ফন্ট সাইজ:
থিম:
তোমায় না চিনেও চেনা

৩২তম পর্ব

লেখক: এইশাত রাদিয়া

গল্প: #তোমায়_না_চিনেও_চেনা

লেখিকা: #সুহাসিনী(এইশাত_রাদিয়া)

#পর্ব :৩১(প্রথম অংশ)

উদয় নেশালো কণ্ঠে বলল,

উদয়:"তাহলে চলো শুরু করি বউ।"

ইরার এবার হুস এলো। আমতা আমতা করে বলল,

ইরা:"ক.... কি শুরু করবো?"

উদয়:"তুই যেনো আর কখনো ডিভোর্স চাইতে না পারিস সেই অবস্থা।"

ইরা:"আমার লাগবে না এরকম ব্যবস্থা। ছাড়ুন আমাকে, দরজা খুলে দিন। বাইরে সবাই অপেক্ষা করছে।"

উদয়:"বাইরের সবার জন্য তোর এতো চিন্তা হচ্ছে আর এইদিকে যে তোর একমাত্র নাদান শিশুর ন্যায় জামাই,বউ এর ভালোবাসার অভাবে কাতরাচ্ছে সে দিকে তোর কোনো খেয়াল নেই।"

ইরা:"আপনি কোন অ্যাঙ্গেল থেকে শিশু শুনি?"

উদয়:"সব দিক দিয়ে, শুধু বউ কে আদর দেওয়ার সময় একটু অভদ্র হয়ে যায়।নয়তো আমি সবসময় ভালো ছেলে ।"

ইরা হালকা বিড়বিড় করে বলল,

ইরা:"সেটা আমি ভালো করেই জানি, আপনি যে কেমন। বুইড়া, খবিশ বেটা একটা ।"

উদয়:"আজ আর একটা বাড়তি কথাও শুনতে চাই না। আজ শুধু ভালোবাসাময় কষ্টের আওয়াজ শুনতে চাই জানপাখি।"

ইরা:"প্লীজ আজকে না, অন্তত বিয়ে পর্যন্ত একটু ওয়েট করুন।"

উদয়:"তোর বিয়ের মাইরে বাপ। আর কতবার বিয়ে করতে হবে? কোথাও শুনেছিস,দুই বার বিয়ে করেও আজ পর্যন্ত বউ ছুঁতে পারেনি "

ইরা কিছু বলতে নিবে ওমনি ইরার দুই ঠোঁট উদয় নিজের দখলে নিয়ে নিলো। এইরকম ছোঁয়ায় ইরার হালকা কেঁপে উঠলো।

উদয় থেকে থেকে ইরার ঠোঁটে হালকা কামড় বসাচ্ছে। ইরা কিছু বলতেও পারছে না আবার উদয়কে সরাতেও পারছে না।

আজকে উদয়কে কেমন যেনো উন্মাদের মতো লাগছে। মনে হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত কিছু পেয়েছে। ইরার দম আটকে আসছে। প্রায় দশ মিনিটের কাছাকাছি হয়ে গেছে ইরার উপর উদয়ের ভালোবাসার অত্যাচারের। ইরার হাসফাঁস করতে লাগলো। এবার উদয় ইরার ঠোঁট ছেড়ে গলায় মুখ ডুবালো। ইরা জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিচ্ছে। ঐদিকে উদয়ের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। সে নিজের কাজে মত্ত।

উদয়ের হাত এক জায়গায় স্থির নেই। ইরার সারা শরীর জুড়ে বিচরণ করছে।উদয়ের এমন নেশালো স্পর্শে ইরা ক্ষণে ক্ষণে কেঁপে উঠছে।

উদয়ের স্পর্শ গভীর থেকে গভীরে যাচ্ছে। থামার কোন নাম নেই । ইরা কোনো এক অজানা কারণে বাঁধা দিতে পারছে না। ইরাও এখন সমান তালে মত্ত হয়েছে এই ভালোবাসার খেলায়। শেষ পর্যন্ত ইরাকেও উদয়ের কাছে হার মানতে হলো। ইরার কাছে রাখা এতো বছরের আমানত আজ উদয় করাই-গন্ডায় হিসাব করে নিচ্ছে। আজকের পর থেকে ইরা কিংবা উদয় কেউই নিজেদের ভার্জিন বলে দাবি করতে পারবে না।

--

রাত তিনটা নাগাদ উদয় ক্লান্ত শরীর নিয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিলো। ইরাকেও নিজের বুকের উপরে শুইয়ে মাথায় হাত বোলাতে লাগলো। ইরা চোখ বন্ধ করে আছে। চোখের কোণে হালকা পানি ডিম লাইটের আলোয় চিক চিক করছে । উদয় ইরার কানের কাছে ফিসফিস করে বললো,

উদয়:"তুমি আমার মৃত্যু চেয়ো, কিন্তু কখনো দূরত্ব চেয়ো না"

ইরাও উদয়কে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো। কান্না জড়ানো কণ্ঠে বলল,

ইরা:"আমাকে কখনো ছেড়ে যাবেন না তো "

উদয়:"মৃত্যুর আগে না জানপাখি"

নীরবতায় ছেয়ে গেলো চারপাশ। বাইরের কি হচ্ছে সেসব বিষয়ে তাঁদের দুজনের কেউ অবগত নাহ্।

কিছুক্ষণ পর উদয় ইরার কপালে শব্দ করে চুমু খেয়ে বলল,

উদয়:"চলো, শাওয়ার নিতে হবে।"

বলেই ইরাকে পাঁজা কোলা করে ওয়াশরুমের দিকে নিয়ে গেলো।

ওয়াশরুমে ঢুকে ইরা বলল,

ইরা:"এখানে তো আমার কোনো জামাকাপড় নেই? কি পড়বো।"

উদয়:"আমার সামনে তোর কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই জানবাচ্ছা।"

ইরা লজ্জায় নেতিয়ে গেলো। কাপা কাপা কণ্ঠে বলল,

ইরা:"আপনার টিশার্ট পরতে পারি। যদিও একটু বড় হবে।"

উদয়:"তবুও ওটাতে তোকে মাখনের মতো লাগে। দেখলেই মনে হয় খেয়ে ফেলি।"

--

চলবে..?

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩২তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন