#মেঘবরণ_প্রেম
পর্ব - ২০
লেখা - আসফিয়া রহমান
অনুমতি ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ❌
৩৫.
দরজা খুলে মেয়ের অবস্থা নজরে আসতেই আঁতকে উঠলেন রাবেয়া বেগম। ব্যস্ত ভঙ্গিতে ওদের কাছাকাছি গিয়ে শুভ্রর দিকে তাকিয়ে অস্থির কন্ঠে জিজ্ঞেস করলেন, "অনুর পায়ে কী হয়েছে, শুভ্র? ব্যান্ডেজ কেন?"
অনিন্দিতা বিব্রত হয়ে মুখ নামিয়ে ফেলল। শুভ্র ওর দিকে একপলক তাকিয়ে পরপর রাবেয়া বেগমের দিকে তাকিয়ে বলল, "ওকে বসিয়ে তারপর বলি, আন্টি?"
"হ্যাঁ, হ্যাঁ! ভেতরে এসো আগে..."
ভেতরে ঢুকেই শুভ্র অনিন্দিতাকে সাবধানে সোফায় বসিয়ে দিল, তারপর ওর পা-টা সেন্টার টেবিলের ওপর উঠিয়ে সোজা করে দিল। মেয়েটা ব্যথায় মুখ কুঁচকে ফেলতেই শুভ্র নিচু গলায় বলল, "রিল্যাক্স, কিচ্ছু হয়নি!"
তারপর মুখ তুলে রাবেয়া বেগমের দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বলল, “সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে মচকে গেছে, আন্টি। একটু ফুলেছে… তবে, নার্স ব্যান্ডেজ করে দিয়েছে, টেনশনের কিছু নেই। ঠিকঠাক রেস্ট করলেই ঠিক হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ!”
রাবেয়া বেগম ততক্ষণে এগিয়ে এসেছেন অনিন্দিতার কাছে, "পড়লি কী করে অনু? ব্যথা কী খুব বেশি?"
অনিন্দিতা ঠোঁট কামড়ে ছোট করে বলল,
"একটু আছে…"
শুভ্র ভ্রু উঁচিয়ে তাকাল, “একটু না, বেশ ভালোই ব্যথা। ঠিক করে বলো আন্টিকে!"
তারপর রাবেয়া বেগমকে উদ্দেশ্য করে বলল, "ওর হাঁটুতেও কিন্তু বাজেভাবে ছিলে গেছে, আন্টি। আমি গিয়ে দেখি রক্ত শুকিয়ে কালচে হয়ে আছে।"
"সেকি! কই দেখি!" বলতে বলতে তার চোখ গেল ওর সাদা পাজামার দিকে, চমকে উঠলেন রাবেয়া বেগম, "ও আল্লাহ, সিঁড়ি দিয়ে কীভাবে নামছিলি তুই, অনু? এইভাবে রক্ত বেড়িয়েছে... না জানি কতখানি চামড়া ছড়ে গেছে..."
শুভ্র গভীর নিঃশ্বাস ফেলল, তারপর অভিযোগ-ভরা গলায় বলল, “এতটা ব্যথা পাওয়ার পরও অনিন্দিতা হসপিটালে যেতে চাইছিল না, আন্টি… জোর করে ধরে বেঁধে নিয়ে গেছি!"
রাবেয়া বেগম বিস্ময়ে চোখ বড় বড় করে তাকালেন,
“হসপিটালে যেতে চাইছিল না? এই অবস্থায়? অনু..!”
অনিন্দিতা তৎক্ষণাৎ মুখ নামিয়ে ফেলল, আঙুল দু’টো মুঠো করে চেপে ধরল পাজামার ওপর। মেয়েটার গালদুটো লাল হয়ে উঠেছে লজ্জায়।
"আমি ভেবেছি, এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে। তাই—"
"কতখানি ফুলেছে দেখেছিলে তুমি?" অনিন্দিতার দিকে তাকিয়ে কথাটা বলতে বলতেই শুভ্রর খেয়াল হলো হঠাৎ, "ও হ্যাঁ, মচকানো জায়গাটায় বরফ দিতে হবে, আন্টি। ফ্রিজে বরফ আছে?"
অনিন্দিতা আঁতকে উঠল তৎক্ষণাৎ, "বরফ মানে! না, না.. আমি কোনো বরফ-টরফ দেব না! এই আপনি বাসায় যান তো..!
শুভ্র ভ্রু কুঁচকাল, গম্ভীর চোখে অনিন্দিতার দিকে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। রাবেয়া বেগম ওদিকে চোখ রাঙালেন মেয়েকে, "অনু! ছেলেটা অফিস ফেলে তোমার জন্য ছোটাছুটি করছে। আর তুমি নিজের ভালো না বুঝে উল্টে জেদ দেখাচ্ছ?"
অনিন্দিতা মাথা নামিয়ে ফেলল। রাবেয়া বেগম এবার শুভ্রর দিকে তাকিয়ে বলল, "ফ্রিজে তো বরফ নেই, বাবা.. তোমাদের বাসায় একটু আছে কিনা দেখ তো!"
"আছে বোধহয়, নিয়ে আসছি আমি।"
শুভ্র ওপরে গেল। ওপরে যেতেই আরেক ঝামেলা! সোনালী বেগম তার উদ্বিগ্ন প্রশ্নবাণে জর্জরিত করে ফেললেন শুভ্রকে। শুভ্র ধৈর্য ধরে সকল প্রশ্নের উত্তর দিতেই তিনি অধৈর্য হলেন নিচে যাবার জন্য। শুভ্র দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
"চল, কিন্তু ওকে দেখে অতি আহ্লাদ করবে না একদম, এমনিতেই কোনো কথা শোনে না," হাতের বরফের ট্রে-টা দেখিয়ে আবার বলল, "এই যে, এটা দিতে গিয়ে যে কী কাহিনী করবে আল্লাহ জানে!"
৩৬.
সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতেই অনিন্দিতাকে সোফায় বসে টেবিলের উপর পা তুলে রাখা অবস্থায় দেখে থমকে গেলেন সোনালী। উৎকণ্ঠিত মুখে এগিয়ে এসে অনিন্দিতার মাথায় হাত বুলিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "বেশি ব্যথা করছে, অনু?”
অনিন্দিতা ভীষণ লজ্জায় ভেজা গলায় বলল,
“আমি ঠিক আছি, আন্টি!"
বরফের ট্রে-টা নিয়ে এসে সেন্টার টেবিলে রাখল শুভ্র। বরফের টুকরোগুলো কাপড়ে জড়িয়ে ছোট প্যাক বানাতে বানাতে চোখ তুলে ওর দিকে তাকালো একবার, কিছু বলল না।
প্যাক বানানো শেষ হতেই শুভ্র সেন্টার টেবিলের একপাশে বসে অনিন্দিতার পা-টা নিজের কোলে উঠিয়ে নিল। তারপর ব্যান্ডেজ খুলতে খুলতে বলল, "বরফটা প্রথমেই দেয়া দরকার ছিল, এখন দিলে খানিকটা কাজ হবে বোধহয়.."
অনিন্দিতা মুহূর্তে আঁতকে উঠল, "শুভ্র, বরফ দেব না, প্লিজ! অনেক ঠান্ডা… আর ব্যথাও লাগবে! আপনি… আপনি এটা নিয়ে যান না, প্লিজ, শুভ্র!”
শুভ্র থমকে গেল। তারপর ধীরে ধীরে চোখ সরু করে তাকালো, “অনিন্দিতা..!"
একটা শব্দ। কিন্তু অনিন্দিতার কাঁধ কেঁপে উঠল সহসাই। চুপ করে গেল মেয়েটা।
শুভ্র ব্যান্ডেজ খুলে আলতো করে হাত বুলিয়ে দেখল জায়গাটা। অনিন্দিতা কুঁকড়ে উঠতেই দৃষ্টি নরম হয়ে এলো ওর, "একটু সহ্য করো, বেশিক্ষণ লাগবে না!"
বরফ লাগানো মাত্রই অনিন্দিতা যেন লাফিয়ে উঠলো প্রায়! “আহ্! ব-ব্যথা.. শুভ্র— এটা সরান পি-প্লিজ!” দু’হাতে সোফার হাতল চেপে ধরতেই শরীর কেঁপে উঠল মেয়েটার।
শুভ্র এক হাত দিয়ে ওর গোড়ালি সামলে রাখল, অন্য হাতটা বরফপ্যাকের ওপর স্থির। কণ্ঠ কড়া হলেও সুরটা মোলায়েম, “অনিন্দিতা, নড়বে না। দুই মিনিট। শুধু দুই মিনিট। তারপর সরিয়ে ফেলব।”
অনিন্দিতা অশ্রুতে টলমল চোখে তাকালো। শুভ্র ওই ভেজা চোখদুটোর দিকে তাকিয়েই শুভ্র থেমে গেল এক মুহূর্তের জন্য। ওর গলা নরম হয়ে এলো, অথচ হাতের চাপ আলগা হলো না একটুও।
"এটা দেওয়া জরুরি, অনিন্দিতা। এতটুকু সহ্য না করলে আরও কষ্ট পাবে তুমি নিজেই।”
অনিন্দিতা চোখ বন্ধ করে মাথা এলিয়ে দিল সোফায়। ঠান্ডার শক আর ব্যথা মিলেমিশে শরীর কেঁপে কেঁপে উঠছে মেয়েটার। সোনালী বেগম ওর পাশে বসে মাথায় হাত বুলালেন।
"কাঁদছ কেন, বোকা মেয়ে! এখন একটু ব্যথা লাগলেও একটু পরেই দেখবে কেমন করে সব ব্যথা একদম ম্যাজিকের মতো ভ্যানিশ হয়ে গেছে..!"
রাবেয়া বেগম হাসলেন একটু, "ছোটবেলায়ও মেয়েটা এমন করতো আপা, ওর আব্বু তারপর কতকিছু বলে যে ভুলাতো..."
মায়ের কথায় অনিন্দিতার বন্ধ চোখের পাতা কেঁপে উঠল একবার। চোখের কোণে জমে থাকা অশ্রু দপ করে গড়িয়ে পড়ল গাল বেয়ে। ব্যথা? না… শুধু ব্যথা নয়, তীব্র মনখারাপ ভরা স্মৃতির চাপও এই মুহূর্তে আঘাত করল ওকে।
শুভ্র সেটা টের পেল বুঝি। দ্বিতীয় হাতে আলতো করে পায়ের পিঠে হাত বুলিয়ে দিয়ে নরম গলায় ডাকলো ওকে, "নন্দিতা, চোখ খোলো, লুক অ্যাট মি!"
অনিন্দিতা চোখ মেলল না। শুভ্র আবার বলল,
“তোমার শরীর যতটা রিঅ্যাক্ট করছে, তার অর্ধেকটাও ব্যথা নয়, অনিন্দিতা। ঠান্ডার শক এটা। দু’মিনিটেই কমে যাবে।"
মেয়েটা ঠোঁট কামড়ে নিঃশ্বাস ফেলল, কাঁপুনি থামল না ওর, “শুভ্র… প্লিজ আর না!”
দীর্ঘশ্বাস ফেলে শুভ্র বরফপ্যাকটা সরিয়ে নিল। সময় দুই মিনিটও হয়নি বোধহয় পুরোপুরি, কিন্তু মেয়েটার সহ্যের সীমা দেখতে দেখতে আর এক সেকেন্ডও রাখতে মন চাইলো না ওর।
শুভ্র অনিন্দিতার পা-টা আলতো করে নিজের কোল থেকে নামিয়ে রাখতেই সোনালী বেগম বললেন,
"অনুকে রুমে দিয়ে এসো, শুভ্র। মেয়েটা একটু রেস্ট করুক।"
শুভ্র মাথা নাড়ল। সোফা থেকে আবার আলতো করে অনিন্দিতাকে বুকে তুলে নিল। মেয়েটা লজ্জায় আর ব্যথায় গালে আড়ষ্ট রঙ নিয়ে আঁকড়ে ধরল শুভ্রর শার্টের কলার।
ওরা চলে যাওয়ার পর রাবেয়া বেগম সোনালী বেগমকে বললেন, "মেয়েটা একদম কথা শোনে না, আপা। বড্ড বেশি জেদ। শুভ্র না থাকলে এতক্ষণ বরফটা দিত না কিছুতেই। দেখা যেতো, উল্টে চিল্লাচিল্লি করছে আমার সাথে..."
সোনালী বেগম হাসলেন, বললেন, "একটু গরম গরম স্যুপ খাইয়ে একটা প্যারাসিটামল খাইয়ে দিন। ব্যথাটা তাড়াতাড়ি কমে যাবে।"
"হ্যাঁ, তাই করি।"
রাবেয়া বেগম সোফা থেকে উঠতেই শুভ্রর মা আবার বললেন, "আপা, ওদের এনগেজমেন্টটা তাড়াতাড়ি করে ফেলতে চাইছিলাম আমরা। তারপর সময় সুযোগ মতো বিয়ের আয়োজন করা যাবে।"
"আমার আপত্তি নেই, আপা! বিয়েতে যেহেতু মত দিয়েছি, তখন বাকি সবকিছুতেই মত আছে আমার। আপনারা আপনাদের সুবিধা মত করুন..."
৩৬.
অনিন্দিতাকে বিছানায় শুইয়ে দিতেই মেয়েটা মুখ ঘুরিয়ে অন্যদিকে তাকালো। শুভ্র একটু হেসে ওর মাথার কাছে বসলো, "আমার বোকাফুল কী রাগ করেছে আমার ওপর?"
শুভ্রর কথায় জবাব দিল না মেয়েটা। ফিরেও তাকালো না এদিকে। ওর ক্লান্ত চোখের কোণে রাগ–অভিমান–লজ্জার মিশ্র ছাপ। শুভ্র একটু ঝুঁকে ওর কপালের ওপর থেকে চুলগুলো সরিয়ে কানের পেছনে গুছিয়ে দিল। কিঞ্চিৎ কেঁপে উঠলেও ভাবান্তর হলো না মেয়েটার। শুভ্র নরম গলায় ডাকলো, "নন্দিতা, আমার দিকে তাকাবে না?"
"...না! আপনি খুব খারাপ। বাসায় যান আপনি! আপনার সাথে আমি কথা বলব না!"
শুভ্র আবারও হাসলো, "বাবাহ্! আমার বোকাফুল মনে হচ্ছে বেশি রাগ করেছে!"
অনিন্দিতা চুপ করে রইলো। শুভ্র হাত বাড়িয়ে মেয়েটার থুতনি ধরে মুখটা ফেরালো নিজের দিকে, তারপর ঝুঁকে এলো ওর মুখের ওপর। অনিন্দিতা চোখ বড় বড় করে তাকালো।
"শু-শুভ্র! আম্মু চলে আসবে যেকোনো সময়, সরু— উঃ"
একনাগাড়ে অনেকক্ষণ বরফ ধরে থাকা ঠান্ডা তর্জনী আচমকা ঠোঁট স্পর্শ করতেই কেঁপে উঠল অনিন্দিতা। কেঁপে উঠে ওর কথা থেমে গেল মাঝপথেই। পরপর ওকে কোনকিছু বুঝে ওঠার সুযোগ না দিয়ে শুভ্র সহসাই নিজের দখলে নিয়ে নিল মেয়েটার রক্তিম ঠোঁটজোড়া। চমকে উঠলো অনিন্দিতা। ঘটনা এত দ্রুত ঘটল যে, বাধা দেওয়ার সময়টুকুও পেল না মেয়েটা।
শুভ্র তখন নিজের পুরু ওষ্ঠের অবিরত আধিপত্য চালাচ্ছে মেয়েটার তুলতুলে অধরজোড়ার ওপর। যন্ত্রণাময় স্পর্শে কুঁকড়ে উঠে অনিন্দিতা বুকে হাত ঠেলে সরাতে চাইল মানুষটাকে, কিন্তু ওই শক্তপোক্ত শরীরের সাথে পেরে ওঠা ওর কর্ম নয়!
শুভ্র নিজের তৃষ্ণা মিটিয়ে তারপর সরে এলো। মেয়েটার অবস্থা তখন নাজেহাল। হাঁপানি রোগীর মত টেনে টেনে নিঃশ্বাস নিয়ে সামলানোর চেষ্টা করছে নিজেকে। শুভ্র ওর অবস্থা দেখে ঠোঁট এলিয়ে হাসলো। পরপর ফিসফিসিয়ে বললো,
"আপনার এতক্ষণের সেবা-যত্নের পারিশ্রমিক এটা, ম্যাডাম! আপনি তো আর দেবেন না, তাই নিজেই আদায় করে নিলাম। ডোন্ট মাইন্ড!" বলেই ছেলেটা চোখ টিপলো নির্লজ্জ ভঙ্গিতে।
অনিন্দিতা লজ্জায় হতভম্ব হয়ে তাকালো, "পারিশ্রমিক! আপনাকে কি আমি আমার সেবা-যত্ন করতে ডেকে এনেছি? নিজ ইচ্ছায় নাচতে নাচতে সেবা করতে এসে আমাকে ব্যথা-ট্যথা দিয়ে, এখন আবার জোর করে চুমু খেয়ে বলছেন, নিজের পাওনা পারিশ্রমিক? বেশরম নির্লজ্জ লোক কোথাকার!"
শুভ্র ওর কথা শুনে শব্দ করে হেসে ফেলল। তারপর ঝুঁকে এসে টুপ করে ঠোঁটে আরেকটা চুমু খেয়ে ফিসফিসিয়ে বললো, "এটাকেই নির্লজ্জতা বলছেন বোকাফুল! তাহলে পরে যখন সত্যি সত্যি নির্লজ্জ হব, তখন কি বলবেন?"
"ছিঃ... এই আপনি যাবেন, নাকি আম্মুকে ডাকব আমি?" টকটকে রাঙা গালদুটো নিয়ে লজ্জায় আইঢাই করে উঠলো অনিন্দিতা।
"ভাবছি, যাব না! এই মুহূর্তে কাজী ডেকে এনে কবুল বলে আন্টির সামনে সগৌরবে বাসর ঘরের দরজা বন্ধ করব..." নির্লজ্জের মতো দাঁত কেলালো শুভ্র।
"নাউজুবিল্লাহ! এই আপনি উঠুন এখান থেকে, এই মুহূর্তে ঘর থেকে বের হোন বলছি..." শুভ্র নির্লজ্জ মার্কা কথাবার্তা শুনে দুই কান দিয়ে যেন গরম ধোয়া বের হচ্ছে অনিন্দিতার।
উঠে দাঁড়িয়ে মেয়েটার রক্তিম মুখের দিকে তাকিয়ে চোখ টিপলো শুভ্র, "রেডি ফর দ্যাট ডে, কিউটি পাই! ইউ ডোন্ট হ্যাভ আনলিমিটেড টাইম, রিমেম্বার দ্যাট!"
To be continued...