জাইরার কান্না থেমে গেল । অবাক চোখে তাকাল রিশানের চোখে । ধূসর-নীল চোখজোড়ায় উদ্বিগ্নতা উপচে পড়ছে । জাইরার কান্না থেমেছে দেখে রিশান ঠোঁট ছেড়ে তাকে বুকে আগলে নিলো ।
—“ I'm sorry অরাপাখি । তোমাকে hurt করতে চাই নি । Sorry , really sorry ! ”
—“ it's ok , it's ok . এতো হাইপার হইয়ো না । ”
রিশান জাইরাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো । যেন ছাড়লেই পালিয়ে যাবে । জাইরা হতবাক হয়ে রিশানের বুকে পড়ে রইলো , সামান্য কান্না দেখে এতো উদ্বিগ্নতা ! তার চোখ আবার ভরে উঠলো । সে চোখ ভর্তি জল নিয়েই মুচকি হেসে রিশানকে জড়িয়ে ধরলো ।
চলবে.......
#bamgla_story #Uponnash #aiza #dark_romantic
( আজকে পর্ব শুধু রিশঅরাময় । কেমন লাগলো কমেন্ট কইরো পাখিরা । 🥹)