#প্রণয়বেলায়_তোমার_আগমন (৩৭)
#জেরিন_আক্তার
পরদিন থেকেই শুরু হলো ইলাহি কাজকর্ম। রুকাইয়া, অনিমা আর নাজমা সবাই মিলে কাজ করছে। এতো বছর পরে বাড়িতে বিয়ে বলে কথা। ওদিকে অধরা ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে ড্রইং রুমে এসে বসলো। মা-চাচিকে কাজে ব্যাস্ত দেখে বড়ই অবাক হলো। প্রতিদিন যেমন কাজ করে এর থেকেও বেশি কাজে জোর দিয়েছে। সোহাও নিচে এলো। সে অধরার পাশে বসে আস্তে করে বলল,
“আপু, কি হচ্ছে এসব?”
অধরা বিড়বিড় করে বলল,
“আমার বিয়ে বুঝতে পারছিস না?”
সোহা জিভে কামড় দিয়ে বলল,
“এই দেখো মনেই ছিলো না।”
এই সময় বাড়িতে ঢুকলো আদ্র। বেচারার কাঁধে একটা ভারী একটা বস্তা আর হাতে একটা। আদ্র অধরা আর সোহাকে ধমক দিয়ে বলল,
“এই এদিকে আয়! বস্তা নামা।”
অধরা উঠে গিয়ে আদ্রর থেকে বস্তাটা নামালো। আদ্র হাপাতে হাপাতে এসে সোফায় বসলো। সাথে সোহার মাথায় গাট্টা মেরে বলল,
“এই যা পানি নিয়ে আয়!”
সোহা মাথায় হাত দিয়ে উঠে চলে গেলো। অধরা বস্তা খুলে দেখলো বাজার এনেছে আদ্র। অধরা অবাক হয়ে আদ্রর দিকে তাকিয়ে বলল,
“তুমি বাজার করতে গিয়েছিলে?”
“হুমম।”
রুকাইয়া আর নাজমা এগিয়ে এসে বস্তাটায় থেকে সব শুকনো মশলা কিচেনে নিয়ে গেলো। অধরা এগিয়ে এসে আদ্রর পাশে দাড়ালো। ওড়নার মাথাটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বাতাস করতে লাগলো। সোহা পানি নিয়ে এলো। আদ্র পানি খেয়ে বলল,
“জীবনের প্রথম বাজারে গিয়েছিলাম। আল্লাহ এত্ত কষ্ট বাজার করা।”
সোহা বলল,
“কেনো ভাইয়া ড্রাইভার সাথে যায়নি?”
“ড্রাইভারকে অন্য কাজে পাঠিয়েছে। আর বাবা আমাকে বলেছে বাজারে যেতে। ভেবেছিলাম যাবো আর কিনে নিয়ে আসবো। কিন্তু বাবারে বাবা কি ভিড়, কি দাম!”
সোহা ফিক করে হেসে দিলো। যার কারণে আদ্র বাজখাই গলায় বলল,
“এই যা তো চোখের সামনে থেকে সর! হাসির কথা বলেছি?”
সোহা মুখ ভেঙচি কেটে ঝাড়ি মেরে বলল,
“যাচ্ছি।”
আদ্র মুখ বেকিয়ে বলল,
“আমি এখানে অস্থির হয়ে বসে আছি। আর উনি হাসছে। মনে হচ্ছে জোক করছি।”
সোহা ফিরে এসে বলল,
“জীবনে বউ পাবে না।”
“না পেলাম। তাও ভালো।”
ওদের এমন ঝগড়ার মধ্যে অনিমা এলেন কিচেনে থেকে। বললেন,
“তোদের ঝগড়া কি শেষ হবে না? এমন করছিস কেনো? কত কাজ চোখে পড়ে না?”
আদ্র বলল,
“তোমার মেয়ের বিয়ে তোমার মেয়েকে দিয়ে কাজ করাও।”
অধরা জোর গলায় বলল,
“তোমার ভাগ্য ভালো তোমার ভাইয়ের বউ হচ্ছি। নাহলে আমার মতো মেয়ে কোথায় পেতো? আবার আমাকে কাজ করতে বলছো তাই না!”
আদ্র বলল,
“তোকে কি এখনই বউ করেছে। এখনও তো চাচাতো বোন হয়ে আছিস। সেই হিসেবে চাচাতো ভাইয়ের বিয়ে তো, কাজ কর!”
অধরা নাক-মুখ কুঁচকে বলে উঠল,
“আসলেই! বড় আম্মু দেখো কি বলছে।”
রুদ্র নিচে নেমে এলো। অনিমা অধরাকে বললেন একসাথে খেয়ে নিতে। আদ্র উঠে চলে এলো রুমে। হাতমুখ ধুয়ে বের হলো। অধরা খাবার বেড়ে দিলো। আদ্র খেতে খেতে কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলল,
“কতটা আশা নিয়ে ছিলাম এই মহারানীর শশুরবাড়ি যাবো, ভালোমন্দ রান্না করে খাওয়াবে সে। কিন্তু তা আর হলো কই। বাড়িতেই খেতে হবে।”
কিচেনে থেকে রুকাইয়া হেসে হেসে বললেন,
“তু্ই চিন্তা করিস না। মেয়ের ভাই হয়ে আসিস তোকে কি খাওয়াতে হয় তা আমরা খাওয়াবো।”
আদ্র মাথা নাড়ালো,
“না না অমন খাওয়া আমার লাগবে না।”
রুদ্র শয়তানি হেসে বলল,
“আদ্র বিয়ে তো মাত্র একটা করলাম। আরও তিনটা বাকি আছে। তু্ই সেখানেই যাস। আমার বাকি বউরা তোকে খাওয়াবে।”
অধরা রক্তচোখে তাকালো। আদ্র অধরাকে একটু ধাক্কা দিয়ে বলল,
“দেখ, বিয়ের আগেই কি বলছে। আরও বিয়ে করবে বলে।”
রুদ্র ফিচেল হেসে বলল,
“এক আতঙ্ক নিয়েই পারিনা আবার আরও! মাফ চাই ভাই।”
এমন সময় রুকাইয়া ডেকে বললেন,
“এই তোরা গল্পগুজব করা বাদ দিয়ে খেয়ে নে। আর খাওয়া শেষ হলে অধরা, সোহা ডাইনিং টেবিলটা মুছে রাখবি। তাহলে নিচের সব কাজ শেষ।”
রুদ্র আর আদ্র খেয়ে চলে গেলো। অধরা সোহাকে সাথে নিয়ে খেয়ে উঠল। এরপরে দুজনে ডাইনিং টেবিলটা গুছিয়ে নিলো। ওদিকে তিনজনের কাজ শেষ। ড্রইং রুমটা বেশ ঝকঝকে লাগছে। আদ্র নিচে এলো। অধরা আর সোহাকে ডেকে নিয়ে গেলো ছাদে। এই সকালেই ছাদে অনেক রোদ। দুজনে ছাদে এসে একটা গাছের নিচে দাড়ালো। আদ্র বলল,
“এভাবে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য তোদের ডেকেছি?”
অধরা বলল,
“তাহলে?”
আদ্র অধরা আর সোহার হাতে দুটো ঝাড়ু দিয়ে বলল,
“এই ছাদ টা ঝাড়ু দে!”
সোহা রেগে গিয়ে বলল,
“তুমি পাগল হয়ে গিয়েছো? আমরা ঝাড়ু দিবো? অসম্ভব!”
আদ্র বলল,
“অসম্ভব কে সম্ভব কর!”
অধরা একহাত কোমরে রেখে বলল,
“পারবো না। এখন রোদে কাজ করলে স্কিন কালো হবে। পরে বিয়ের ছবিতে কালো দেখা যাবে।”
আদ্র ফিচেল হেসে বলল,
“চিন্তা করিস না, তু্ই কালো হলেও আমার ভাইয়ের সাথেই বিয়ে হবে। আবার রাশিয়ানদের মতো ফর্সা হলেও আমার ভাইয়ের সাথেই বিয়ে হবে।”
এমন সময় দুজন মহিলা এলো। আদ্র অধরা আর সোহার থেকে ঝাড়ুটা নিয়ে বলল,
“আপনাদের এই ছাদ পরিষ্কার করার জন্যই ডাকা হয়েছে। কাজে লেগে পড়ুন। একটু পরে লোক আসবে সাজাতে।”
অধরা এগিয়ে এসে আদ্রকে মারতে মারতে বলল,
“ঠিক বড় ভাইয়ের মতো চাপা মারতে জানো।”
আদ্র সোহাকে বলল,
“তোর সামনে আমাকে মারছে তু্ই আটকাচ্ছিস না কেনো?”
সোহা মাথা নাড়িয়ে বলল,
“বেশ করেছে আরও মারুক।”
আদ্র তাজ্জব বনে গেলো। সোহার দিকে তাকিয়ে বলল,
“শয়তান আবার কথা বলতে আসিস। তোর সাথে আমি কথা বলবো না।”
____________
দুপুরে,,,
ড্রইং রুমে বসে কথা বলছিলেন আরমান নেওয়াজ, আরিফ নেওয়াজ আর আদনান নেওয়াজ। আরিফ নেওয়াজ বিয়ের কার্ডগুলোতে নাম লিখছেন। একটু পরেই এগুলো আত্মীয়দের দিতে যাবেন।
এমন সময় সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলো অধরা। খয়েরি রঙের থ্রী-পিস পড়েছে। আর ভেজা চুলগুলো ছেড়ে দিয়েছে। ও সোজা খাবার টেবিলে চলে গেলো। সাথে সোহাও নিচে নেমে এলো।
দুজনে খাবার খেয়ে কোনো কথা ছাড়াই আবার উপরে চলে গেলো।
অধরা রুমে ঢুকতেই দেখলো রুদ্র এসে শুয়ে আছে। অধরা ধীর পায়ে এগিয়ে আসতে আসতে বলল,
“আপনি কখন এলেন?”
“একটু আগে।”
“কিছু বলবেন?”
“উহু, তোকে দেখতে এলাম। আগে তো দিনে ৩০ বার রুমে যেতিস। তোকে রুম থেকে বের করে দিয়ে কি যে ভুল করেছি এখন বুঝতে পারছি।”
“যাক তাহলে বুঝতে পারলেন।”
রুদ্র উঠে বসে বলল,
“তবে চিন্তা নেই। আর মাত্র তিনটা দিন। এরপরে তো বউ করেই রুমে ঢোকাবো। আর এক সপ্তাহের আগে বের করবো না।”
অধরা ফট করে বলল,
“যদি নতুন বউ দেখতে আসে তাহলে?”
রুদ্র ভ্রু কুঁচকে বলল,
“যাহ! তাই বউ দেখাবো নাকি? কাউকে দেখাবো না। আমার বউ মানে আমার বউ। আমি কি লোকের বউ দেখতে গিয়েছি নাকি যে তাঁরা এলে তাদেরকে আমার বউ দেখাবো।”
অধরা ফোঁস করে শ্বাস ছেড়ে বলল,
“ঠিক আছে। আপনার বউ আপনি যেভাবে রেখে খুশি।”
সন্ধ্যার দিকে রুদ্র সোহার রুমে ঢুকলো। রুদ্র এগিয়ে আসতে আসতে বলল,
“কিরে কি করছিস? আদ্র পড়াতে আসেনি?”
সোহা উঠে দাঁড়িয়ে বলল,
“আ আসলে….। ভাইয়া কিছু বলবে?”
“হুমম। আমার সাথে আয়!”
“কোথায়?”
“ফলো মি!”
রুদ্র চলে এলো। পেছন পেছনে সোহাও এলো। রুদ্র সোহাকে নিয়ে ছাদে এলো। সেখানে আদ্রও ছিলো। সোহার মনে কেমন ধুকবুক করছে। রুদ্র এখন আবার ওদের দুজনকে নিয়ে কিছু বলবেই নাকি এই ভেবে সোহা খানিকটা ঘাবড়ে গেলো। রুদ্র সোহার দিকে তাকিয়ে বলল,
“নার্ভাস হচ্ছিস কেনো? তোদেরকে খোঁচা মেরে কথা শোনাতে এখানে ডাকিনি।”
সোহা শ্বাস ছেড়ে বলল,
“তাহলে?”
রুদ্র ওদেরকে চেয়ারে বসতে বলে নিজেও বসে বলল,
“শোন তোদেরকে একটা কাজ করতে হবে।”
আদ্র মাথা নাড়ালো,
“হ্যা বলো।”
রুদ্র আশেপাশে তাকিয়ে অবলীলায় বলল,
“শোন, বিয়ের পরে যখন সব রিচুয়াল শেষ করে সবাই আমাদের বাসর ঘরে পাঠাবে তখন অধরাকে একটা সারপ্রাইস দিবো। এটাতেই তোদের দুজনের হেল্প লাগবে। আর কাউকে জানাতে চাইছি না।”
আদ্র বলল,
“হ্যা বলো। যা হেল্প লাগে আমরা করবো।”
রুদ্র মুখ বাকিয়ে বলল,
“তোরা তো আবার অধরাকে কিচ্ছু বুঝিস না। আবার তো বলে দিবি না?”
সোহা রুদ্রর হাত ধরে বলল,
“তোমাকে ছুঁয়ে বললাম। অধরা আপুকে বলবো না। তুমি বলো!”
পরদিন বিকেলবেলা রুদ্র গাড়ি বেরিয়ে গেলো। বন্ধুদের আনতে গেলো। আর সবাই যে যার কাজে ব্যাস্ত।
রাত ১১ টা….
ড্রইং রুমে বাড়ির বড়রা কথা বলছে। আর সিঁড়ির মাঝে অধরা, ঝিলিক, আদ্র, সোহা, জীবন ওরা বসে আছে, কালকে গায়ে হলুদের প্রিপারেশন নিচ্ছে। আর রুদ্র ওদের বন্ধুদের সাথে বাড়ির বাহিরে আছে। ওরা এতক্ষন এখানেই ছিলো আলোচনা শেষ করে বাহিরে গিয়েছে।
এদিকে রাত অনেক হওয়ায় রুদ্র ওর বন্ধুদের রুমে যেতে বলে বাড়ির ভিতরে চলে এলো। তখনও অধরা, আদ্ররা সিঁড়িতে বসে কথা বলছে। বাড়ির বড়রা শুয়ে পড়েছে। রুদ্র এসে সবার সামনে দাড়িয়ে বলল,
“তোদের চোখে ঘুম নেই।”
ঝিলিক হেসে বলল,
“দুলাভাই আপনার অপেক্ষাই করছিলাম। ভেবেছিলাম আপনাকে একবার দেখে ঘুমাতে যাবো।”
রুদ্র হেসে হেসে বলল,
“নো ওয়ে। আমি মানুষটা বুকিং। তাই কেউ আমার আশায় থাকবেন না। আমি শুধু আমার বউয়ের।”
সবাই টুকটাক হাসি-তামাশা করে যে যার ঘরে চলে এলো। আদ্র সোহার রুমের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ওর রুমে ঢুকলো। সোহা ওয়াশরুমে ছিলো। আদ্র এগিয়ে এসে বলল,
“সোহা একটু কথা আছে।”
সোহা বের হতে হতে আদ্র বেরিয়ে গিয়ে নিজের রুমে এলো। ওর পিছু পিছু এলো ঝিলিক। আদ্র পেছন ফিরে হেসে বলল,
“তুমি কি মনে করে?”
ঝিলিক এগিয়ে এসে আদ্রর দু কাঁধে হাত রেখে রসিকতা সুরে বলল,
“আমার নামে বাড়িতে বলে বেড়িয়েছো যে বিয়ে করবে, ভালোবাসো। তাই আমি আবার কি মনে করে আসবো। হবু স্বামীর ঘরেই এসেছি।”
আদ্র হেসে হেসে বলল,
“তুমি আমায় এভাবে ধরে কি বউছাড়া করার প্ল্যান করছো? সোহা দেখলে বিয়ে করবে না?”
ঝিলিক খিলখিল করে হাসলো। অতঃপর ছেড়ে দিয়ে রসিকতা সুরে বলল,
“সবাইকে বলেছো আমাকে বিয়ে করবে। আর তলে তলে আরেকজন। আর যাই হোক তোমাকে তো আমি বিয়ে করবোই না।”
আদ্র হাসলো। এই সময় রুমে সোহা এলো। আদ্র আর ঝিলিককে হেসে হেসে কথা বলতে দেখে ওর গা পিত্তি জ্বলে উঠল। সাথে সাথে বলল,
“সরি, ভুল টাইমে এসে পড়লাম মনে হয়।”
ঝিলিক হেসে বলল,
“তেমন কিছু না। এসো। আর আদ্র তাহলে গুড্ নাইট।”
“ওকে, গুড্ নাইট।”
ঝিলিক চলে এলো। সোহা বুকে হাত গুজে অন্যদিক ঘুরে বলল,
“কি জন্য ডেকেছো?”
আদ্র এসে রুমের দরজা লাগিয়ে দিলো। সোহা বলল,
“দুজনে হেসে হেসে কি বলছিলে?”
“ও কিছুনা এমনেই।”
সোহা রেগে আদ্রর দিকে এগোতে এগোতে বলল,
“কিছুনা এমনেই তাহলে হাসছিলে কেনো?”
“এমনেই তেমন কোনো টপিক ছিলো না।”
“মিথ্যে বলবে না। সত্যি করে বলো!”
আদ্র সোহাকে ঘাবড়ে দিতে ওকে পাজা কোলে তুলে নিয়ে বিছানায় এনে শুইয়ে দিলো। আর বলল,
“আমাকে নিয়ে এতো সন্দেহ তাহলে চল আজ বাসরটা করেই ফেলি।”
সোহার চোখ বড়বড় হয়ে গেলো। আদ্রর থেকে সরে গিয়ে বলল,
“আমি তো সন্দেহ করিনি?”
আদ্র আবারও ওকে টেনে ওর উপরে শুয়ে বলল,
“উহু, মিথ্যে বলবি না। আজ তোকে ছাড়ছি না। এখন লাইট নিভিয়ে বাসর শুরু করবো।”
সোহা কেঁদে কেঁদে বলল,
“আ আমি সন্দেহ করবো না। ছেড়ে দাও এবারের মতো।”
আদ্র বাকা হেসে বলল,
“ছেড়ে দিবো এক শর্তে।”
“কি?”
আদ্র কাঠ কাঠ গলায় বলল,
“কালকে যেনো বেশি নাচানাচি করতে না দেখি। আর ওই জীবনের আশেপাশেও যেনো না দেখি। যদি দেখি আমার থেকে খারাপ কেউ হবে না।”
সোহা নাক টেনে বলল,
“ঠিক আছে, তুমি যা বলবে তাই হবে।”
চলবে....