ফন্ট সাইজ:
থিম:
দূরত্বের প্রণয় ২

১০ম পর্ব

লেখক: স্বর্ণালী ইসলাম

#দূরত্বের_প্রণয়_২

#স্বর্ণালী_ইসলাম

পর্বঃ১০

​বিবিয়ে প্রতিটি নারীর জীবনে এক অনন্য সন্ধিক্ষণ, যা তার সম্পর্ক, অস্তিত্ব আর চেনা জগৎটাকে নিমিষেই বদলে দেয়। একজন মানুষের সাথে সুখ-দুঃখ ভাগ করাই যেন প্রতিটি প্রাণের শেষ গন্তব্য। আয়াশের ফোবিয়ার কথা মাথায় রেখে তাদের পক্ষ থেকে তেমন কোনো ঘটা করা হয়নি। কিন্তু আকাশের মন কি মানে? তার একমাত্র মেয়ের বিয়ে! নিজেদের বিয়ের সময়কার স্মৃতিগুলো এখনো মনে পড়ে, তাশাকে কথা দিয়েও পারিবারিক টানাপোড়েনের কারণে বিশেষ কিছু করা হয়নি। কিন্তু আজ তার আদরের মেয়ে আশা, যে বিয়ের পর পাড়ি জমাবে দূর দেশে। শখ বলে তো একটা কথা আছে! তাই আয়োজন খুব বিরাট না হলেও, নিজেদের ছাদে ছোটখাটো এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আয়াশ আসবে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য। কিন্তু ওই ক’টি মুহূর্তের জন্যই তার জন্য করা হয়েছে একদম আলাদা সব আয়োজন, যাতে তার কোনো অসুবিধা না হয়।

​সন্ধ্যার আমেজ আজ হলুদ হবে আশার। অন্তু মেয়েটা চুপচাপ হলেও প্রতিটি কাজে নিখুঁত,একদম যেন কুহুর প্রতিচ্ছবি। সাজ থেকে শুরু করে ঘরের কাজ পর্যন্ত সবই সে হাতে রাখে। তবে অতিরিক্ত কারো সাথে কথা না বলায় নিজ কক্ষেই সময় কাটে আশার সাথে থেকে। বাড়ি ভর্তি লোক, কাছের লোকজনই বেশি। আশেপাশে আত্মীয় যেহেতু, ঘটা করে আয়োজন হচ্ছে না।

অন্তিকের কানে ফোন, অতি রুক্ষ স্বরে বলছে,

“সৃজন, তোমার থেকে এটা একদম আশার বাইরে, তোমার উচিত ছিল আরও দুই দিন আগে আসা।”

​ওপাশ থেকে ভেসে আসে হাস্যস্বরে সৃজনের কণ্ঠ,

“জেসির কলেজে একটু প্রয়োজন ছিল, আর বছরের এই সময়টা টিকিটের ঝামেলা হয় খুব। কালকে ইনশাআল্লাহ আশুর বিয়ের আগেই চলে আসব।”

​আকাশ, কুহু, তাশা সবাই কাজে ব্যস্ত খুব। আশাকে নিজ হাতেই সাজিয়েছে অন্তিহা। আশার গায়ে জড়ানো সাদা বাহারি শাড়িটিতে রঙিন ফুলের আঁকা, গোলাপি কাজের পাড়, গলায় ও কানে অল্প গহনা। সম্পূর্ণ ঘরোয়া সাজটাই যেন। অল্পতেই বউ মনে হয় আশাকে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আশা, অন্তিহা বাথরুমে রেডি হচ্ছে। দরজায় খটখট শব্দ আসতেই আশা পেছন ফিরে তাকায়, স্বল্প হাসিতে উৎসুকভাব নিয়ে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করে,

“কেমন আছো খালামণি, সায়র মামা?”

​নুসাইবার ঠোঁটে একটু আনন্দের হাসি, এগিয়ে এসে আশাকে টেনে নেয় নিজ বুকে,

“এই তো ভালো আছি, তোকে তো দারুণ লাগছে আশু। আয়াশ আজকেই না নিয়ে যায় সাথে করে?”

​লজ্জিত হলো আশা, কিঞ্চিৎ হেসে মুখ লুকানোর বৃথা চেষ্টা করে। সায়র এগিয়ে এসে কিছুটা সময় কথা বলেই চলে যায় তারা। অন্তিহা বের হয় বাথরুম থেকে, কাঁচা হলুদের একটা কুরতি পরেছে, ওড়নাটা গলা ও বুক জুড়ে ঢাকা। ফুলের গহনা জড়ানো গায়ে। রুমে নুজাইফা প্রবেশ করে সাথে আরও কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব। তবে অন্তিহার মেজাজ বিগড়ে যায় একটি মানবের উপস্থিতিতে। যার মৃদু কম্পিত ঠোঁটজোড়া আর অসম্ভব তৃষ্ণার্ত চোখজোড়া অন্তিহাতেই নির্লজ্জের ন্যায় চেয়ে আছে। আশা একটু হেসে ছেলেটার কাছে যায়,

“কেমন আছো প্রদীপ?”

​প্রদীপের ঠোঁটে হাসি, আশার দিকে একটু তাকিয়ে আবারও বেহায়া চোখ অন্তিহার দিকে চলে যায় তার। ক্ষীণ স্বরে উত্তর করে,

“ঈশ্বরের আশীর্বাদে ভালো আছি।”

​অন্তিহা শরীর ঝাড়া দিয়ে আয়নার দিকে ফিরে গম্ভীর স্বরে বলে,

“প্রশ্ন আশা করেছে, আমি না। নিজের চোখকে নিয়ন্ত্রণ করুন। জাত-ধর্ম বোঝেন তো?”

​“মন যখন কারো মুখ দেখে অহেতুক কম্পনে আলোড়িত হয়, তখন তাকে কোন যুক্তিতে শান্ত করি? তাকে কী করে বোঝাই যে, এই ব্যাকুলতা বিধাতার বিধানে কোনোদিনই সায় পাবে না?”

​“মনকে খিল মারুন, নয়তো সিঁড়ি দিয়ে নেমে সোজা আমাদের বাড়ির মেইন ফটক।”

​প্রদীপও হয়তো অন্তিহার এমন কথায় অভ্যস্ত, তাই তো এবারও হাসল। নুজাইফা গলা খাঁকারি দিয়ে বলে ওঠে,

“অন্তু বাদ দে, চল আয়াশ ভাইয়া এসেছে নিচে।”

​অন্তিহা নিজের গাম্ভীর্য বজায় রেখেই প্রদীপকে পাশ কাটিয়ে চলে যায়। কয়েক বছর ধরেই অন্তিহার জন্য মরিয়া হয়ে আছে ছেলেটা। আশার ক্লাসমেট ছিল। ধর্মের কোঠায় আটকে আছে ছেলেটা। আশার মায়া হয়, এত ভালোবাসার পরেও কেমন শুধু দেখে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। আশা এগিয়ে গিয়ে প্রদীপকে বিছানায় বসিয়ে দেয়,

“বসো এখানে, ওর কথায় কষ্ট নিও না। ছোট থেকেই এমন জানোই তো। তবে তোমার প্রতি ব্যবহারটাও জায়েজ।”

​প্রদীপ হেসে দেয়, আশার দিকে তাকিয়ে প্রশংসা করে,

“তোমাকে অসাধারণ সুন্দর লাগছে আশু। অন্তু সাজিয়েছে তাই না? ও অলরাউন্ডার, কপাল খারাপ বউ বানাতে পারব না।”

​“ওকে দেখলে তোমার রঙ পাল্টে যায়। ও চলে যেতেই দুষ্টুমি শুরু তো?”

​“তোমার সেই রগচটা বোনকে দেখলে, গলায় কাঁটা ফোটে আমার। কিছু বললেই!”

​অতঃপর একটু গম্ভীর হওয়ার ভান করে প্রদীপ,

“সামনেই বাড়ির মেইন ফটক, বের হয়ে যান।”

​আশা আর প্রদীপ হো হো করে হেসে দেয়। নিজ পেটে হাত দিয়ে আশা হাসছে। প্রদীপের অঙ্গভঙ্গি ছিল অন্তিহার নকল। হঠাৎ কানে আসে আবারও পরিচিত কণ্ঠ,

“ফাজলামো শেষ হলে চল আশা, আয়াশ থাকবে না সারারাত।”

​আশা দৃঢ়ভাবে শাড়ি উঁচু করে অন্তিহার দিকে যায়। কয়েকজন মিলেই আশাকে নিয়ে যায় ছাদে। ছাদের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে বরাবর চোখটি যায় আয়াশের দিকে আশার। সে কী চাহনি তার! আশার দিকেই তাকিয়ে আছে। স্বভাবগতভাবেই হাতের সাথে হাত ডলছে। আশাকে ওর পাশে নিয়ে বসিয়ে দেওয়া হয়। আয়াশ ওর দিকে তাকিয়ে বলে,

“সুন্দর লাগছে তোমাকে, একদম পুতুলের মতোই।”

​“আমি কোনো একজনের পুতুলই, বুঝলেন?”

​সবাই খানিকটা সময়ের জন্য তাদের দিকেই তাকিয়ে আছে। তেমন দাওয়াত না দিলেও বিয়ে বাড়ির হলুদ অনুষ্ঠানে লোকের অভাব হয় না। আয়াশের পরনে ধূসর সাদা পাঞ্জাবি, হাতে ঘড়ি, চুলগুলো সেট করা। মুখে অল্প হাসি। আয়াশের সাথে ফিসফিসিয়ে কথা বলার সময় আশার চোখ যায় ছাদের একটি কোণে।

আয়াশের মতোই সাদা পাঞ্জাবি পরনে অহীনের দিকে তবে পরিপাটি নয়, ঘেমে নেয়ে একাকার শরীর। নাহ, ঠোঁটে হাসি নেই, ক্লান্তি। ছেলেটা ঝগড়ুটে হলেও সব দিকে ঠিক নজর রাখে। আশার বিয়ের সব তো বাবা-চাচার সাথে মিলে সে-ও করেছে। ক্যামেরাম্যানের সাথে দাঁড়িয়ে মুখে বিরক্তির রেশ টেনে আয়াশ আশাকে দেখিয়ে কিছু একটা বলছে, হয়তো তাদেরই ছবি সুন্দর তোলার জন্য বলা হচ্ছে।

অহীনের চোখ আশার সাথে মিলতেই দুষ্টু হাসে অহীন। হাতের ইশারায় আশার সম্পূর্ণ শরীর দেখিয়ে মুখভঙ্গি বমির মতো করে বোঝায়, আশাকে সুন্দর লাগছে না একটুও। আশা বিড়বিড় করে বলে ওঠে,

“জাওরা।”

​আয়াশের সাথে আবারও কথা বলতে থাকে সে। একে একে সবাই আসে আশাকে হলুদ দেওয়ার জন্য। তবে আশার জন্য আয়াশের গায়ে হলুদ ছোঁয়ানোর সাধ্য কারো নেই। স্টেজের একটি কোণায় দাঁড়িয়ে আছে অন্তিহা। আশাকে দেখতে কত সুন্দর লাগছে সেটাই দেখছে হয়তো। কানের একদম নিকট কারো ফিসফিস বাতাসের মতো মসৃণ স্বর,

“ইসস, বিয়ে তোমারও করা প্রয়োজন পিচ্চি।”

​হঠাৎ হওয়াতে হকচকিয়ে তাকায় অন্তিহা পেছনে। প্রদীপের কোমল দৃষ্টি দেখে ক্ষেপে যায়,

“সমস্যা কী?”

​“কিছু না।”

​অন্তিহা আবারও চোখ রাখে আশা-আয়াশের দিকে। প্রদীপ ওর পাশেই দাঁড়িয়ে আছে। চুপচাপ ছেলেটা যেন ফ্রিজ হয়ে আছে। অন্তিহা কখনোই কথা বলে না। কোনো গেট-টুগেদারে আশা ইনভাইট করলেই কথা বলা হয়। অন্তিহার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে মেয়েটি নিজ থেকেই জিজ্ঞেস করে,

“আপনি তো বিরিয়ানি খাবেন না।”

​“সমস্যা নেই, আপনাকে দেখে পেট ভরে গিয়েছে। কে জানে খাবার চাইলে বাড়ির মেইন ফটক দেখিয়ে দেবেন আবার।”

​অন্তিহা তীক্ষ্ণ চোখে কিছু বলতে যাবে, তার আগেই স্টেজ থেকে ভেসে আসে নুজাইফার কথা, ঠোঁটে প্রফুল্লচিত্তে হাসি,

“আমরা জানি আমাদের হবু জিজু একটা মিষ্টি রোগে আক্রান্ত। সেটা হলো একমাত্র আমাদের বোন ব্যতীত দুনিয়ার সবকিছুতেই ওনার ওসিডি আছে।”

​নুজাইফার কথায় থমকে যায় আয়াশ ও বাকি সকলে। নুজাইফা আবার বলে,

“এত কিছু দেখে আমাদের কাজ নেই, এখন আমরা চাই হবু জিজু আর আমাদের বোনের একটা ডান্স পারফরম্যান্স।”

​আশা নিষেধ করলেও নুজাইফার কানে যেন গেল না একটি কথাও। আশার হাত ধরে স্টেজে দাঁড়িয়ে করিয়ে দেয়। আয়াশের হাত ধরতে নিলে আয়াশ হাত সরিয়ে নেয় আলতো করে,

“আমার দ্বারা এসব হবে না।”

​অহীন স্টেজের নিচ থেকে বলে,

“হবে কেমন করে? হাত থেকে স্যানিটাইজারই সরে না। আশু, এ কোন আনরোমান্টিকের পাল্লায় পড়লি?”

​অহীনের কথায় তেমন গুরুত্ব দিল না কেউ। তবে অহীন তো নিজেই গিয়ে অন্তিহার হাত ধরে টেনে স্টেজে নিয়ে আসে,

“চল আমরা নাচি, বোনের বিয়েতে না নাচলে আমরা কেমন কাজিন হলাম?”

​অন্তিহা একটু অবাক হলো, অহীন তার সাথে তেমন কথা বলে না। কিন্তু আজ বলছে তাই আর না করল না। অহীনের সাথে স্টেজে উঠে পড়ে। চারপাশে শোরগোল মেতেছে তাদের দেখে। সাউন্ড বক্সে গানের সুর উঠতেই অন্তিহা চেঁচিয়ে ওঠে,

“ছিহহহ! এই গানে আপনার সাথে? লজ্জা করুন, আপনি আমার ভাই।”

​অহীন তাকে গুরুত্ব না দিয়ে বলে,

“সো? ইট’স নরমাল, আমরা ভাই-বোন। আমরা বাইরের কারো সাথে করছি না।”

​বলেই অন্তিহার হাত ধরে টান দিয়ে নিজের কাছে নিয়ে আসে। প্রথম হয়তো অহীনের সাথে হাসল অন্তিহা। গানের তালে দুজনই নাচছে,

“ ও মনের ফোনে

কানেকশনটাই হিজিবিজি

এসে টপ-আপ মেরে দেখে যা রে দে 3G

মনের ফোনে কানেকশনটাই হিজিবিজি

এসে টপ-আপ মেরে দেখে যা রে দে 3G”

​অন্তু আশাকে টেনে নিয়ে আসে নিজের সাথে। আয়াশের দিকে তাকায় আশা, আয়াশ কি না করবে? সে উত্তর করল না, আশাকে নিয়ে যায়। গান বাজছে,

“৪২০ তুই ভাবিস

হিরো তুই হাইফাই

মনের মেহফিলে এক ঢিলে

দুটো পাখি চাই।”

​তবে অহীনের আশার হাত ধরাটা হয়তো আয়াশের ভালো লাগল না এই পর্যায়ে, তাই তো পাশে থাকা গ্লাভস পরে টান দিয়ে আবারও নিজের কাছে নিয়ে আসে। ঘটনা আচম্বিত, আশা মুখ থুবড়ে আয়াশের বুকে পড়ে। একটা মুহূর্তের জন্য অহীন থামে। আশার কবজি ধরে আছে আয়াশ, ফোঁস করে বলে ওঠে,

“স্টপ, আর না। ক্লান্ত লাগছে, ঘুমাব আমি। এসব শেষ করো সবাই তাড়াতাড়ি।”

​অহীন চলে যেতে নিলে অন্তিহা প্রশ্ন করে,

“হঠাৎ কী হলো আপনার?”

​“জানি না, ঘুমাব আমি। তুই প্লিজ এগুলো থামা। আর যেন কানে গান না কারো শব্দ না পাই আমি।”

​উপস্থিত সবাই চুপ করে চেয়ে আছে, গান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আয়াশের অহীনের দিকে চোখ নেই, তার চোখ আশার দিকে। ধাক্কার ফলে সাজ এলোমেলো হয়ে আছে। সে অস্ফুট স্বরে বলে,

“আমি অনেক হেজিটেটেড লাগছে, এগুলো থামানো যাক? চলো আমরা একটু কথা বলি?”

​আশা মাথা নেড়ে হ্যাঁ বোঝায়। আয়াশ হাত ছাড়তেই একটু সরে দাঁড়াতে গিয়ে নিচে টি-টেবিলের সাথে ধাক্কা খায় সে। ফলে টেবিলে থাকা কেকটা আশার শাড়িতে লেগে নিচের অংশ পুরো নোংরা হয়ে যায়। আয়াশ আশার হাত ধরে টান দিয়ে তাকে তো বাঁচাল কিন্তু শাড়িটা ততক্ষণে মাখামাখি হয়ে গিয়েছে। আয়াশ ওই দিকে তাকিয়ে আশার দিকে তাকায়। অন্তিহা কাছে আসে। আয়াশ নরম স্বরে বলে,

“ঠিক আছো? লেগেছে কোথাও?”

​আশা মাথা দুলিয়ে সম্মতি দেয়। অন্তিহা আশাকে নিয়ে স্থান ত্যাগ করে। আয়াশ পেছন থেকে চেয়ে আছে, হয়তো কিছু ভাবছে গভীরভাবে। আশার চালচলন, কথাগুলো অসম্ভব সুন্দর। আশা কি ওর সাথে মানিয়ে নিতে পারবে? কালকেই তো বিয়ে, আর একটি বার আশার সাথে কথা বলা উচিত নয় কি তার? সিঁড়ি দিয়ে নেমে আশাকে কুহুর রুমের কাছে নিয়ে যায়। ওখানে আশাকে নিয়ে প্রবেশ করতেই যাবে, পেছন থেকে পুরুষালি কণ্ঠ ভেসে আসে,

“এই যে রগচটা পিচ্চি।”

​অন্তিহা পেছন ফিরে তাকায়। প্রদীপের দিকে তাকিয়ে দেখে একটু নরম মুখে চেয়ে আছে। বুঝল কিছু খায়নি; অতিথি সবাই খাওয়া শেষ, ছেলেটা খেল না। আশাকে একটা জামা দিয়ে বলল অন্তিহা,

“তোর রুমে মেহমান, এখানে চেঞ্জ করে নে। আমি আসছি।”

​অতঃপর প্রদীপের দিকে তাকিয়ে বলে,

“চলুন।”

​ছেলেটা মৃদু হেসে অন্তিহার পিছু নেয়।

চলবে,,,

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১০ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন