#mr_and_mrs_talukdar
#অপূর্বা_মেহরীন
#পর্ব_৫
(কপি করা নিষিদ্ধ 🚫)
দীর্ঘ দুই ঘন্টার মিটিং শেষ করে হাপ ছেড়ে বাঁচলো উর্বী। টানা এক ঘন্টা প্রেজেন্টেশন দেওয়ার পর গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছে মনে হচ্ছে। নিজের ডেস্কে বসে পানি পান করতে করতে রুহানির কথা শুনছে উর্বী।
প্রচন্ড প্রফুল্ল মনে বললো
"আজ তোমার প্রেজেন্টেশন টা যা হয়েছে না। এতো কনফিডেন্স এর সাথে তুমি মিটিং টা কভার করলে। আমি তো জাস্ট হাঁ করে তাকিয়ে ছিলাম তোমার দিকে।"বলেই মিটি-মিটি হাসতে থাকে রুহানি।
উর্বী কিছু বলে না সুধু কথার প্রতি উত্তর করার জন্য মিষ্টি একটা হাসি দিয়। এরপর নিজ মনে কাজ করতে থাকে। বেশ কিছুক্ষন অতিবাহিত হওয়ার পর ও যখন উর্বী অনুভব করতে পারে রুহানি এখন ও তার দিকে তাকিয়ে হাসছে, তখন সে আস্তে করে মাথা ঘুরিয়ে তাকায় রুহানির দিকে।
এক ভ্রু উচিয়ে প্রশ্ন করার ভঙ্গিতে জিজ্ঞাসা করে "কি হয়েছে, এভাবে হাসছো কেনো?"
রুহানি নিজের হাসিটা আরো চৌরা করে বললো "উর্বী তুমি এতো সুইট, আর এতো সুন্দর একটা মেয়ে। তোমাকে আমার এতো ভালো লাগে আমি যদি ছেলে হতাম তাহলে পাক্কা তোমাকে আমি পটিয়ে বিয়ে করে ফেলতাম।" বলেই নিজ চেয়ার থেকে উঠে উর্বী কে জোরিয়ে ধরতে যায়।
ওমনি উর্বী "ছিহ্" বলে তার পা দ্বারা নিজ চেয়ার কে পিছনে নিয়ে যায়। আর রুহানি ধপাস... করে ফ্লোরে পরে যায়।
রুহানি কে পরে যেতে দেখে অট্ট হাসিতে ফেটে পড়লো সে ।তা দেখে রুহানি কিছু না বলে চুপচাপ নিজের ডেস্কে গিয়ে কাজ করা তে মন দিলো। উর্বী বুঝতে পারলো রুহানি রাগ করেছে।
তাইকিছু না বলে মুচকি হাসি দিয়ে এগিয়ে গিয়ে রুহানি কে জরিয়ে ধরে ঢং করে বলো " oh ho ruh baby , you're so sweet. My dear, I really like you too. "
উর্বীর এমন করা কথা বলার স্টাইল দেখে রুহানি ও হেসে ফেললো।
তাদের এমন লুতুপুতু ভাব দেখে পাশে ডেস্ক থেকে সাজ্জাদ উঁকি দিয়ে তাদের দিকে তাকালো। সে উর্বীর দিকে রাগী চোখে তাকালে উর্বী তাকে চোখ টিপি দেয়। তা দেখে সাজ্জাদ থমথমে কন্ঠে বলে "এটা কাজ করার যায়গা আর তোমরা এখানে মাছের বাজার বানিয়ে রেখেছো"
উর্বী ও রুহানি কিছু না বলে চোখ ছোট ছোট করে তাকিয়ে থাকে কিছুক্ষন। তারপর যে যার কাজে মনোনিবেশন করে।
------------------------------
অনুমতি ব্যতীত কোন প্রকার নক না করেই কেবিন রুমে প্রবেশ করলো ইউভান। তা দেখে বিরক্ত চোখ তাকায় অপূর্ব।
ইউভান তাকে পাত্তা না দিয়ে সরাসরি তার সামনের চেয়ার দখল করে বসে পরলো।
তারপর জিজ্ঞাসা করলো "আমাকে নাকি ডেকে ছিলি?"
অপূর্ব একোই ভঙ্গিতে বললো "কই না তো? কেনো এসেছিস তুই?"
ইউভান ওর হেয়ালি বুঝতে পেরে বললো "তোকে খুব মিস করছিলাম রে আমার জান্টুস। তাই তো চলে এলাম।"
বিরক্ত নিয়ে অপূর্ব বললো "হ্যাঁ, আমি তো তোর বউ হই তাই না শালা?"
"এম্যা, তা কেনো হতে যাবে? বউ ছাড়া বুঝি কাওকে মিস করা যায় না? তুই তো আমার বেস্ট ফ্রেন্ড তাই তো তোকে মিস করছিলাম "বলেই কিউট একটা মুচকি হাসি দিলো।
অপূর্ব এর কথায় খুব বিরক্ত বোধ করে। এটা ছেলে? ছেলেরা মেয়েদের মতো এতো কথা বলতে পারে?গত ১৫ বছর যাবোত এ ওর জীবন টা ব্যাচাল ময় করে তুলেছে। না পারে একে সহ্য করতে আর না পারে কে গোড়া থেকে উপরে ফেলতে।
অপূর্ব এর সাথে মুখনাড়ানোর ভুল আর করবে না। এবার সে নিজেকে নিজেই পন করলো। তারপর কথার প্রসঙ্গ বদলাতে বললো "তো দুই ডিল ফাইনাল করতে আমাদের দুই জায়গায় যেত হবে তাই তো?"
এবার ইউভান ও সিরিয়াস হয়ে বললো "হুম, তাই তো বললো ডিলার।"
"উমমম"অপূর্ব কিছুক্ষন ভেবে উত্তর করলো "তা তুই কোথায় যাচ্ছিস? দিনাজপুর নাকি কক্সবাজার?
"মানে কি? আমরা আলাদা যাবো ডিল ফাইনাল করতে?"ভ্রু কুঁচকে বললো ইউভান।
ছোট করে উত্তর করলো অপূর্ব "হুম"
"এই ভাই এটা কেমন কথা রে!আমার তো তোকে ছাড়া ডিল ফাইনাল করতে গেলে তো আমার হাটু কাপঁবে রে!"
ভিষণ নাটকিয় ভাবে বললো ইউভান। অপূর্ব কিছু বলে না সুধু দেখতে থাকে ওকে।
ইউভান সেই একই নাটকিয় ভাবে আবার ডেকে উঠলো
"এ্যাই ভাই???"
এবার অপূর্ব ওর নাটকিয়তা নিতে পারলো না হঠাৎ ই ফিক করে হেসে উঠলো। তা দেখে কিছুক্ষন বোকা বোনে চেয়ে রইলো ইউভান তারপর নিজেও উচ্চ স্বরে হেসে উঠলো।
-------------------------
"নানা ভাই কবে আসবে?"
"পরশুদিন আসবে নানু ভাই"
"আদুব কখন আসবে?"বলেই বুক থেকে মাথা তুলে আসমা শেখ এর দিকে তাকায় উর্বশী।
আসমা শেখ আবারো নাতনীকে টেনে বুকে নিয়ে বললো
"একটু পর চলে আসবে, তুমি ঘুমাও নানু ভাই আমার "
উর্বশী কিছু বলে না নানু-মনির বুকে চুপটি করে শুয়ে থাকে আর হাতের আঙুল গুণতে থাকে। এভাবে বেশ সময় পার হয়ে যায়।
আসমা শেখ বুঝতে পারেন নাতনী ঘুমিয়ে গিয়েছেন। তাই উর্বশীকে ঠিকঠাক ভাবে বিছানায় শুইয়ে দিলো। তারপর নিজে আস্তে করে বিছানায় উঠে বসলো।
এরি মধ্যেই হঠাৎ করে আসমা শেখ এর ফোনটি বেশ শব্দ করে বেজে উঠলো। উর্বশীর ঘুম ভেঙে যাওয়ার সম্ভবনা আছে বলে দ্রুত ফোন নিয়ে কল রিসিভ করে ফেললো।
ফোনটি কানে চেপে ধরে মৃদু স্বরে সালাম দিলো। কিন্তু অপর পাশ থেকে কোন উত্তর এলো না।
সে জিজ্ঞাসা করলো "হ্যালো, কে বলছেন?"
এবারও কোন ধরনের উত্তর এলো না অপর পাশ থেকে। তাই আসমা শেখ ফোন নাম্বারে চোখ বুলিয়ে নিলো। দেখলো আননোন নাম্বার।
সে যেই না আবারও প্রশ্ন করতে যাবে কল করা আগন্তুক কে তখনে তার চোখের সামনে একটি পরিচিত মুখ ভেসে উঠে। নিজের চোখের পলক ঝাপটিয়ে কাপাঁকাপাঁ গলায় সে প্রশ্ন করলো "কে... কেন ফোন করেছো?
ওপাশ থেকে এবার শান্ত পুরুষালি কন্ঠ ভেসে আসলো "কেমন আছেন মা?"
এবার আসমা শেখ এর কন্ঠটা রাগী শোনালো "এই ছেলে তুমি কেন ফোন করেছো? তোমাকে না বলা হয়েছে কখনো এই বাড়ির মানুষদের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ করবে না।তারপরও, তারপর ও কেনো বারবার ফোন করো আমাকে?"
"এভাবে বলেন কেনো মা?আপনারা কেনো আমাকে দোষী ভাবছেন? আমি কিছু করিনি? আমি কেন এমন করবো, আমি তো ওর স্বামী তাই না?"বেশ উত্তেজিত কন্ঠে কথা গুলো বললো ফোন এর ওপর পাশের বেক্তিটি।
আসমা শেখ তার কথার পিঠে আর কিছু বলতে না দিয়ে এবার নিজেকে যথা সম্ভব শান্ত করে লোকটি পুনরায় বললো "আচ্ছা মা উর্বশী কেমন আছে?কত দিন হয় মেয়েটা কে দেখি না। নিশ্চই বেশ বড় হয়ে গিয়েছে? ও... ওর তো এবার তিন বছর বয়সে পা দিয়েছে।দেখেছো আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম।"বলেই শব্দ করে হেসে উঠলো।
আসমা শেখ ঘামতে শুরু করেছেন।তার এখন অস্থিরতা অনুভব হচ্ছে।এই ছেলে একটা পাগল। এই ছেলেই তার নিষ্পাপ মেয়েটা কে মেরেছে। এই সব ভাবতেই তার চোখে পানি জমতে শুরু করে।
সে এবার নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করে নিচু স্বরে বললো "দেখো তোমাকে ভালো ভাবে বলছি এই বাড়ির কারো সাথে আর কোন যোগাযোগ করার চেষ্টা ও করবে না। আমরা তোমার কেও নই। আমাদের সাথে তোমার কোন সম্পর্ক নেই। আর উর্বশী ও তোমার কেও নয়।আর কখনো এই বাড়িতে যোগাযোগ কররার চেষ্টা করবে না।"নিজের কথা শেষ করেই 'খট' করে কল কেটে দেয়।
কল কাটার সাথে সাথে ওই নাম্বার ব্লক করে দেয়।
আর নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করে।
------
সারাদিন এর ব্যাস্ততা শেষ করে যখন অপূর্ব তার মায়ের কাছে আসে, তার মা মিষ্টি হাসি দিয়ে তার সাথে গল্প করে। তখন তার মনে হয় সকল ক্লান্তির অবসান এইখানে।প্রতিদিন অফিস ছুটির পর সে তার মায়ের সাথে হসপিটালে দেখা করতে আসে। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
অপূর্ব তার মায়ের বেড এর পাশে বসে খুব মনোযোগ সহকারে ফল কাটছিলো ও গল্প করছিলো।
হঠাৎ ই তানিয়া বেগম প্রশ্ন করলেন "আচ্ছা আমাকে বাড়ি নিয়ে যাবি কবে?"
অপূর্ব ফল কাটায় মনোযোগ স্থির রেখে বলল
"তিনদিন পর"
"এর আগে চলে গেলে হয় না? আমি তো এখন এতোটাও অসুস্থ না।আমার এখানে থাকতে ভালো লাগে না কেমন শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসে।বন্ধি অবস্থায় থাকতে আমার খুব কষ্ট হয়" কথাগুলো বলতে গিয়ে চোখে পানি চলে আসে তানিয়া বেগমের।
অপূর্ব ফল কাটা রেখে মায়ের দিকে তাকায়। বেশ কিছুক্ষন চুপ করে মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। তারপর হঠাৎ কিছু একটা ভেবে অপূর্ব তানিয়া বেগমকে প্রশ্ন করেন "দুদিন পর আমি কাজের শুত্রে ঢাকার বাহিরে যাচ্ছি, তুমি যাবে আমার সাথে?"
"এম্যা তুই কাজের জন্য ঢাকার বাহিরে যাবি আমাকে কেনো নিবি? পরে দেখা যাবে যে তুই তোর কাজ রেখে আমাকে সামলাতে ব্যাস্ত হয়ে পরলি। না,না বাবা মি যাবো না।"একশ্বাসে বলেই থামলেন তানিয়া বেগম।
অপূর্ব তার কথায় উত্তর দিলো না। আপন মনে ফল কাটা শেষ করে ফল ভর্তি প্লেট টি মায়ের হাতে দিয়ে খেতে ইশারা করলো। তানিয়া বেগম ও বিনা বাক্যে খাওয়া শুরু করলেন।
অপূর্ব এবার হাত ধুয়ে মায়ের পিছনে বেডে গিয়ে বসলো এবং আলতো হাতে চুলগুলো আচড়ে দিতে লাগলো।
তানিয়া বেগম মুচকি হাসলেন। কারন তার ছেলের এটা প্রতিদিন এর কাজ।
"জানিস অপূর্ব আজ তোর ছোট খালা কল করেছিলো"
"তা কি বললো ছোট খালা?"
"তোর ছোট খালার ছোট ছেলে আছে না তরিকুল। আরে গতবছর যে আমরা গিয়েছিলাম তার বিয়েতে। তোর দুই বছরের ছোট তরিকুল। তোর মনে আছে?ওর বাচ্চা হয়েছে।"
অপূর্ব তার মায়ের কথার টোন শুনেই বুঝতে পারছে তার মা কি বুঝাতে চাচ্ছে। তবুও তার কথায় পাত্তা না দিয়ে সে বললো "ও ভালো তো, তা কি নাম রাখলো বাচ্চাটির? তুমি কি বাচ্চা টিকে দেখতে যেতে যাও?"
তানিয়া বেগম এবার থমথমে চেহারায় পিছনে ঘুরে অপূর্বের দিকে তাকালেন। তারপর জিজ্ঞাসা করলেন "আমি কি বলতে চাইছি তুই কি বুঝতে পারছিস না?"
"মা তুমি যেটা চাচ্ছো সেটা এখন সম্ভব না "
তানিয়া বেগম ভ্রু কুচঁকে বললেন "কেনো সম্ভব না?"
অপূর্ব এবার বাচ্চা বাচ্চা মুখ করে বললো "কারন তোমার ছেলে তো এখন নিজেই একটা বাচ্চা। সে কি ভাবে আবার এখন একটা বউ বাচ্চা সামলাবে, তুমিই বলো?"
তানিয়া বেগম বোকা বোনে গেলেত। তারপর নিজেই বললেন "একটি ৩০ বছর বয়সী ছেলে বাচ্চা?" কথা বলেই তিনি খিলখিল করে হাসতে লাগলেন সাথে অপূর্ব ও।
তারপর অপূর্ব তানিয়া বেগম কে সোজা করে বসিয়ে দিয়ে তার চুল বেনুনী করে দিতে দিতে আরো কত সত গল্প জুরে দিলো।
----------------------------------------
উর্বশী আজ আদিবের কাছে পড়তে বসেছে। শুধু আজ নয় প্রায় কয়েক দিন ধরেই সে আদিব এর কাছে আসে পড়তে। উর্বী ঠিক করেছে সামনের বছর উর্বশী কে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিবে। তারই প্রস্তুতি নিচ্ছে উর্বশী।
এই মুহূর্ত উর্বশী পড়াছে বললে ভুল হবে। কারন সে আদিব এর ধৈর্যের পরিক্ষা নিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে আদিবের।
পড়া বাদ দিয়ে সারা বই উল্টে পাল্টে দেখছে উর্বশী এবং উদ্ভট প্রশ্নের ভান্ডার খুলে বসেছে যেন।
তবুও আদিব অতিরিক্ত ধৈর্য সহকার তাকে পড়ানোর চেষ্টূ করছে সুধু মাস শেষে অতিরিক্ত কিছু হাত খরচের লোভে।
আদিব এবার উর্বশী কে নিজের কোলের মধ্যে নিয়ে তার হাত ধরে ষষ্ঠ বারের মতো 'অ' লিখাতে চাইলো, কিন্তু উর্বশী পুরো খাতায় পেন্সিল এর দাগ বসিয়ে দিলো।
ধপ করে আদুব পেন্সিলটিকে খাতার উপর রাখলো। এমন হওয়ায় উর্বশী আদিবের দিকে তাকাতেই দেখলো আদিব ও তার দিকে তাকিয়ে আছে।
উর্বশী আদিবের দুই গাল ধরে যেই না কিছু বলতে যাবে। ওমনি আদিব নিজের সর্বশক্তি দিয়ে চেচিয়ে উঠলো "আপু............" বলে।
হঠাৎ এমন চিৎকার দেওয়ার উর্বশী আদিরের কোল থেকে উঠে এক দৌড়ে খাট থেকে নেমে গেলো। আর সাথে সাথে 'ভ্যা, ভ্যা' করে কান্না জুড়ে দিলো।
আদিবের এমন বিকট চিৎকারে উর্বী ও ইয়াস দৌড়ে এলো।উর্বী ঘরে ঢুকেই উর্বশী কে কান্না করতে দেখে তাকে কোলে তুলে নিয়ে জিজ্ঞাসা করে "কি হয়েছে আমার মা, কান্না করছো কেনো?"
উর্বশী কাদো কাদো কন্ঠে জবাব দেয় "আদিব মালছে "বলেই আবার বিকট শব্দে কান্না জুড়ে দেয়।
আদিব কিছুক্ষন তারদিকে কটমট চোখে তাকিয়ে থেকে ঘর থেকে ধুপধাপ পা ফেলে বেরিয়ে যাওয়ার সময় চিবিয়েচিবিয়ে বললো "তোমার আর আমাকে মাস শেষে টাকা দেওয়া লাগব না। পড়াবো না আমি আর ওকে" বলেই বড়ি থেকে বের হয়ে চলে গেলো।
উর্বী সুধু বোকা বোনে তাকিয়ে রইলো আদিবের যাওয়ার পারে। কিন্তু উর্বী এটা সিওর যে তার মেয়েই কোন কিছু করেঢ়ে যার কারনে আদিব এতো রেগে গিয়েছে।
ইয়াস এতোক্ষন নিরব দর্শক ছিলো। এবার সে উর্বশী র দিকে চাইলো। দেখতে পেলো চোখে এক পোটা ও পানি নেই কিন্তু ননস্টপ কান্নার শব্দ করে যাচ্ছে।
ইয়াস আস্তে করে বিরবিরিয়ে বললো "নাটকী" বলেই ঘর থেকে চলে গেলো।
চলবে....
(আপনারা সবাই রেসপন্স করবেন আপনাদের রেসপন্স আমাকে লিখতে আরে বেশি আগ্রহী করে তুলবে। এবং সবাই গঠন মূলক মন্তব্য করবেন )