ফন্ট সাইজ:
থিম:
মাফিয়া বাঁধন দ্যা সিআইডি অফিসার

১৬তম পর্ব

লেখক: Ahmed Badhon
​কলমে: আহমেদ বাঁধন
(কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)
​[১৬তম খণ্ড]
~​~~~~~~~~~~~~ পরের দিন ~~~~~~~~~~~~~~
​মাস্টার বেডরুমের সোফায় বসে বসে বাঁধনের নামে মনে মনে অগাধ গালিগালাজ করছিল নূর। লোকটা একটু আগেই কী একটা কাজের জন্য বাইরে গেছে, তাই নিজেকে বেশ মুক্ত মনে হচ্ছিল তার। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চুল বাঁধতে বাঁধতে নূর আবার বিড়বিড় করতে লাগল বাঁধনের নামে।
​কিন্তু হঠাৎ করেই নূরের কপালে ও মাথার রগে ভীষণ যন্ত্রণা শুরু হলো! কানের কাছে যেন শত শত নূপুরের আওয়াজ আর পুরনো সব স্মৃতি অদ্ভুতভাবে নাড়া দিয়ে উঠল! তার ছোট্টবেলার কিছু আবছা প্রতিচ্ছবি মাথার ভেতর ঘুরতে লাগল। মাথা ঝিমঝিম করে এমন এক অসহ্য চাপ সৃষ্টি হলো যে, নূর সোফায় নিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারল না!
​এক নিমেষে সোফা থেকে নিচে মেঝেতে গড়িয়ে পড়ল সে! পড়ার সময় ড্রেসিং টেবিলের কোণায় লেগে তার কপালটা খানিকটা কেটে গেল। অনবরত রক্ত চুইয়ে পড়তে লাগল ফর্সা কপাল বেয়ে। মুহূর্তের মধ্যেই সেন্সলেস হয়ে নিথর দেহে মেঝের ওপর পড়ে রইল সিআইডি অফিসার নূর!
​প্রাসাদে শত শত সিকিউরিটি গার্ড পাহারা দিলেও বাঁধনের কড়া হুকুম ছিল
—তার অনুমতি ছাড়া যেন কেউ নূরের বেডরুমের ধারেকাছেও না যায়! বসের দেওয়া এই মৃত্যুর পরোয়ানা ভয়ে কেউ নূরের দরজায় নক করার সাহস পর্যন্ত পেল না। ফলে রক্তমাখা অবস্থায় সেখানে নিথর হয়ে পড়ে রইল নূর, আর কেউ জানতেই পারল না!
​— উত্তরা শপিং সেন্টার, ঢাকা —
​ভিআইপি লাউঞ্জে রাখা ইতালিয়ান চামড়ার সোফায় বসে কফির কাপে চুমুক দিচ্ছিল বাঁধন।
​পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অ্যালবার্ট বেশ শান্ত গলায় বলল, 
"ভাই, পুরো ঢাকা শহরে আবার ছিনতাইকারী আর ডাকাতদের দাপট বেড়ে গেছে! সাধারণ মানুষ শান্তিতে চলাচল করতে পারছে না। এদের বিরুদ্ধে কিছু একটা অ্যাকশন নেওয়া দরকার।"
​জোসেফও সায় দিয়ে বলল, 
"জি ভাই! 
— অ্যালবার্ট একদম ঠিক বলেছে। দিনদুপুরে ডাকাতি আর মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা শুরু হয়েছে।"
​বাঁধন কফির কাপে শেষ চুমুক দিয়ে এক চিলতে শীতল হাসি দিল,
 "অলরেডি খেলা শুরু হয়ে গেছে, তাই না?"
​"জি ভাই!"
​বাঁধন পকেট থেকে তার পার্সোনাল দামি কিউবান চুরুট বের করে আগুন ধরাল। তারপর ধোঁয়া ছেড়ে বরফের মতো ঠান্ডা গলায় অর্ডার দিল—
"পুরো বাংলাদেশে এনাউন্স করে দে! সাধারণ মানুষের হক মেরে যারা খাবে, আর যারা চুরি-ডাকাতি করবে—তাদের জ্যান্ত লাশ সেখানেই ফেলে রাখা হবে! এটা বাঁধন মির্জার ফাইনাল অর্ডার!"
​"ওকে ভাই! এখনই ব্যবস্থা করছি।"
​জোসেফ আর অ্যালবার্ট সাথে সাথে প্রাইম মিনিস্টার্স লাউডস্পিকার কন্ট্রোল রুমের দিকে রওনা দিল, যেখান থেকে পুরো দেশে জাতীয় সতর্কবার্তা অ্যানাউন্স করা হয়।
​বাঁধন শান্ত হয়ে সোফায় হেলান দিল। পুরো শপিং সেন্টারটি এখন একদম ফাঁকা! কারণ স্বয়ং মাফিয়া ডন বাঁধন মির্জা এখানে এসেছে শুনেই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে মল ওনার পর্যন্ত ভয়ে পালিয়ে গেছে! এখানে এক মুহূর্ত বেশি থাকা মানে নিজের মৃত্যুকে দাওয়াত দেওয়া!
​হঠাৎ পেছন থেকে দুটি হাত এসে আড়ালে বাঁধনের দুই চোখ চেপে ধরল! আচমকা এই স্পর্ধায় বাঁধনের মাথার রগ মুহূর্তের মধ্যে গরম হয়ে উঠল। তার ভেতরের হিংস্র ভাবটা জেগে উঠতেই সে ঝটকা মেরে হাতের বাঁধন ছাড়িয়ে নিল!
​পেছনে তাকাতেই দেখল—দামি কস্টিউম পরে দাঁড়িয়ে আছে নীলিমা!
​নীলিমার সাথে থাকা বডিগার্ড দূরে দাঁড়িয়ে কাঁপছিল। বাঁধনের চোখ দুটো রাগে লাল হয়ে উঠতে দেখেও নীলিমা অবহেলার সুর তুলে বলল—
"কী ব্যাপার বাঁধন? একা একা ভিআইপি লাউঞ্জে বসে কফি খাচ্ছ যে?"
​বাঁধন এক ঝটকায় সোফা ছেড়ে দাঁড়িয়ে নীলিমার জামার কলার চেপে ধরল! দাঁতে দাঁত চেপে কড়া গলায় বলল—
"তোকে কতবার বারণ করেছি নীলিমা, আমার থেকে ১০ হাত দূরে থাকবি! ইউ ননসেন্স! তোর কি ন্যূনতম কমন সেন্সও নেই? তুই ভালো করেই জানিস আমি বিবাহিত! কোন অধিকার বলে তুই আমাকে স্পর্শ করার সাহস পেলি, বল?"
​নীলিমা আশা করেনি বাঁধন তার সাথে এতটা সিরিয়াস ও নিষ্ঠুর মেজাজে কথা বলবে! আগে বাঁধন নীলিমার সাথে ফ্রি থাকলেও এবার তার চোখেমুখে ফুটে উঠেছে এক ভয়ংকর কঠোরতা।
​নীলিমা ইমোশনাল হয়ে কেঁদে উঠে বলল, 
"বাঁধন! তোকে আমি ছোটবেলা থেকে নিজের চেয়েও বেশি ভালোবেসেছি! যখন তোকে আমরা কুড়িয়ে এনেছিলাম, সেই দিন থেকে আজ পর্যন্ত তোকে পুজো করেছি! কিন্তু তুই আমার ভালোবাসার কোনো মূল্য না দিয়ে এই সাধারণ মেয়েটাকে বিয়ে করে ফেললি? এখন আমার কী হবে বল?"
​বাঁধন নিজের হাতটা স্রেফ পকেটে ঢুকিয়ে পাথরের মতো গলায় বলল,
 "তোকে আমি আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছি নীলিমা—তোর জায়গা আমার জীবনে শুধুই একজন বান্ধবী হিসেবে! এর বাইরে তোর কোনো অস্তিত্ব আমার কাছে নেই! কথাটা নিজের ওই ছোট্ট মগজে স্থায়ীভাবে ঢুকিয়ে রাখ!"
​নীলিমার চোখ থেকে আগুন ঠিকরে বের হতে লাগল। সে বিষাক্ত গলায় চেঁচিয়ে বলল—
"তাহলে শুনে রাখ বাঁধন! আমি তোদের এই সংসার ছারখার করে দেব! যদি তোকে না পাই, তবে তোর ওই সিআইডি বউকে আমি নিজ হাতে খুন করব! তারপর দেখি তুই কাকে নিয়ে সংসার করিস!"
​কথাটা নূরের ক্ষতি করার বিষয়ে পৌঁছাতেই বাঁধনের মাথার ওপর দিয়ে শয়তানের চাবুক চলে গেল! সে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারল না—
​"ঠাস্স্স্স্স...!!"
​সারা লাউঞ্জ কাঁপিয়ে সজোরে একটা থাপ্পড় গিয়ে পড়ল নীলিমার ফর্সা গালে! থাপ্পড়ের তীব্রতায় নীলিমা সোফায় গিয়ে আছড়ে পড়ল, তার ঠোঁটের কোণ ফেটে রক্ত বের হয়ে এল!
​বাঁধন এক পা এগিয়ে নীলিমার চুল ধরে টেনে তুলে হুঙ্কার দিল—
"ফাক ইউ, ইউ ফাকিং স্টুপিড গার্ল! তোর এত বড় কলিজা যে তুই আমার 'ওয়াইফ' নূরের ক্ষতি করার কথা বলিস? এই রাইট তোকে কে দিয়েছে, নীলিমা? তুই তো দূরের কথা, পুরো বিশ্বের কেউ যদি নূরের দিকে এক ফোঁটা কড়া চোখে তাকায়, তবে তার চোখ দুটো উপড়ে আমি রাস্তায় ফুটবল খেলব!"
​বাঁধন পকেটের চুরুটটা নীলিমার পায়ের কাছে ছুড়ে ফেলে দিয়ে পশুর মতো গর্জে উঠল—
"শুনে রাখ নীলিমা! আজ থেকে যদি নূরের গায়ে একটা আঁচড়ও লাগে, কিংবা ওর কোনো ক্ষতি হয়, তবে তোকে জ্যান্ত দাফন করতে আমার এক সেকেন্ডও সময় লাগবে না! এরপর যদি আমার বাড়ির আশেপাশে এমনকি আমার চোখের সীমানাতেও তোকে দেখি, তবে তোর কফিন তৈরি থাকবে! গেট আউট ফ্রম হেয়ার!"
​নীলিমা গালে হাত দিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ল। বাঁধনের চোখমুখের এই বিভৎস রূপ দেখে সে আর এক সেকেন্ডও দাঁড়ানোর সাহস পেল না। নূরের প্রতি একরাশ হিংসা ও বিষাক্ত ঘৃণা বুকে চেপে সে শপিং সেন্টার থেকে দৌড়ে বেরিয়ে গেল।
​নীলিমা চলে যাওয়ার পরও বাঁধনের রাগ কমছিল না। এত সুন্দর আবহাওয়াটার মধ্যে এক বালতি আবর্জনা এসে মনটা খারাপ করে দিল! সে রাগে-ক্ষোভে নিজের হাতের কফির কাচের গ্লাসটা সজোরে মুঠো করে ভেঙে ফেলল!
​"ঝনঝন...!"
​ভাঙা কাচ হাতের তালুতে ঢুকে রিনরিন করে তাজা লাল রক্ত গড়িয়ে পড়তে লাগল। কিন্তু সেদিকে বাঁধনের কোনো খেয়াল নেই। সে মেঝের দিকে তাকিয়ে ধমক দিল,
 "ওয়েটার! কাম হেয়ার!"
​মল ওনার দরজার ওপাশ থেকে সব দেখছিল। সে ভয়ে এক দৌড়ে ওয়েটারকে টিস্যুর বক্স দিয়ে বাঁধনের সামনে পাঠাল। ওয়েটার কাঁপতে কাঁপতে টিস্যু এগিয়ে দিতেই বাঁধন নিজের রক্তমাখা হাতে শক্ত করে টিস্যু পেঁচিয়ে নিল।
​ঠিক তখনই অ্যালবার্টের কল এল ফোনে—
"ভাই, পুরো বাংলাদেশে মেসেজ অ্যানাউন্স করা কমপ্লিট! চোর-ডাকাতদের হুঁশিয়ারি দিয়ে দেওয়া হয়েছে।"
​"গুড!"
​সে ধীর পায়ে লাউঞ্জ থেকে বের হয়ে নিজের রেড স্পোর্টস কারে গিয়ে বসল। ইঞ্জিন গর্জে উঠতেই কারটি ঝড়ের বেগে ধেয়ে চলল কেরানীগঞ্জের 'নূর প্যালেসের' দিকে।
​— কিছু সময়ের পর, নূর প্যালেসে —
​গাড়ি পার্ক করে বাঁধন সোজা প্যালেসের ভেতরে ঢুকল। নিজের রুমের দরজার লক অন করে ভেতরে পা রাখতেই সে দরজার মুখেই স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে গেল!
​মেঝেতে কপাল ফেটে রক্তে ভেসে নিথর হয়ে পড়ে আছে নূর!
​"নূর...!!"
​বাঁধনের মুখ দিয়ে এক হৃদয়বিদারক আর্তনাদ বেরিয়ে এল! সে উন্মাদের মতো দৌড়ে গিয়ে নূরের নিথর শরীরটা বুকে জড়িয়ে ধরল। নূরের ফ্যাকাশে মুখ আর রক্তমাখা কপাল দেখে বাঁধনের চোখের তারা দুটো হিংস্র ও ব্যাকুল হয়ে উঠল। সে নূরের মুখ চেপে ধরে চিৎকার করতে লাগল—
​"কী হয়েছে জান? চোখ খোলো! নূর... প্লিজ পিক আপ ইউর আইস বউ! কী হয়েছে তোর? জান আমার... প্লিজ চোখ খোল! তুই না বললে আমার কী হবে জান? প্লিজ ওপেন ইউর আইস!"
​বাঁধনের চিৎকার ও গর্জনে পুরো প্যালেস কেঁপে উঠল! দরজার বাইরে থাকা অ্যালবার্ট, জোসেফ এবং একদল সিকিউরিটি গার্ড দৌড়ে ভেতরে চলে এল।
​বসের হাত রক্তে রাঙানো এবং ম্যাডামকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখে গার্ডদের বুকের রক্ত হিম হয়ে গেল! বাঁধন লাল চোখ তুলে রাগে ও দুঃখে বাঘের মতো গর্জে উঠল—
​" গেট দ্য প্রাইভেট জেট রেডি রাইট নাউ! দু-মিটের মধ্যে যেন জেট রানওয়েতে থাকে, তা না হলে তোদের সবার জ্যান্ত চামড়া আমি গুটিয়ে নেব!"
​কথা শেষ হতে না হতেই সবাই আতঙ্কে দৌড় লাগাল। মাত্র দেড় মিনিটের মাথায় প্যালেসের ছাদের হেলিপ্যাডে বাঁধনের পার্সোনাল প্রাইভেট সুপারজেট ল্যান্ড কর।
​বাঁধন এক মুহূর্তও দেরি না করে নূরকে পরম যত্নে পাঁজকোলা করে কোলে তুলে নিল। ঝড়ের বেগে সিঁড়ি টপকে সোজা জেটে গিয়ে উঠল। জ্যাকেটের পকেট থেকে নিজের রুমাল বের করে নূরের কপালের রক্ত সাবধানে মুছে দিতে দিতে সে বিমানের পাইলটকে হুঙ্কার দিল—
​" ম্যাক্সিমাম স্পিড বাড়া! আমার নূরের যদি এক ফোঁটা ক্ষতি হয়, তবে তোদেরকে কোনো দাফন ছাড়াই কবর দেব আমি! টেক অফ নাও!"
​পাইলট প্রাইভেট জেটের ফুল পাওয়ার অন করে দিল। বিমানটি বাংলাদেশ থেকে সোজা আমেরিকার নিউ ইয়র্ক সিটির উদ্দেশ্যে ঝড়ের গতিতে উড়ে চলল!
​— নিউ ইয়র্ক সিটি, আমেরিকা —
​কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাইভেট জেট আমেরিকার নিউ ইয়র্কের বিখ্যাত এবং বিশ্বমানের 'মায়ো মাল্টিস্পেশালিটি ক্রাইসিস হসপিটালের' হেলিপ্যাডে ল্যান্ড করল।
​হেলিকপ্টারের পাখা থামার আগেই বাঁধন নূরকে কোলে নিয়ে নিচে নেমে এল। শত শত আন্তর্জাতিক ভিআইপি গার্ড আর বাঁধন মির্জাকে রক্তের মতো লাল চোখে নূরকে নিয়ে দৌড়ে আসতে দেখে পুরো হাসপাতালের লবিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল! সাধারণ রোগী আর কর্মচারীরা এক পাশে সরে গিয়ে রাস্তা ফাঁকা করে দিল।
​আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় সার্জনরা বাঁধনকে দেখে আতঙ্কে ঘেমে অস্থির হয়ে পড়ল। বাঁধন নূরের নিথর দেহটি একটি ট্রলিতে শুইয়ে দিয়ে চীফ সার্জনের কলার শক্ত করে চেপে ধরল! থমথমে গলায় হুমকি দিল—
​"আমার ওয়াইফের কন্ডিশন অত্যন্ত ক্রিটিক্যাল ডক্টর! ওর যদি কিছু হয়, তবে এই পুরো নিউ ইয়র্ক শহর আগুনে জ্বালিয়ে ছাই করে দেব আর তোদের সবাইকে জ্যান্ত পুড়াব!"
​চীফ সার্জন ভয়ে তোতলামি কেটে বললেন—
"প্লিজ বাঁধন মির্জা, কাল্ম ডাউন! উই উইল ট্রাই আওয়ার বেস্ট... প্লিজ লেট আস ওয়ার্ক!"
​ডাক্তাররা তড়িঘড়ি করে নূরকে আইসিইউ (ICU) রুমে নিয়ে ঢুকাল। আইসিইউ-এর লাল বাতিটা জ্বলে উঠল।
​বাহিরে তাণ্ডব চালিয়ে দাঁড়িয়ে রইল মাফিয়া ডন বাঁধন মির্জা। তার গায়ের শার্টে নূরের রক্ত, চোখে আগ্নেয়গিরির লাল আগুন! সে রগে হাত চেপে হুইলচেয়ারের স্টিলের হাতলে সজোরে লাথি মারল!
​তারপর জোসেফ আর অ্যালবার্টকে ডেকে এক ভয়াল হুঙ্কার ছেড়ে অর্ডার দিল—
​"পুরো বিশ্বকে জানিয়ে দে—আমার নূর যতক্ষণ না সুস্থ হয়ে চোখ খুলছে, ততক্ষণ পুরো আন্ডারওয়ার্ল্ড তো দূরের কথা, নিউ ইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ—কোনো বাপের বেটা যেন ঘুমানোর সাহস না পায়! পুরো সিটি যেন থমকে থাকে! দ্যাটস মাই অর্ডার!"
​জোসেফ ও অ্যালবার্ট মাথা নিচু করে সাথে সাথে আন্ডারওয়ার্ল্ড কন্ট্রোলরুমে নির্দেশ পাঠিয়ে দিল...।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৬তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন