ফন্ট সাইজ:
থিম:
সে ছিল আমার কল্পনায়

৭ম পর্ব

লেখক: নাবিলা আহমেদ সেহরিশ

#সে_ছিল_আমার_কল্পনায়

#পর্ব_৭
#লেখিকা_নাবিলা_আহমেদ সেহরিশ
​“বাঙ্গির পুত!” হামিদের রাগান্বিত কণ্ঠস্বর পৌঁছে গেল শেষপ্রান্তে বসে থাকা অভ্যুদয়ের কাছে। মনোযোগ দিয়ে বই পড়ছিল সে। হামিদের দিকে তাকাতেই কপালে ভাঁজ পড়ল তার।
​ক্লাসের সকলের দৃষ্টি গেল তাদের দুজনের দিকে, পরক্ষণেই নিজেদের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে সকলে। হামিদের এসব উদ্ভট কাজকর্ম সম্পর্কে সকলেই অবগত।
​অভ্যুদয়ের সাথে চোখাচোখি হতেই এক মিনিটও অপেক্ষা করল না হামিদ; কয়েক কদমে চলে গেল অভ্যুদয়ের দিকে।
​মাঝখানের বেঞ্চের দিকে যেতেই থেমে গেল হামিদ। অভ্যুদয় তার দৃষ্টি ফিরিয়ে আবারও বইয়ের দিকে মনোযোগ দিয়েছে। হামিদের এসব পাগলামি দেখার সময় নেই তার।
হামিদ তার পাশে রাখা একজনের ব্যাগ তুলে নিয়েই নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে তা ছুড়ে মা'রল অভ্যুদয়ের দিকে।
​“আউচ...” অভ্যুদয়ের মাথায় গিয়ে লাগল ব্যাগটা।
​“শা'লার পুত!” আবারও গা'লি দিল হামিদ। কিছু বুঝতে না দিয়েই ঝাঁপিয়ে পড়ল অভ্যুদয়ের ওপর।
​“ছাড়, ছাড় পাগল!” ছাড়া তো দূরের কথা, অভ্যুদয়ের শার্টের এক অংশ ধরেই সে উরাধুরা ঘু'ষি মা'রা শুরু করেছে অভ্যুদয়ের পেটে।
​“তোর সাহস তো কম না, তুই আমাকে ব্লক দিয়েছিস! আজ তোর একদিন তো আমার একদিন!”
​“ছাড় হামিদ!” অভ্যুদয় এক ধাক্কা দিতেই একটু সরে গেল হামিদ। নিচে পড়ে থাকা ব্যাগটার দিকে চোখ গেল তার, তুলে নিল তা। ব্যাগের নিচের অংশ ধরে তা দিয়ে আঘাত করতে থাকে অভ্যুদয়কে।
​“তুই না থামলে এবার সত্যি সত্যি আমার লা'থি খাবি!”
​“সাহস থাকলে মা'র, তোর ওই ঠ্যাং আমি ভাঙব!” হামিদের আঘাত এখনো থামেনি।
​“গে-র বাচ্চা...” পুরো ক্লাসরুম কেঁপে উঠল এক মেয়ের চিৎকারে। সকলেই বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে আছে দরজার দিকে। হামিদ ব্যাগ নিয়েই সেদিকে তাকাল।
​দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছে ফারজানা। চোখ-মুখ তার রাগে লাল হয়ে আছে, যেন সে যেকোনো মুহূর্তে বো'মার মতো ফুটবে। দাঁতে দাঁত চেপে ফুঁসছে সে।
​“এই কানাটা কেন খেপেছে?” মৃদুস্বরে অভ্যুদয়ের উদ্দেশ্যে বলল হামিদ।
​“কানাটার ব্যাগ তোর হাতে।” কথাটা বলেই নিজের বেঞ্চে আবারও বসল অভ্যুদয়। শার্টে লেগে থাকা ময়লাগুলো ঝেড়ে পরিষ্কার করতে থাকল। হামিদ হতবাক দৃষ্টিতে তাকাল অভ্যুদয়ের দিকে; কেন তাকে আগে বলেনি, তা-ই প্রকাশ পেল তার চাহনিতে।
​“বাঙ্গির পুত বলার ফল।” কথাটা বলেই ব্যঙ্গাত্মক হাসি দিল অভ্যুদয়।
​“তুই আমার ব্যাগ ধরছিস কোন সাহসে, গে?” হামিদের মুখোমুখি দাঁড়ানো ফারজানার মুখ দিয়ে যেন বিষ ঝরছে।
​“মুখ সামলে কথা না বললে এক থা'প্পড়ে তোকে বয়রা বানিয়ে দেব, কানা!” হামিদও কড়া ভাষায় জবাব দিল।
​“গে-কে গে বলব না? সারাদিন ওর পেছনে গার্লফ্রেন্ডের মতো লেগে থাকিস!”
​“ফারুইক্কা...” ফারজানা কিছু বলল না। হামিদের হাতে থাকা ব্যাগটা একবার দেখেই পুরো রুমে নিজের দৃষ্টি ফেরাল। চোখ গিয়ে আটকালো অভ্যুদয়ের পাশে থাকা হামিদের ব্যাগের দিকে।
​অভ্যুদয়ের যেন এসবে কিছু যায়-আসেই না। সে নিজের মতো গুনগুন করে পড়ছে। ফারজানা দু কদমে অভ্যুদয়ের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। হাত বাড়িয়ে ব্যাগ নেওয়ার আগেই অভ্যুদয় নিজের ব্যাগ ধরে বুকের সাথে মিশিয়ে নেয়। দাঁতে দাঁত চাপে ফারজানা।
​“তোরটা কে নেবে বজ্জাত, সর!” কথাটা বলেই ঝুঁকে হামিদের ব্যাগ নেয় সে।
​“আমার ব্যাগ রাখ কানা, না হলে তোর ব্যাগ আমি একদম মাঠে ফেলে দিয়ে আসব!” ফারজানা কথাটা কানেই নিল না। মেঝেতে ফেলেই হাত দিয়ে ঘষল, যেন ধুলোবালিগুলো ব্যাগের সাথে লেগে যায়। এসব দেখে হামিদও চুপ থাকল না; সে-ও ফারজানার ব্যাগ মাটিতে ফেলে ধুলোবালি মুছতে শুরু করেছে।
​অভ্যুদয় দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। কে বলবে এরা ইন্টার-এ পড়ে? স্বভাব এখনো বাচ্চাদের মতো। উঠে দাঁড়ায় সে।
​“কী হচ্ছে এসব?” গম্ভীর কণ্ঠ শোনা গেল ক্লাসে। হামিদ আর ফারজানা দুজনেই আঁতকে উঠল; এই কণ্ঠস্বর তাদের ভালো করেই চেনা। ফারজানা সামনে তাকাতেই হামিদের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা তাদের স্যারকে দেখতে পেল। সকলেই নিজেদের সিটে এসে দাঁড়িয়েছে, শুধুমাত্র তারা দুজনেই মেঝেতে বসে, তাও ব্যাগের নাজেহাল অবস্থা।
​ফারজানা করুণ চোখে অভ্যুদয়ের দিকে তাকাল। সে তো চাইলেই তাদের সতর্ক করতে পারত।
​“আমাকে বজ্জাত বলার ফল।” ফারজানার দিকে তাকিয়ে ধীরে ধীরে বলল অভ্যুদয়। দাঁতে দাঁত চাপল ফারজানা।
​“এখনো বসে আছ? দাঁড়াও। নিজেদের জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকো!” স্যারের কথা শুনতেই লাফিয়ে উঠল ফারজানা আর হামিদ। নিজেদের সিটের কাছে গিয়ে দাঁড়ায়।
​“আজকালকার ছেলেমেয়েদের বইয়ের প্রতি কোনো সম্মানই নেই, আছে শুধু ফাইজলামি। তোমাদের বয়সে আমরা বই মাটিতে পড়লে তুলে সালাম করতাম, আর তোমরা... মাটিতে ধুলোবালি মেশাচ্ছ?” ফারজানা আর হামিদের উদ্দেশ্যে বললেন স্যার। ক্লাসের সকলেই বসে আছে, শুধুমাত্র ফারজানা আর হামিদ দাঁড়িয়ে।
​“আহা, কী আনন্দ আকাশে বাতাসে!” ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলতে থাকে অভ্যুদয়। হামিদ খিচ মে'রে থাকল। অভ্যুদয়কে সে পরে দেখে নেবে।
​টিফিনের ঘণ্টা বাজতেই হামিদ ওয়াশরুমে চলে যায় নিজের ব্যাগ পরিষ্কার করতে। যাওয়ার আগে বলে গেছে—আসলে একদফা আবারও মা'রামা'রি করবে অভ্যুদয়ের সাথে। অভ্যুদয় সেসব কানে নিল না; সে ভালো করেই জানে হামিদ এখন রেগে আছে। ব্লক খুলে দিলেই সে ঠিক হয়ে যাবে। ব্লকটা খুলে দেবে ভেবে ব্যাগ থেকে মোবাইল বের করে সে।
​মেসেঞ্জারে ঢুকতেই প্রথমে নজরে এল নওশীনের আইডিটা। তার চ্যাটলিস্টের প্রথম আইডিটাই সে। নিজের অজান্তেই ইনবক্সে ঢুকল সে। গতকাল রাতে পাঠানো নওশীনের মেসেজের উত্তর আজ সকালে দিয়েছে সে, যা এখনো সিন হয়নি। আবারও সিন হবে হয়তো রাতে। দিনে কেন আসে না এই মেয়ে? কোন মেয়ে দিনের মধ্যে একবারও মোবাইল ধরে না? হুট করেই চিন্তাগুলো গ্রাস করল অভ্যুদয়কে। নওশীন অনলাইনে কখন আসবে তা একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার, তা নিয়ে এত তার ভাবার কী আছে? মাথা ঝাঁকাল সে, কী সব ভাবছে!
​চ্যাটলিস্টের নিচের দিকে গিয়ে হামিদের আইডিটা খুঁজে বের করল সে, ব্লক খুলল কয়েক সেকেন্ডেই। বেরিয়ে যাবে বলেই ব্যাক দেয়; চ্যাটলিস্টের উপরে যেতেই চোখ গিয়ে আটকালো নওশীনের আইডির পাশে থাকা সবুজ চিহ্নটার দিকে। একটু অবাক হলো সে, পরক্ষণেই একটু খুশি হলো। যাক, এই ফ্রি টাইমে নওশীনের সাথে কথা বলা যাবে। নওশীন তো শুধু তার সাথেই কথা বলে।
​অভ্যুদয় ডাটা অফ করল না, কিন্তু মেসেঞ্জার থেকে বেরিয়ে গেল। নওশীন মেসেজ দিলে দুই-এক মিনিট পর রিপ্লাই করবে, তা না হলে হয়তো নওশীন তাকে ডেস্পারেট ভাবতে পারে।
​বেঞ্চের ওপর মোবাইল রেখে বই খোলে অভ্যুদয়। দুই-চার মিনিট পার হলেও মোবাইলের স্ক্রিনে আলো জ্বলল না। মোবাইল তুলে নিল সে, ভলিউম বাটনে চাপতেই দেখাল নোটিফিকেশনের ফুল সাউন্ড দেওয়া। তবুও মেসেজ এল না।
​বইয়ের দিকে মনোযোগ দিল অভ্যুদয়। চোখ বইয়ের দিকে থাকলেও পা নাড়িয়ে যাচ্ছে অনবরত। আর ধৈর্য ধরতে পারল না সে; লক খুলেই মেসেঞ্জারে ঢুকল। এখনো নওশীনের নামের পাশে সবুজ বাতিটা জ্বলছে। আজব, তার মেসেজটাও সিন করেনি!
​“আজ দিনের বেলা অনলাইনে! সূর্য কী পশ্চিম দিকে উঠেছে?” মেসেজ পাঠাল অভ্যুদয়। অপেক্ষা করতে থাকল সিন হওয়ার। সিন হলো না। অভ্যুদয় একদৃষ্টিতে তাকিয়ে মেসেঞ্জারের দিকে, পা নাড়িয়ে যাচ্ছে এখনো।
​“ওয়ান...”
​“টু...”
​“থ্রি...”
​.
​.
​“সিক্সটি ফাইভ...”
​“সিক্সটি সিক্স...” অভ্যুদয় কী গুনছে জানে না। তবে প্রতিবার গুনতেই হাতের আঙুল দিয়ে টোকা দিচ্ছে বেঞ্চে। দৃষ্টি তার এখনো মেসেঞ্জারে।
​মেসেজ সিন হলো। টোকা দেওয়া আর পা নাড়ানো বন্ধ হয় হুট করেই।
​“একটা কাজে অনলাইনে আসতে হয়েছে। কী অবস্থা তোমার, পিচ্চি?” মেসেজ এল নওশীনের। দুই-চার মিনিট তো দূরের কথা, কয়েক সেকেন্ডও যেতে পারল না—মেসেজ সঙ্গে সঙ্গে সিন করল অভ্যুদয়।
​“আমি পিচ্চি না। ভালো আছি, তোমার কী অবস্থা?”
​“এই তো ভালো।” আর মেসেজ এল না নওশীনের। অভ্যুদয় অপেক্ষা করছে পরবর্তী মেসেজ আসার। সে তো জানে নওশীন একবার লাইনে আসলে তার সাথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলে। সে যদিও আজ বেশিক্ষণ চ্যাট করতে পারবে না, তবে যতক্ষণ ফ্রি আছে ততক্ষণ চ্যাট করাই যায়।
​“কী করো?” নিজেই মেসেজ দিল নওশীনকে।
মেসেজ সিন হলো কিন্তু রিপ্লাই এল না কোনো। রাগ হলো অভ্যুদয়ের; তাকে ইগনোর করে? সে-ও আর মেসেজ দেবে না। রাতে যখন নওশীন কথা বলতে আসবে, তখন কথা বলবে না। মেয়েটার সাথে কথা বলতে ভালো লাগে বলেই কথা বলে, তাই বলে সে নিজের ইগো ভুলে যাবে না। এভাবে সিন করে মেসেজ রেখে দেওয়াটা খুবই ইগোতে লাগে।
​মোবাইল রেখে দিল অভ্যুদয়। বইটা খুলে পড়তে থাকল অনর্গল। এক পৃষ্ঠা রিডিং পড়তেই চোখ গেল তার আগের পৃষ্ঠায়। প্রতিটা শব্দ তার কাছে নতুন লাগছে, আজব! মাত্রই তো সে এই পেজটা পড়েছে, তবে কেন মনে হচ্ছে আজ নতুন দেখছে? উফ... কী বিরক্তি! পড়ায় মন না থাকলে সারাদিন পড়েও লাভ হয় না। তবুও জোর করে পড়তে থাকল সে। কয়েক পেজ পড়েই বই ব্যাগে ঢুকায়। হামিদের আসার কথা অনেক আগেই, অথচ এখনো আসার নাম নেই।
​উঠে দাঁড়ায় অভ্যুদয়। হামিদকে খুঁজতে বের হবে। বেঞ্চ থেকে মোবাইল নিতেই আলো জ্বলল স্ক্রিনে। নোটিফিকেশনে ভাসছে—'নওশীন সেন্ট ইউ এ ফটো'। ছবিটা পাঠিয়েছে ৫ মিনিট আগে, অথচ সে লক্ষ্যই করেনি। লক খুলল আবারও; কী ছবি পাঠিয়েছে তা দেখার আগ্রহ জাগল তার। ইনবক্সে ঢুকল সে।
​একটা রাস্তার ছবি। ইট দিয়ে করা পাকা রাস্তার একপাশে বাগানবিলাস গাছ দেখা যাচ্ছে, অন্যপাশে মেইন রোড। রোডের একপাশে একটা গাড়ি দাঁড়ানো, তার পাশ ধরেই লম্বা লম্বা গাছ, যা দাঁড়িয়ে আছে নিজের মতো করে। ছবির নিচেই লেখা—
​“কলেজে এসেছি একটু কাজে। রাতে কথা হবে।” হাসি ফুটল অভ্যুদয়ের ঠোঁটের কোণে। রাস্তাটা সুন্দর, তার থেকেও যা তার বেশি ভালো লাগল তা হলো নওশীনের ছবি পাঠানোর উদ্দেশ্যটা। একটা মেয়ে যখন দ্বিধাহীনভাবে ছবি পাঠায়, তার মানে সে বিশ্বাস করে তাকে। নওশীন বিশ্বাস করে অভ্যুদয়কে। সে নওশীনের কাছে একজন খারাপ ছেলে নয়।
​অভ্যুদয় কিছু ভাবল না। ক্যামেরা অন করে হোয়াইট বোর্ডের একটা ছবি তুলল। তাতে ক্লাসের কিছু অংশও এসেছে।
​“টিফিন ব্রেক।
ওকে... রাতে কথা হবে।” অভ্যুদয়ও মেসেজ পাঠাল। ডেলিভারড হয়নি ছবি, তার মানে অনলাইন থেকে বেরিয়ে গেছে নওশীন।
​নিজের অজান্তেই দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল অভ্যুদয়। মোবাইলটা পকেটে ঢুকায়।
​আমারো পরানো যাহা চায়
তুমি তাই, তুমি তাই গো
আমারো পরানো যাহা চায়...
​খালি গলায় গান গাইতে গাইতে ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে গেল অভ্যুদয়। ক্লাসে বসে থাকা কয়েকজন অবাক। এই প্রথম তারা অভ্যুদয়কে এভাবে গলা ছেড়ে গান গাইতে শুনল। এত সুন্দর কণ্ঠ অভ্যুদয়ের, তা তাদের জানাই ছিল না।
​“ও এত সুন্দর গান গায় জানতি?” একজন মেয়ে জিজ্ঞেস করল তার পাশের মেয়েটিকে। মেয়েটি মাথা নাড়িয়ে ‘না’ বোঝাল।
​“অনেক ভালো গান গায়।”
​“হ্যাঁ।” সায় মেলাল পাশের মেয়েটা।
​আমি তোমারো বিরহে রহিবো বিলীন
তোমাতে করিবো বাস
দীর্ঘ দিবসো দীর্ঘ রজনী দীর্ঘ বরষ মাস...
​অভ্যুদয় গান গাইছে—গলা ছেড়ে, মন খুলে। কেন জানে না, তবে গান যেন আপনা-আপনি বের হয়ে আসছে গলা দিয়ে। তার দুহাত প্যান্টের পকেটের মধ্যে, হাঁটছে নিজের মতো করে। প্রতিটা ক্লাসের দৃষ্টি তার দিকে, সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই তার। সে বিভোর নিজের মধ্যে।
​নাকি অন্য কারো মধ্যে?
​চলবে...

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৭ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন