ফন্ট সাইজ:
থিম:
একখণ্ড আসক্তি

৪৪তম পর্ব

লেখক: রশনি করিম

#পর্ব_৪৪

গল্প:#একখণ্ড_আসক্তি

#লেখিকা_রশনি_করিম

[ 🚨কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।চাইলে পোস্ট বা পোস্টের লিংক শেয়ার করতে পারেন ]

★𝓡𝓸𝓼𝓷𝓲...................

দেশের আকাশে আজকাল শরতের আবহাওয়ার তেমন দেখা মিলে না।তার উপর এই ঢাকা শহরের কথা তো আরো অনেক পরে আসে।কিন্তু রাজ যেন এ কথা শতবার সাহিত্যকে বুঝিয়েও তেমন কোনো লাভ হলো না।সাহিত্য শরতের আবহাওয়া দেখবে মানে দেখবেই।এক প্রকার জোর করেই রাজকে গাড়িতে উঠিয়ে সাহিত্য ফুল স্পিডে তার রয়েল গ্রিন অ্যাস্টন মার্টিনখানা চালাতে লাগলো।

বাইরের আরামদায়ক বাতাস উপভোগ করতেই যেন গাড়ির গ্লাসগুলো নামানো।সাহিত্য সেই হাওয়ার মজা নেওয়ার সাথে মনের আনন্দে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু এদিকে যে সেই আরামদায়ক বাতাস রাজকে ছুয়ে দেওয়ার পরও সেদিকে কোনো খেয়াল নেই তার।হাতের বড় ফাইলটাতে খুব গভীরভাবে নজর বুলিয়ে যাচ্ছে সে।সেটাতে নজর বুলাতে নিয়েই দুইবার ফোনেও কথা চলছিল রাজের।হয়তো হাতের ফাইলেরই ক্লায়েন্টের সাথে কথা চলছিল।সাহিত্য যখন রাজকে অফিস থেকে টানতে নিয়েই বের করে তখনই তো বুদ্ধি করে ফাইলটাও হাতে তুলে নেয় সে।এতো বড় একটা প্রজেক্ট যে আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যেই একদম পাকাপোক্ত করতে হবে।সেটাতে সাহিত্য গত তিন মাস থেকে বেশ পরিশ্রম করেছে।তবে এখন সব টুকিটাকি ঠিক করতেই যেন রাজ আর রবির এতো দৃঢ় মনোভাব।

হঠাৎ গাড়ি থামার পরেও ফাইল থেকে মাথা তুলল না রাজ।কিন্তু কানে সাহিত্যের মৃদু কন্ঠ শুনলো,

"রাজ,দেখো সামনে কে দাঁড়িয়ে আছে?"

"এখন না স্যার,পরে"

পরপরই উত্তর করল রাজ।অফিসের কাজের ক্ষেতে যেন কোনো হেলাফেলা নেই।সাহিত্য যখনই এদিকটায় একটু ঢিল দিতে চায় তখনি রাজের কারণে আর হয়ে উঠে না সেটা।রাজ যেন একটু বেশিই কড়াকড়ি এদিকটায়।কিন্তু সাহিত্যের এবারের কথায় রাজ চমকে উঠেই সাহিত্যের দিকে চোখ বড় বড় করে দেখতে লাগলো।

"যার কারণে হাতের ফাইলটাতে কাজ করছো তাকে দেখবে না?"

রাজের বড় চোখ জোড়া দেখে নিঃশব্দে হাসলো সাহিত্য।অতঃপর বলল,

"আমার দিকে না।বাইরে দেখো"

রাজ বাইরের দিকে চোখ ঘুরাতেই এক যুবককে দেখতে পেল।যে কিনা রাস্তার পাশে এক ছোট দোকানে বসে সিগারেট টেনে যাচ্ছে।চোখের চশমা ঠিক করে রাতুলকে সুক্ষ্ম চোখে পরখ করল রাজ।অতঃপর রাতুলের দিকে নজর রেখেই শুধালো,

"হি ডাজেন্ট ডিজার্ভ মাই হার্ড ওয়ার্ক"

সাহিত্যের নজরও রাতুলের দিকে।রাজের কথায় মেকি হাসলো সে,

"সে তো কিছুই ডিজার্ভ করে না"

এবার সাহিত্য যেটা করল সেটা অন্তত রাজ কখনোই আশা করেনি এবং ভবিষ্যতেও করতো না।কিন্তু সাহিত্য তো বর্তমানে সেই কাজটাই করে বসল।সিটের সামনের পকেট থেকে একটা পি'স্তল বের করল সাহিত্য। তার পাশের জানালা দিয়ে হাতটা একটু বের করে হেলাফেলায় পি'স্তলটা রাতুলের দিকে তাক করল।

অমনি যেন রাজ ভয়ের চোটে নিচু স্বরে চিৎকার দিয়ে উঠল,

"স্যার!!এটা কি করছেন আপনি!!"

রাজের চিৎকারে সাহিত্যের কোনো হেলদোল দেখা গেল না।কিন্তু ক্ষণিক বাদেই হাতটা ভেতরে নিয়ে নিল সে।পি'স্তলটা এপাশ-ওপাশ ঘুরিয়ে দেখে রাজের দিকে ছুড়ে মারলো।ক্যাচ ধরতে গিয়ে বেশ হিমসিম খেল রাজ।কিন্তু ক্যাচটা মিস করল না।কাপা হাতে পি'স্তলটা নিয়ে সেটার দিকে একবার নজর দিয়ে যান্ত্রিকভাবে সাহিত্যের দিকে ঘুরল।রাজের চোখে-মুখে ভয় স্পষ্ট।কিন্তু সেটা যেন দেখেও না দেখার ভান করল সাহিত্য,

"আমার না টার্গেট ভালো না।তুমি দেখো তো একটু ট্রাই করে"

রাজের মুখ যেন খুলে গিয়ে জমিন ছুইছে।সাহিত্যের মাথা কি ঠিক আছে,না পুরোটাই পদ্মায় ভাসিয়ে দিয়েছে?এমন করে বলছে যেন বাটুল খেলা খেলছে তারা।রাজ তারপরেও নিজেকে সংযত করল।পি'স্তলটা কোলে রেখে দুই হাত দিয়ে চেপে ধরল সে।চোখ বন্ধ করে দুটো বড় বড় শ্বাস নিয়ে সাহিত্যের দিকে ঘুরলো।এই প্রথম মনে হয় রাজ সাহিত্যের মুখের উপর কটমটিয়ে বলে উঠল,

"আমি আপনার অফিসের ফাইল সামলানোর জন্য আপনার অ্যাসিস্ট্যান্ট হয়েছি।ব'ন্দুক চালানোর জন্য নয়"

সাহিত্য যেন এই প্রথম রাজের মুখে এতো রাগের ছাপ দেখছে।সেটা দেখে যেন ভালোই লাগলো সাহিত্যের।যাই হোক,তার মানে ছেলেটা সাহিত্যের সাথে ভালোই ফ্রি হয়েছে এই কয়মাসে।

রাজ তার কথা বলেই জোর হাতে সাহিত্যের দিকে পি'স্তলটা এগিয়ে দিল।ঠোঁটের হাসি বাড়িয়ে সেটা নিয়ে আরো একবার রাতুলের দিকে নজর দিল সাহিত্য।রাতুল সিগারেটে শেষ টানটা দিয়ে পায়ের নিচে চাপালো সেটা।মুখোশ্রি যেন আপনা-আপনিই গম্ভীর হয়ে এলো সাহিত্যের,

"পায়ের নিচে দাবিয়ে রাখতে চেয়েছিস,তাই না?এতো সহজে মারবো না তোকে। তিলে তিলে বুঝাবো কার সাথে টক্কর দিতে মাঠে নেমেছিস"

সাহিত্যের সেই কন্ঠে লুকিয়েই লম্বা এক ঢোক গিলল রাজ।সাহিত্যের কথাগুলো কি পি'স্তলের গু'লির থেকে কম ছিল নাকি!

শুধুমাত্র একটা ছেলেকে নিজের অবস্থান বুঝাতে যে সাহিত্য এতো বড় পদক্ষেপ নিবে সেটা যেন প্রথম দিকে রাজের কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না।কারণ সেটা যে ভাবনারও বাইরে!তাই তো সেটা শুধুই এই অহিয়াম শেখ সাহিত্যের দ্বারাই সম্ভব!

★𝓡𝓸𝓼𝓷𝓲...................

অফিস থেকে রাজকে যেমন বের হতে দেখা গিয়েছিল,অফিসে ফিরে একদমই তেমন দেখা গেল না।ছেলেটা এতোটাই হাসফাস করছে যে কালো ব্লেজার খুলে হাতে তো নিয়েছেই,সাথে সাদা শার্টের উপরের বাটোন খুলে দিয়ে কালো টাইটা অনেকটাই ঢিলা করে দিয়েছে।

রাজ অফিসে ঢুকেই হন্তদন্ত পায়ে নিজের কেবিনে ঢুকলো।সেদিক থেকে নজর ঘুরিয়ে সাহিত্যের দিকে নজর দিল রবি আর অয়ন।সাহিত্য তো একদম স্বাভাবিক আছে।এতোটাই স্বাভাবিক যে মাটিয়া রঙের শার্টের নিচে পড়া কালো প্যান্টের দুই পকেটে হাত গুজে দিয়ে ঠোঁটে হাসি ঝুলিয়ে রেখেছে।

রবি ভ্রু কুচকে শুধালো,

"ছেলেটাকে জোর করে নিয়ে গিয়ে এমন কি করে আনলি যে এতো বেহাল দশা হয়ে আছে?"

ঠোঁটে হাসি রেখেই বলল সাহিত্য,

"রাজকে ওটা দেখিয়েছি"

রবি আর অয়ন দুজনেই ভ্রু কুচকালো।সাহিত্য আবার বলল,

"ব'ন্দুকের কথা বলছি"

রবি ঠিকই বুঝলো।তাই তো স্বাভাবিক হয়ে এলো সে।কিন্তু অয়ন এদিকে হাত দিয়ে ঠোঁট চেপে ধরেছে।অতঃপর হাত সড়িয়ে প্রথমে উঁচু স্বরে বলতে নিয়ে আশেপাশে নজর বুলিয়ে ধীমি আওয়াজে বলল,

"ছি সাহিত্য!!নাহয় কল্পনা তোকে তার কাছে যেতে দেয় না।তাই বলে প্রক্সি হিসেবে রাজ?"

সাহিত্য আর রবি যেন পুরো হতবম্ব হয়ে গেল।সাহিত্য তার ডান হাতের উল্টো পিঠ দেখিয়ে দাঁত চিবিয়ে বলল,

"এমন চড় খাবি যে একদম জাহান্নামে গিয়ে পড়বি।কি সব উল্টা-পাল্টা কথা বলিস"

"আব্বে জাহান্নামে তো তুই গিয়ে পড়বি!কিসব আকাম করে বেড়াচ্ছিস!কানাডায় গিয়ে এগুলো শিখেছিস তুই?ছিঃ!"

সাহিত্য অয়নের শার্টের কলারটা ধরতেই যাচ্ছিল,কিন্তু তার আগেই রবি তাকে থামিয়ে দিয়ে বলে উঠল,

"সাহিত্য থাম।এই হালা কিছু জানে না"

রবির কথা শুনে যেন একটু শান্ত হলো সাহিত্য।ওদিকে অয়ন আবার ভ্রু কুচকালো,

"কি জানবো আমি?যে সাহিত্য গে হয়ে গিয়েছে?"

কথাটা বলতে নিয়েই অয়নের মুখে হাসি ফুটল,

"তার মানে কল্পনা এখন ফ্রি?"

এবার আর থামলো না সাহিত্য।তেড়ে গিয়ে অয়নের শার্টের কলারটা টেনে ধরল।অতঃপর অয়নের মুখের সামনে দাঁত চিবিয়ে বলতে লাগলো সে,

"শা'লা আমি আমার পকেটে থাকা পি'স্তলের কথা বলছি।আর তুই যদি কল্পনার কথা আরেকবার তোর মুখে নিয়েছিস তাহলে সেই পি'স্তলের ৮টা গু'লির মধ্যে ৮টাই তোর মুখ দিয়ে ঢুকিয়ে ওইখান দিয়ে বের করব।তখন ভেবে দেখিস যে কে গে"

অয়নকে দূরে ঠেলতে নিয়েই অয়নের শার্টের কলারটা সাহিত্য ছেড়ে দিল।ছাড়া পেয়ে কাশতে লাগল অয়ন,

"আব্বে তো সেটা আগে বলবি না!!তুই যে লোহার একটা কিনেছিস আমি আবার সেটা জানি?"

রবির দিকে ঘুরল সাহিত্য।চোখ-মুখ বিকৃত করে বলে উঠল,

"মিটিং রুম ছাড়া এটার মুখে সবসময় টেপ মেরে রাখবি।এর কাপড় বিহীন ছাতার মাথা কথা আর সহ্য হচ্ছে না আমার"

কোনো উত্তর করল না রবি।মৃদু হেসে শুধু মাথা দুলিয়ে গেল।

★𝓡𝓸𝓼𝓷𝓲...................

আজ অফিসে তেমন কাজ না থাকায় বিকেলের দিকেই বাসায় ফিরল সাহিত্য।রুমে ঢুকতেই স্টাডি টেবিলের উপর রাখা কল্পনার চিঠিটা দেখেই যেন সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয়ে গেল।হাতের ব্লেজারটা বিছানায় ছুড়ে মেরে চেয়ারে বসে চিঠিখানা খুলতে লাগলো সে।

📜...................................................................

একটা সত্য কথা বলি? আমি আপনাকে অনেক মিস করছি।অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক মিস করছি।আপনাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে।আপনাকে খুব ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছা করছে। আপনার সাথে খুব কথা বলতে ইচ্ছা করছে।আপনি কাছে থাকায় যে ঘ্রাণ পেতাম সেই ঘ্রাণ মিস করছি।আপনার কল্পনা আপনাকে খুব মিস করছে সাহিত্য ভাই।কলিজাটা ছিড়ে যাচ্ছে আপনার সাথে কথা না বলতে পেরে।তার উপর রাতুল ভাইয়া যেন পিছুও ছাড়ছে না।এদিকে আমি আপনার পেছনে ছুটছি।আর রাতুল ভাইয়া আমার পেছনে।

সরি, বাড়তি কথা বলে ফেলেছি।আজ চিঠিটাও বড় হয়ে গিয়েছে।

উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম।

আপনার আদরের বোন,

অমৃতা শেখ কল্পনা।

........................................................................📜

এতো দিন পর যেন কল্পনা সাহিত্যের মনে ঝড় তোলার মতো একখানা চিঠি লিখেছে।কিন্তু শেষের কথাটায় বেশ মনমরা হয়ে গেল সাহিত্য।রাতুল যখন কল্পনার পেছনে পড়েছিল এই চিঠিটা মনে হয় তখনকার লেখা।

এই মুহুর্তে সাহিত্যের বড্ড রাগ উঠছে নিজের উপর।তার প্রেয়সী যে বড়ই কষ্টে ছিল সেই সময়।কাউকে নিজের মনের কথা বলতে না পেরেই মনে হয় সাহিত্যকে বলেছিল।কিন্তু তার সাহিত্য ভাইটা যে বেকুবের মতো সেই চিঠিটাও উপেক্ষা করে গিয়েছে।যেই সময় কল্পনা তার সাহিত্য ভাইকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করেছে সেই সময়টাতে যেন নিজের অহেতুক রাগে নিজেকে বন্দি করে রেখেছিল সাহিত্য।শুধু একটাবার।একটাবার যদি সাহিত্য সঠিক সময়ে সেই চিঠিটা খুলে দেখতো।শুধু একটাবার যদি সাহিত্য নিজের রাগকে তখনই পরাজিত করে দিত।শুধু একটাবার যদি সঠিক সময়ে সাহিত্য তার প্রেয়সীর কাছে ছুটে চলে আসতো।তাহলে হয়তো কল্পনাকে এতো কিছু সহ্য করতে হতো না।হয়তো রাতুলকে সাহিত্য তখনই আটকে দিত।হয়তো সেদিন শপিংমলে কল্পনা তেমন খারাপ একটা ঘটনার শিকার হতো না।

কিন্তু সাহিত্য যে বড়ই ভুল করে ফেলেছে।যেটা এখন শত চিৎকার,শত চোখের জল ঝড়িয়েও ঠিক করা সম্ভব নয়।প্রেয়সীর প্রতি বড় অনুতপ্ত বোধ করছে সাহিত্য এই মুহুর্তে।তাই তো মাথাটা আলগোছেই টেবিলে এলিয়ে দিল।চিঠিখানা মুখের সামনে নিয়ে ভাঙা গলায় বলে উঠল সে,

"সরি জানপাখি।আমি জানি আমি ক্ষমার যোগ্য নই,তারপরেও সরি।কি করব বল?তখন তো নিজের মনের কথাই বুঝতাম না আমি।তোর সাহিত্য ভাই যে তখনো জানতো না যে তুই কতটা মূল্যবান তার এই তুচ্ছ জীবনে"

আটকে গেল সাহিত্যের গলা।আর যে কথাই বলতে পারছে না সে।প্রেয়সীর সামনে তো দূরে থাক,প্রেয়সীর পেছনেও যেন সান্ত্বনা বাক্য বলতে পারছে না।রুমের কৃতিম আলো যুক্ত পরিবেশে হঠাৎই দেখা দিল সাহিত্যের চোখের মুক্তদানারা।সেই চকচকে নোনাপানির সুক্ষ্ম দুই কণা বিনা বাধায় গড়িয়ে স্টাডি টেবিলটায় স্থান করে নিল।গলার ভারী ঢোক গিলে আবার ভাঙা স্বরে শুধালো সাহিত্য।এবার গলাটা যেন আগের থেকেও বেশি ভেঙে এসেছে,

"আমিও তোকে খুব মিস করছি জান।কাছে থেকেও যেন তুই অনেক দূরে।তোকে খুব আদর করতে ইচ্ছে করছে।কিন্তু দেখ,ভাগ্যটা যে একদম আমার সাথে নেই।দাদির প্লানটারও বারোটা বেজে গেল।এখনো বুঝছি না কিভাবে কি করব"

হয়তো সাহিত্য তার অনুভূতি প্রেয়সীর চিঠিখানার কাছে প্রকাশ করল।কিন্তু সেই অনুভুতিদের বহিঃপ্রকাশ যেন প্রেয়সীর সামনে আর ঘটলো না।আর না সাহিত্যের প্রেয়সীর নজরে এলো সাহিত্যের চোখের পানি কণারা।

#চলবে

সাহিত্য ভাইয়ের কান্না দেখে আমার আর হাত চলতেছিল না🫠,ছোট পর্ব দেওয়ার জন্য সরি🥲

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৪৪তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন