ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রেম আমার (সিজন ১)

৩০তম পর্ব

লেখক: আয়ানা জাহান নুসরাত

#প্রেম_আমার♥

#পার্ট-৩০♥

#Ayanaa_Jahan(Nusraat)♥

.

🌺

.

গালে হাত দিয়ে ছলছল চোখে চেয়ে রয়েছে রাত্রি। তার ঠিক সামনে হাতের মুঠো শক্ত করে ধরে জোড়ে জোড়ে নিঃশ্বাস নিয়ে চলেছে রুশো। রক্তরাঙা চোখে রাত্রির দিকে তাকিয়ে আছে সে। থরথর কাঁপছে রুশোর গোলাপি আভায় মোড়ানো ঠোঁটজোড়া। গায়ের ফর্সা রং পাল্টে লালচে বর্ণ ধারণ করেছে। দুপাশের চুলের চিপ বেয়ে ঘাম গড়িয়ে পড়ছে।

রোড সাইডের সোডিয়াম বাল্বের আলোয় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে রুশোর এমন ভয়ানক রূপ।

.

রাত্রি রুশোর এমন রূপের সাথে পূর্ব পরিচিত নয়। সে তো সব সময় দাঁত কেলিয়ে থাকা হাস্যজ্বল রুশোকে চেনে। কখনো কোনো পরিস্থিতিতেই রাগতে দেখি নি রুশোকে সে। যেখানে প্রচন্ড রেগে দু-চারটে থাপ্পড়ও খেয়ে ফেলার কথা ছিলো, সেখানেও খুবই ঠান্ডা মেজাজে আবিষ্কার করেছে সে রুশোকে। রুশোর এরকম ভয়ানক চাহনী দেখে রাত্রি শুধু ভয়ই পাচ্ছে না সাথে চরম অবাকও সে। কিন্তু এখন এসবে পাত্তা না দিয়ে রাত্রি হুট করেই রেগে গেলো৷ তার প্রশ্ন,"কেনো রুশো তাকে সরিয়ে আনলো!"

.

-- আপনি আমাকে সরিয়ে আনলেন কেনো ওখান থেকে? হ্যা? (অনেকটা জোড়েই বললো রাত্রি)

.

রুশো নিজেকে শান্ত করবার যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কিন্তু কিছুতেই পারছে না সে। কি করেই বা পারবে? রাত্রিকে ওভাবে মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে কি অনুভূতি হয়েছিলো সে তো শুধু সেই জানে। রুশোর মনে হচ্ছিলো এই বুঝি তার নিজের প্রাণ বেড়িয়ে যাচ্ছে। প্রাণ বাজি রেখে ছুটে এসে রাত্রিকে বাঁচিয়েছে সে। যদি আর কয়েক সেকেন্ড দেড়ি হতো তখন কি হতো? ভেবেই বারবার মোচড় দিয়ে উঠছে রুশোর হৃদপিন্ড।

রুশোর রাগ জিনিসটা বরাবরই কম। সহজে রাগবার পাত্র নয় সে। তবে বিশেষ কোনো কারণে যদি একবার তার রাগ উঠে যায় তবে তা থামানো খুবই কষ্টসাধ্য। এখনও ঠিক তাই।

রাত্রি রুশোর কোনো জবাব না পেয়ে আবারও চেঁচিয়ে উঠলো,

.

-- কি হলো বলুন! কেনো সরিয়ে নিয়ে এলেন আমায়? মরে যেতাম আমি। এই পৃথিবী থেকে চিরতরে মুক্তি পেয়ে যেতাম। আমি মরতে চাই.....

.

আর কিছু বলা হয়ে উঠলো না রাত্রির। তার আগেই আবারও রুশোর হাতের ৫ আঙুল গিয়ে পড়লো তার অপর গালে।

.

-- সাহস কি করে হয় তোমার? খুব মরার শখ না? কিন্তু তোমার সেই ইচ্ছেটা আমি বেঁচে থাকতে পূরণ হবে না। গট ইট? (চেঁচিয়ে)

.

রুশোর চিৎকারে কেঁপে উঠে রাত্রি। সাথে আকাশের বুক চিরে নামতে থাকে ঝুম বৃষ্টি। আজ আকাশে মেঘ করছিলো অনেকক্ষণ ধরেই।

বৃষ্টির পানিতে ভিজে যেতে থাকে রুশো আর রাত্রি। তারা দুজনেই নিরদ্বিধায় গায়ে মাখতে থাকে বৃষ্টি কণা গুলো। রাত্রি নিশ্চুপ থেকে যায় এবার। শুধু চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়তে থাকে নোনাজল যা বৃষ্টির সাথে মিশে একাকার হয়ে গড়িয়ে পড়ছে তার গাল বেয়ে।

.

রুশো কিছুক্ষণ আবারও চুপ থেকে রাগটাকে দমিয়ে নিয়ে রাত্রির গালে আলতো করে হাত রেখে বলতে থাকে,

-- খুব লেগেছে না? আই এম সরি রাত্রি। একচুয়ালি আমি নিজের রাগটাকে কন্ট্রোল করতে পারিনি। আমি তোমাকে হার্ট করতে চাইনি ট্রাস্ট মি। প্লিজ তুমি আর মরার কথা বলবানা। আমার সহ্য হয় না।

.

রুশো রাত্রিকে নাম ধরে ডাকায় কিছুটা অবাক হয় রাত্রি। কিন্তু পর মুহূর্তে আবারও রেগে যায়। ঝাঁঝালো

কন্ঠে বলে ওঠে,

.

-- আমি মরলে আপনার কি হ্যা? বাঁচতে চাইনা আমি! অগ্নি ভাইয়াকে ভালোবাসি আমি। উনাকে না পেলে আমি বেঁচে থেকে কি করবো?

.

রুশোর বুকটা আবারও ছ্যাঁত করে ওঠে। এতো চেষ্টা করে নিজের রাগ থামালো কিন্তু আবারও রাত্রি তার দমিয়ে থাকা রাগটাকে টেনে বের করে আনলো।

রুশো রাত্রির দুবাহু শক্ত করে চেপে ধরে চিৎকার করে বলে উঠলো,

.

-- আমার কি মানে? আমার অনেক কিছু! আর তুমি শুধু অগ্নি ব্রো কেই ভালোবাসো? নিজের পরিবারকে ভালোবাসো না? নিজের মা-বাবা, ভাই-বোন এদের কারোর কোনো ভ্যালিউ নেই তোমার কাছে? যারা ১৯ টা বছর নিঃস্বার্থ ভাবে তোমার দেখভাল করে আসলো, তোমাকে ভালোবেসে আসলো তাদের প্রতি কোনো ভালোবাসা নেই তোমার? আজ যদি কিছু হয়ে যেতো তুমি তো নিশ্চিন্তে মরে যেতে, তোমার পরিবারের ওপর দিয়ে কি যেতো কোনো ধারণা আছে তোমার? মুসলমান হয়ে আত্মহত্যার মতো জঘন্য পথ বেছে নাও কিভাবে তুমি? কি ভেবেছো, মরে গেলে সব ল্যাঠা চুকে যাবে? পরকালে শান্তিতে থাকবে তুমি? নেভার!

এখন কি কষ্ট পাচ্ছো তার থেকে হাজার গুণ কষ্ট পেতে হবে তোমাকে।

.

বলেই রাত্রিকে ছেড়ে দিয়ে উল্টো দিকে মুখ ফিরিয়ে জোড়ে জোড়ে শ্বাস নিতে থাকে রুশো। রুশোর ইচ্ছে করছে চিৎকার করে কান্না করতে। কিন্তু সে তো নিরুপায়। ছেলেদের যে হাজার কষ্টতেও চোখের জল ফেলা মানায় না। বিশেষ করে রুশোর মতো একজন হেসে খেলে বেড়ানো মানুষকে তো কোনোভাবেই না।

তাই সে মুখ ফিরিয়ে কষ্টগুলো গোপন করবার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে।

এদিকে রাত্রির মনে রুশোর বলা প্রত্যেকটা কথা প্রতিধ্বনির মতো বাজতে থাকে। রুশোর বলা প্রত্যেকটা কথা সত্য, যুক্তিসঙ্গত! সে তো এসব আগে ভাবে নি। শুধু অগ্নির কথাই ভেবে গেছে সে। অজান্তেই রুশোর বলা প্রতিটা কথা রাত্রিকে শক্ত হতে সাহায্য করতে থাকে। রাত্রি কিছুক্ষণ চুপ থেকে একটা দীর্ঘঃশ্বাস টেনে রুশোকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠে,

.

-- ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া!

.

রুশো এতোক্ষণ উল্টোদিকে ঘুরে চোখ বন্ধ করে ছিলো। রাত্রির কথা কানে পৌঁছানো মাত্রই চট করে ঘরে দাঁড়ায় সে। খুশিতে চোখ চিকচিক করছে রুশোর। রুশো চায় রাত্রি শক্ত হোক। বাস্তবতা বুঝুক। রুশো রাত্রিকে ভালোবাসলেও, কষ্ট পেলেও চায় শুধু রাত্রি ভালো থাকুক। ভালোবাসলেই যে ভালোবাসার মানুষটিকেও পেতে হবে এর তো কোনো মানে নেই। দূর থেকেও তো ভালোবাসা যায়।

ভালোবাসার মানুষটির পাশে থাকতে পারাটাই তো রুশোর কাছে অনেক। এর থেকে বেশি আর কিছু চায় না সে। কিচ্ছুটি না!

.

-- রাত্রি তুমি যেহেতু অগ্নি ব্রো কে লাভ করো, সো এটা অবশ্যই চাইবে সে ভালো থাকুক! নয় কি? (শান্ত গলায়)

.

রাত্রি রুশোর প্রশ্নে মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানালো।

রাত্রির উত্তর পেয়ে রুশোর মুখে হাসি ফুটে উঠলো। রুশো আবারও বলতে শুরু করলো,

-- তবে তুমি এটা নিশ্চয় জানো, অগ্নি ব্রো আর নিত্য একে অপরকে ভালোবাসে। সেই হিসেবে তোমার খুশি হওয়া উচিৎ। ভালোবাসার মানুষটা যা চায় তা পেলে খুশি হওয়াটাই স্বাভাবিক।

.

রুশোর কথায় মুখে হাসি ফুটে উঠলো রাত্রির। একটা দীর্ঘঃশ্বাস ফেলে রাত্রি বলে উঠলো,

-- আপনি ঠিক বলেছেন ভাইয়া। আমি আসলে তখন নিজের সেন্সে ছিলাম না। ব্রেইন কাজ করছিলো না। সব কিছু কেমন ধোঁয়াশা বলে মনে হচ্ছিলো আমার কাছে।

.

রাত্রি কথার মাঝে রুশো রাত্রিকে হেঁচকা টান মেরে নিজের বুকের সাথে জড়িয়ে নেয়। তাদের পাশ কাটিয়ে দ্রুতবেগে যাওয়া ট্রাকটির টায়ার দ্বারা ছিটকে পরা কাদাজল রাত্রির গায়ে একটুর জন্য লাগতে লাগতে লাগেনি।

ট্রাকটি যেতেই রুশো রাত্রিকে ততক্ষণাত ছেড়ে দিয়ে বলে উঠে,

.

-- সরি সরি, তোমাকে না সড়ালে এতোক্ষণে কাদার ভূত হয়ে যেতে। ইউ নো তোমার মতো এটম বোম্ব কাদায় মেখে গেলে একদম পেত্নি পেত্নি লাগবে।

.

রাত্রি রুশোর কথায় চোখ ছোট ছোট করে ভ্রু কুঁচকে রুশোর দিকে তাকানো মাত্রই রুশো দুহাতে নাক চেপে ধরে বলে উঠলো,

-- এই না না প্লিজ! এমনিতেই বৃষ্টিতে ভিজে ঠান্ডা লেগে নাক লাল হয়ে গিয়েছে। এর থেকে বেশি লাল বানালে সত্যিই ছুটকির বলা টমেটো হয়ে যাবে নাকটা!

.

রাত্রি রুশোর এমন বাচ্চামো দেখে ফিক করে হেসে দেয়। তার হাসি দেখে রুশোও হেসে ফেলে। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে রাত্রির ওই মুখখানায়। বৃষ্টিতে ভিজে খিলখিল করে হাসতে থাকা প্রেয়সীকে যেনো অপরূপ লাগছে তার কাছে।

রাত্রি রুশোকে বোকার মতো হা করে থাকতে দেখে বললো "চলুন এবার যাওয়া যাক! ঠান্ডা লেগে যাবে তো!"

রুশোও মুচকি হেসে সম্মতি জানিয়ে রাত্রির পাশে হাটা ধরলো।

.

🍁

.

-- আম্মু কি হলো বলোতো? সেই কখন বেড়িছে ওরা। বৃষ্টিও তো হচ্ছে। ফোনেও পাচ্ছিনা কাউকে। রাত্রি তো ফোন আমার বিছানাতেই ফেলে গেছে।

-- রুশো গেছে তো! চিন্তা করিস না ড্রাইভারকেও তো পাঠিয়েছি খুঁজতে। ঠিক চলে আসবে।

.

আমাদের কথার মাঝখানেই আগমন ঘটে রাত্রি আর রুশো ভাইয়ার। আমরা সবাই ওদের দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে যাই। দুজনেই ভিজে একাকার হয়ে গিয়েছে। টপটপ করে পানি পড়ছে দুজনের শরীর বেয়ে।

.

আম্মু দৌড়ে দুটো টাওয়াল এনে দুজনের গায়ে জড়িয়ে দিয়ে বলে উঠলো,

-- কোথায় গিয়েছিলিস তোরা? হিসেব আছে কোনো সবাই কতো টেনশনে ছিলাম?

.

রুশো ভাইয়া টাওয়াল দিয়ে মাথা মুছতে মুছতে মুখ কাচুমাচু করে বলে উঠলো,

-- আসলে মনি, ওকে একটু রাগিয়ে দিয়েছিলাম। তাই রাগ করে বেড়িয়ে গিয়েছিলো। সরি আর এমন হবে না।

.

-- রুশো, কবে সিরিয়াস হবি তুই? এমন মজা কেউ করে? তোদের নিয়ে আমি আর পারিনা। তোর মা কে কমপ্লেইন দিতে হবে।

.

রুশো ভাইয়া আম্মুকে জড়িয়ে ধরতে গিয়েও থেমে গেলো কারণ ভাইয়ার গা ভেজা। অসহায় ভাবে ঠোঁট উলটে বলে উঠলো,

-- সরি মনি আর হবে না। প্লিজ এটাই লাস্ট টাইম।

.

আম্মু আর কিছু বললো না, ড্রাউভার আংকেল কে ফোন করে ঘুরে আসতে বললো। সাথে রুশো ভাইয়াকে অগ্নি ভাইয়াকে ঘরে পাঠিয়ে দিলো, আর আমায় বললো রাত্রিকে নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে চেঞ্জ করিয়ে আনতে।

আমিও আর কথা বাড়ালাম না। রাত্রিকে নিয়ে ঘরে চলে এলাম। সবাই নিশ্চিত হলেও আমার মনে কেমন একটা খটকা থেকেই গেলো। এতো ছোট কারণে তো আর জল এতোদূর গড়াবেনা। রাত্রির এক্সাক্টলি ঠিক কি হয়েছিলো তা আমাকে জানতে হবে। আজ না হোক কাল জানতেই হবে।

.

🍂

.

রাত্রিকে আজ থেকে যেতে বললাম। আন্টিকে ফোন করে অনেক তেল লাগিয়ে তবে কাজ হলো। বৃষ্টির দোহাই দেওয়ার পরই থাকতে দিতে রাজি হলেন আন্টি।

নীবিড় ভাইয়ারা একটু পরই চলে যাবেন। আম্মু থেকে যেতে বলেছিলো কিন্তু আংকেলের খুব সকালে অফিস আছে সাথে অফিসের কাজও আছে যা রাতে বাসায় গিয়ে করবেন।

আপাতত আমার যেটা কাজ তা হলাও সাদা বিলাইয়ের সাদা শার্টটা উনাকে ফেরত দিয়ে দেওয়া। জুসটা অবশ্য খুব ভালো করেই ওয়াশ করে দিয়েছি কিন্তু ভেজা শার্ট তো আর দিতে পারবোনা। তাই বুদ্ধি খাটিয়ে আমার হেয়ার ড্রায়ার বের করলাম। হেয়ার ড্রায়ার অন করে চুল না শুকিয়ে শার্ট শুকোতে লাগলাম।😅

.

শার্ট প্রায় শুকিয়ে গিয়েছে অনেকটা। তাই তাড়াতাড়ি করে ভাঁজ করেই ছুট লাগালাম উনার কাছে। কিন্তু কপাল আমার। গেট খুলে ওতো না দেখে হন্তদন্ত হয়ে বেড়োতে গিয়ে ঠাস করে উনার সাথেই আবার ধাক্কা খেয়ে বসলাম। আর আমার ঠোঁট গিয়ে ডিরেক্ট বসে গেলো উনার গলায়!

তাড়াতাড়ি করে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে মুখে ইনোসেন্ট মার্কা হাসির রেশ টেনে বলে উঠলাম,

.

-- মেইনে কুছ নেহি কিয়া ভাইয়া!

.

উনিও আমার চেয়ে কম কিসে আমার দিকে তাকিয়ে বাম পাশের ভ্রু উঁচু করে বলে উঠলেন,

-- লেকিন আব ম্যায় বহত কুছ কারুংগা!

.

আমি একটা শুকনো ঢোক গিলে উনার গলার দিকে তাকালাম। কিন্তু যা দেখলাম তা দেখে আমার চোখ বোধহয় কোটর থেকে বেড়িয়ে হাতে চলে আসবে।

উনার গলায় আমার ঠোঁটের লিপস্টিকের দাগ! হায় আল্লাহ কি ভেবে যে আজ লিপস্টিক দিতে গিয়েছিলাম! উনি তো দেখলে আমাকে আর আস্ত রাখবেন না। ভয়ে তো এখন বলতেও পারবোনা। তার থেকে ভালো পাতলি গালি সে নিকাল যাও!

যেই ভাবা সেই কাজ, উনার হাতে শার্টটা ধরিয়ে দিয়ে এক দৌড়ে ঘরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলাম আমি।

যা হবে হোক। আমার সামনে না হলেই ভালো!

হেই সামবদি খিল মিহ প্লিজ!😣

.

অনন্যার ওভাবে চোরের মতো পালিয়ে যাওয়া দেখে হেসে ফেলে নীবিড়। আনমনেই বলে ওঠে সে, "পাগলী একটা!"

.

.

.

.

চলবে.........................💕

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩০তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন