#ছায়াবৃত_রোদ্দুর
#আয়রা_ইবনাত
১০.
জানালার ফাঁক দিয়ে গলে পড়া চাঁদের আলো এসে পড়ছে ইরার মুখে, তার চুলে ছিটিয়ে দিয়েছে রূপালি ঝিলিক, ঠোঁটে নেমেছে নিঃশব্দ মায়া। ঠোঁটের নিচে তিল যেন আকাশে জ্বলজ্বলে চাঁদের পাশে এক ভাসমান তারা, যার টানে চোখ ফেরানো দায়। সে যেন নিঃশব্দে কাছে টানছে তাকে, ইলহামের নিঃশ্বাস ঘন হয়, তার নিশ্বাসের প্রখরতা ঠাহর করতে পারে ইরা। এতোক্ষনে সে বুঝে গেছে এটা ইলহাম ছাড়া কেউ নয়। বৈদ্যুতিক পাখার বাতাসে খোলা চুলগুলো এলোমেলো ভাবে স্পর্শ করছে তার মুখশ্রী। বিরক্ত হলো ইরা, কিন্তু ইলহামকে হাতে নাতে ধরার জন্য ঘাপটি মেরে পড়ে রইলো। বিরক্তিতে তার কুচকানো কপাল দেখে হাসল ইলহাম, আলতো হাতে সড়িয়ে দিলো মুখের উপর পড়ে থাকা চুল। মৃদু কেপে উঠলো ইরা, তার কম্পমান ঠোঁটের পানে দৃষ্টি পড়তে ঘোর লাগলো ইলহামের। পূর্বের তুলনায় খানিকটা ঝুকে স্পর্শ করবে তার ঠোঁট তৎক্ষনাত ব্যাথায় কুচকে গেল মুখশ্রী। ইরা হাতের মুঠোয় চেপে আছে তার মাথার চুল। তার মুখের উপর নিশ্বাসের প্রখরতা যখন বাড়লো সে বুঝতে পারলো ইলহামের পরবর্তী পদক্ষেপ। নিঃশব্দে পাপড়ির মতো চোখ মেলে তাকায় সামনে।
চোখদুটো এখন আর নিস্তব্ধ নয়, তাতে যেন আগুন জ্বলে উঠেছে।
বন্ধ চোখের কোমলতা ভেদ করে রাগের এক তীব্র স্ফুলিঙ্গ ঝলসে উঠেছে তার দৃষ্টিতে। থমকালো ইলহাম, এভাবে হাতে নাতে ধরা পড়বে ভাবেনি। চুলের ভাজে থাকা মুষ্টিবদ্ধ হাত প্রবল ধাক্কায় উন্মুক্ত করলো সে, যেন কোনো ঘৃন্য বস্তু ছুড়ে ফেলেছে, ইলহামের মাথা হেলে পড়লো একপাশে। চুলের টানে মাথা ব্যাথায় টনটন করছে, চোখ বন্ধ করে দুপাশে ঘাড় নাড়িয়ে সোজা হয়ে বসে নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করলো ইলহাম। রাগে ফুস ফুস করছে ইরা। ভাবলেশহীন ইলহাম প্রশ্ন করলো
"সমস্যা কি? এতো জোড়ে জোড়ে নিশ্বাস নিলে নাক উড়ে যাবে তো"
"জাস্ট শাট ইউর ফা*কিং মাউথ"
"ওকে"
"আমার রুমে কি করছিস তুই?"
না জানার ভাব করে চারপাশে তাকালো ইলহাম
"ওমা এটা তোমার রুম? আমি এখানে কি করে এলাম?"
"নাটক করছিস? কানের নিচে একটা দিবো সব মনে পড়ে যাবে"
"তেমন কিছু না মুনলাইট আসলে আমার ঘুমের মধ্যে হাটার অভ্যাস আছে, হাটতে হাটতে তোমার এখানে চলে এসেছি হয়তো"
মেকি হাসল সে, এমন ভাব করলো যেন সত্যিই জানে না এখানে কি করে এলো। তীর্যক চোখে তাকালো ইরা, সে জানতো ইলহাম ভন্ডামিতে সেরা কিন্তু এখন দেখছে মিথ্যা বলাতে নোবেলপ্রাপ্ত।
"আপনি একটা অসহ্য, বেরিয়ে যান এক্ষুনি"
"যাবো তো, এতো কষ্ট করে এলাম শুকনো মুখে চলে যাবো?"
ভ্রদ্বয় কুঞ্চিত করে তাকিয়ে আছে ইরা, তার কথার ইঙ্গিত ধরতে পারলো সে। নিচু হয়ে কানের কাছে ফিসফিস করলো ইলহাম
"ওই টেস্ট এখনো ঠোঁটে লেগে আছে মুনলাইট, আবার খেতে ইচ্ছে করছে"
রাগে ক্ষোভে তার ইচ্ছে হলো ইলহামকে মাথায় তুলে আছাড় দিতে। দাতে দাত পিষে নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করলো সে। গালের ভেতর জ্বিভ ঠেলে হেসে কন্ঠ খাদে নামিয়ে বলল
"একটা কথা কি জানেন তো? পীপিলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে"
"উহুম, জামাইয়ের প্রেম জাগে বউয়ের তরে।
জামাই তো ফিদা শুনে, বউয়ের তেজি ভাষা।
আহ, কি দারুন বউ আমার রসে টসটসা“
"ছিঃ অশ্লীল পুরুষ"
ইরার মখনিঃসৃত বাক্য শুনে শব্দ করে হেসে উঠলো ইলহাম। হাসির সাথে দুলছে তার কায়া, বাতাসের ঝাপটায় উড়ছে কপাল ছুঁই ছুঁই চুল। না চাইতেও অপলক চেয়ে থাকে ইরা, সৌন্দর্যের দিক থেকে ছেলেটা তাকে হার মানাবে এটা সুনিশ্চিত। তার বাদামি চোখ দুটো খুব ভালো লাগে ইরার, যত বার দেখা হয় না চাইতেও ওই চোখের পানে একবার তাকায় সে। এমন সুন্দর বুঝি কোনো পুরুষ হয়? কই সে তো মেয়ে হয়েও এতো সুন্দর হতে পারেনি। ইরা যখন বেখেয়ালি ভাবে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ইলহামের পানে ইলহাম তখন হেচকা টানে আচড়ে ফেলল তাকে বুকে। হুশে ফিরতেই মুচড়ে উঠলো ইরা, কিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে নিয়ে বিছানায় ঝাপিয়ে পড়লো ।দুহাত মাথার উপর ধরে রেখেছে ইলহাম। পা দ্বারা যেন আঘাত করতে না পারে তাই চেপে ধরেছে বিছানায়। ইরার গায়ের উপর তার সম্পূর্ণ ভর, অবিরত মুচড়ে যাচ্ছে সে। এতো বল প্রয়োগ করে চেপে রেখেছে যে সে নড়তেই পারছে না। তবুও থামার নাম নেই, বিরক্তিতে ধমকে উঠলো ইলহাম
"আর একবার যদি নড়েছো তাহলে কিন্তু ছাড়ছি না আজ"
থেমে গেলো ইরা, মনে হলো নিশ্বাস বন্ধ করে পড়ে আছে। না জানি নিশ্বাস ফেলতে যদি বুক নড়ে আজ আর ছাড়া না পায়? নিশ্বাস ছাড়বে না, যদি চেতনা হারায় তবে এটাই হবে তার জন্য উত্তম সুযোগ। ধমকে উঠলো ইলহাম
"নিশ্বাস ছাড়ছো না কেন? এই মেয়ে নিশ্বাস ছাড়ো। ভালো হবেনা কিন্তু"
তার হুমকিতে কোনো পরিবর্তন দেখা গেলো না ইরার মধ্যে। সে পূর্বের ন্যায় এখনও নিশ্বাস বন্ধ করে পড়ে আছে আর কালবিলম্ব করলোনা ইলহাম চার ঠোঁট মিলিয়ে দিলো চোখের পলকে। ভেসে এলো ইরার অস্পষ্ট আওয়াজ সে মুচড়া মুচড়ি করছে, তাকে শান্ত করতে দাত দিয়ে ঠোঁট চেপে ধরলো ইলহাম। ব্যাথায় চোখ মুখ কুঁচকে নিলো ইরা, বন্ধ চোখের পল্লব ভিজে এলো তার। শান্ত হওয়ার বদলে তার ছটফট আরও বেড়ে গেলো। তবুও ছাড়লো না ইলহাম, প্রায় পাঁচ ছয় মিনিটের মতো চেপে রেখেছিল ওষ্টজোড়া। ছেড়ে দিতেই নিশ্বাস টানলো ইরা, চোখ দুটো স্বাভাবিকের তুলনায় বড় হয়ে আছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে নিশ্বাস আটকে থাকায় কষ্ট হচ্ছিলো তার। তার অস্বাভাবিক মুখশ্রী পরখ করে আলতো স্পর্শে ঠোঁটে চুমু খেলো ইলহাম। একহাতে এলোমেলো চুল গুছিয়ে দিয়ে নরম স্বরে বলল
"এতো অবাধ্য কেন তুমি? যেভাবেই হোক বিয়েটা হয়ে গেছে। কেন মেনে নিচ্ছো না আমায়? আমি কি এতোই খারাপ? একটু ভালোবাসা যায় না আমায়?"
শান্ত হয়ে পড়ে রইলো সে, কোনো প্রতিত্তুর করলো না। নিজের মনকে নিজেই প্রশ্ন করলো আসলেই কি ভালোবাসা বলতে কিছু আছে? তার নিরবতা পীড়া দিলো ইলহামকে, সে প্রসঙ্গ পরিবর্তন করলো
"পিল নিয়েছো?"
কোনো জবাব আসলো না ইরার থেকে, সে নিশ্চুপ হয়ে পড়ে আছে। পুনরায় ডাকলো ইলহাম
"মুনলাইট তাকাও আমার দিকে"
নিজের অবস্থানে অটল রইলো সে, হতাশ হলো ইলহাম। তাকে ছেড়ে উঠতে যাবে তখন অপ্রত্যাশিত আক্রমণ করলো ইরা। সামলে নিলো ইলহাম পুনরায় চেপে ধরলো তার হাত, তাচ্ছিল্য করে হেসে বলল
"মনে হয় রোমান্স করতে না রেস্টলিং খেলতে এসেছি"
একটু থেমে পুনরায় বলল
"শুনো বউ, লড়তে শিখেছো নিজেকে সেইফ করার জন্য জামাইকে মারার জন্য না"
"নিজেকে সেইফ করার জন্যই লড়ছি"
"জামাই হই তোমার, তিন কবুল করে বিয়ে করেছি। তোমাকে ছোয়ার অধিকার তুমিই দিয়েছো। হোক ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়। আমি পরপুরুষ নই যে আমার থেকে নিজেকে সেইফ করবে"
"আই ওয়ান্ট ডিভোর্স"
মুহুর্তেই চেহারার রঙ বদলে গেলো তার, হিংস্র পশুর ন্যায় জ্বলে উঠলো সে। শক্ত হাতে চেপে ধরলো তার চোয়াল। ব্যাথায় খেকিয়ে উঠলো ইরা। দাতে দাত পিষে হিসহিসিয়ে বলল ইলহাম
"জান খেয়ে ফেলবো তোর, একবার বলেছি না? এ দেহে প্রাণ থাকতে ছাড়ছি না তোকে। আর যদি শুনেছি এই কথা মেরে ফেলবো জাস্ট"
ব্যাথায় নীল হয়ে যাওয়া মুখ খোলে অস্পষ্ট স্বরে কিছু বলতে চাইলো ইরা। চোয়াল ছেড়ে তার ঠোঁটের উপর আঙুল রেখে ফিসফিস করে বলল ইলহাম
"হুশশশ..কোনো কথা না, বাধ্য করবে না আমায়। তারপর যা হবে তার জন্য তুমি প্রস্তুত নয়"
"আ.."
"উহুম, কোনো কথা না ঘুমাও। আসছি আমি"
কপালে ভালোবাসার পরশ দিয়ে তাকে মুক্ত করে চলে গেলো ইলহাম। নিস্তেজ হয়ে বিছানায় পড়ে রইলো ইরা। তার খুব জানতে ইচ্ছে হয় ভালোবাসা কেমন? বন্ধ চোখের পর্দায় ভেসে উঠলো ইলহামের চেহারা ছেলেটা কি সত্যিই ভালোবাসে তাকে? ভালোবাসা বলতে আদৌ কিছু আছে? কোথায় তার মায়ের তো দীর্ঘ নয় বছরের সংসার ছিল তবু কি আটকে রাখতে পেরেছিলো প্রিয় মানুষটাকে?
রাতের গভীরতা বেড়ে চলেছে, নিস্তব্ধ রাতের নির্জনতা বেদ করে থেকে থেকে ভেসে আসছে নিশাচর পাখিদের কলতান। রাত জাগা কুকুরের ঘেউ ঘেউ, ইরার চোখে ঘুম নেই। দুচোখ নিবদ্ধ সিলিংয়ের পানে। হঠাৎ বেজে উঠলো কলিংবেল, অবাক হলো ইরা এতো রাতে কে আসবে? আলো জ্বেলে ঘড়িতে সময় দেখলো। দুইটা বেজে তিন মিনিট, তার রুম থেকে বেরিয়ে দরজার কাছে যেতে যেতে আরও দুইবার বাজলো কলিংবেল মনে হচ্ছে অপর পাশের ব্যাক্তি খুব ধৈর্যহীন। লুকিং গ্লাসে চোখ রাখলো ইরা, অল্প বয়সী দুজন ছেলে মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এতো রাতে কোনো বিপদে পড়লো না তো! দরজা খোলে দিলো সে। চেচিয়ে উঠলো দুজন
"হ্যাপি বার্থডে ভাইয়া"
কোনো মেয়েলি অবয়ব চক্ষু দর্শন হতেই অবাক হলো দুজন। একে অপরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করে প্রশ্ন করলো ইরহাম
"এটা ইলহাম ফারুকির বাসা?"
"জ্বি"
"তাহলে আপনি কে?"
"তোদের ভাবি"
ইলহাম এসে দাড়িয়েছে ইরার পেছনে। ভূত দেখার মতো চমকে উঠলো দুজন অতি আশ্চর্যে চেচিয়ে উঠলো
"হোয়াট?"
"তোরা এতো রাতে এখানে কি করছিস?"
"আমরা তো তোমাকে সারপ্রাইজ দিতে এসেছিলাম"
"ভেতরে আয়"
"ভাইয়া তুমি মজা করছো? তুমি বিয়ে কখন করলে? আমাদের না জানিয়ে বিয়ে করে নিলে?"
"বিয়েটা এক্সিডেন্টলি হয়ে গেছে তোদের বলার সময় পাইনি।"
"হোয়াট আ সারপ্রাইজ ভাইয়া?"
ইনায়া ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরলো ইরাকে। খুশিতে গদোগদো হয়ে বলল
"ইয়ে ভাবি, তোমাকে আমার অনেক পছন্দ হয়েছে"
মৃদু হেসে তাকে একহাতে জড়িয়ে নিলো ইরা। মলিন হেসে তাদের পরিচয় দিলো ইলহাম
"আমার ভাই বোন"
তাকে সালাম দিলো ইরহাম। হাসি মুখে সালামের উত্তর নিলো ইরা। খুবই আন্তরিক ভাবে তাদের সাথে কোশল বিনিময় করলো। ইনায়া ছুটে গেলো ভাইয়ের দিকে দুহাতে জড়িয়ে ধরলো তাকে
"হ্যাপি বার্থডে ভাইয়া"
"হ্যাপি বার্থডে ভাইয়া, কি চমক দেখাইলা! সারপ্রাইজ দিতে এসে নিজেরাই সারপ্রাইজড"
"এতো রাতে ইনুকে নিয়ে তুই কোন সাহসে এখানে এসেছিস? আমাকে জানানোর প্রয়োজন বোধ করিসনি? যদি কোনো বিপদ হতো?"
"আরে ভাইয়া আগে বলে দিলে কি সারপ্রাইজ থাকতো? আর এখন এসেছিলাম নাকি? দুই ঘন্টা তো জ্যামে বসেছিলাম তারপর তোমার বাসা খোঁজে পেতে আরও কত ঝামেলা। বিয়ে করলা নতুন বাসা নিলা কিছুই বললা না।"
"বিয়ে করেছি দুদিন হলো আর বাসা তো আজ নিলাম। তোরা আসবি জানি নাকি"
"উফ ভাইয়া! এখানে এতো জ্যাম বাবারে বাবা আমার এতো বোরিং লাগছিলো ভুল করেছি ফ্লাইটে না এসে"
ইনায়ার কথায় হাসল ইলহাম, তার ধৈর্যহীন বোনটা দুই ঘন্টা জ্যামে বসেছিলো এটা তো রাজ্য জয় করার সমান। এতোক্ষন পাশে দাঁড়িয়ে তাদের কথা শুনছিলো ইরা, এবার পাশ কাটিয়ে চলে যাবে তখন বলে উঠলো ইনায়া
"ভাবি তুমি জানো আজ ভাইয়ার বার্থডে?"
অকপটে জবাব দিলো সে
"না"
"ওহ শিট একটা দিন পর বিয়ে হলে ভাইয়ের বার্থডের দিন বিয়ে হতো ইশ কি মিস করলে ভাইয়া"
ইরহামের কথায় হাসল ইলহাম। মুখ আমটে দাঁড়িয়ে রইলো ইরা। ইলহাম তাড়া দিলো তাদের
"তোরা ফ্রেশ হয়ে আয় আমি খাবার গরম করছি আর ইরা তুমি ঘুমিয়ে পড়ো"
কোনো বাক্য ব্যয় ব্যাতিত নিজের কক্ষের দিকে অগ্রসর হলো ইরা। ইরহাম, ইনায়া দুজন জানালো বারোটার পর একটি রেস্টুরেন্টে খেয়ে নিয়েছে তারা। ইলহাম রুম দেখালো তাদের, অবশিষ্ট ফাঁকা দুই রুম ভাইবোনদের দেখিয়ে দিলো। তারা নিজ কক্ষে অবস্থান করার পর নিজের রুমের দিকে অগ্রসর হলো ইলহাম, এখন যদি ভাইবোনেরা দেখে যে সে বউ রেখে আলাদা থাকছে তবে সন্দেহ করবে। পরবর্তীতে সবকিছু খোলে বলার পর নাহয় কোনো দ্বিধা থাকবে না।
#চলিত