ফন্ট সাইজ:
থিম:
সে ছিলো অন্যরকম

৩৪তম পর্ব

লেখক: পুষ্পিতা মেহরীন তিশা

#সে_ছিলো_অন্যরকম

#পুষ্পিতা_মেহরীন_তিশা

#পর্ব- ৩২

চৌধুরী বাড়ির সবার সাথে সুন্দরভাবে কুশল বিনিময় করে, অবশেষে শান্ত হয়ে বসলো লারা। বাড়ির সবার তাকে বেশ পছন্দ হলেও, শুধু হিয়ার সাথেই তার ঠিকভাবে কথা হলো না। হিয়া যেন রীতিমতো সবার সামনেই লারাকে উপেক্ষা করলো। বিষয়টা, লারার কাছে বেশ অপমানজনক লাগলো।

সেই সকালে লারাকে দেখার পর থেকে হিয়া রুদ্রকে খুঁজে চলেছে। রুদ্রর সাথে তার একান্ত কিছু কথা বলা প্রয়োজন। রুদ্রর থেকে কিছু প্রশ্নের উত্তর নেওয়া খুব বেশি প্রয়োজন। কিন্তু, কিভাবে নিবে হিয়া সেই প্রশ্নের উত্তর? রুদ্র তো তার থেকে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এতোকিছুর পরও যখন হিয়া সময় করে রুদ্রকে বলল,,

"রুদ্র তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে।"

রুদ্র ফোন চালাতে চালাতে খাপছাড়া ভাব নিয়ে বলল,, "কিন্তু, আমি তো এখন বিজি আছি!"

"মাত্র পাঁচ মিনিট লাগবে।"

রুদ্র ফোন থেকে চোখ তুলে, নরম গলায় উত্তর দিলো,,

"আমি সত্যিই অনেক বিজি।"

হিয়া এমনিতেই আগে থেকে হতাশ ছিলো। তারওপর রুদ্র যে এখন তাকে ইগনোর করছে, বিষয়টা বুঝতে পেরে হিয়ার বেশ রাগ উঠলো। সে কিছুটা উচ্চস্বরে বলে উঠলো,,

"কি এমন কাজ করছো তুমি? যে আমাকে পাঁচ টা মিনিট সময় দিতে পারছো না?"

হিয়ার রাগটা বুঝতে পেরে রুদ্র হালকা হেঁসে বলল,,

"আপ্যায়ন করছি।"

একটু থেমে,

"অতিথিদের আপ্যায়ন করছি আমি। সকল 'বিএফপি' দের আপ্যায়নের দায়িত্বটা আমার কাঁধেই পড়েছে সোনা। আর বিশ্বাস করো, এটা বেশ ব্যস্ততার কাজ। তুমি বরং, তোমার এই পাঁচ মিনিট সময় টা-কে এখন উঠিয়ে রাখো, রাতে সুদ সমেত ৬০ মিনিট তোমাকে ফিরিয়ে দিবো! ওকে??"

হিয়ার প্রতিউত্তরের কোনো সময় না দিয়েই রুদ্র তার কথাটা শেষ করে সামনে পা বাড়ালো। হিয়া রেগে যাওয়ার পাশাপাশি কিছুটা বেকুবও বনে গেলো। রুদ্র যেতেই সে রুদ্রর কথাগুলো রিপিট করতে লাগলো। হঠাৎ, 'বিএফপি' শব্দটা মাথায় আসতেই সে চোখ-মুখ কুঁচকে নিলো।

একটু ভেবে 'বিএফপি' এর পূর্ণরুপ মাথায় আসতেই সে অবাক আর বিস্ময়ে চোখ বড়ো বড়ো করে নিলো।

-

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই বাড়ির সবাই নির্দিষ্ট জায়গায় একত্রিত হলো। বিভিন্ন ধরনের ফুল আর বেলুন দিয়ে সাজানো একটা ছোট্ট দোলনাতে- শান্তভাবে সুন্দর করে শুইয়ে দেওয়া হলো বাচ্চাটাকে। বাচ্চাটা চোখ পিটপিট করে তাকাতেই, মোমো মুচকি হাসি দিলো। একহাতে আলতো করে একটা দোল দিলো তার বাচ্চাকে। আশেপাশে সবাই তখন ছবি তোলা আর ভিডিও করাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।

কিছুক্ষণ পরই মাওলানা সাহেব দোয়া পড়তে শুরু করলেন। সবাই চুপ হয়ে হাত তুলল প্রার্থনায়—

শিশুর সুস্থতা, দীর্ঘায়ু আর সুন্দর ভবিষ্যতের কামনায় চারপাশ যেন মুহূর্তেই শান্ত হয়ে উঠলো। দোয়া শেষে মওলানা সাহেব হাঁক পাড়লেন,,

"বাচ্চাটার নাম কে রাখবে?"

মাওলানা সাহেবের কথায় মোমো আর শুভ্র একবার একে-অপরের দিকে তাকালো। তখনই রুদ্র পাশ থেকে বলে উঠলো,,

"আমি রাখবো মুনশি সাহেব!"

"তোমার পরিচয়?"

"আমি ওর বড় চাচ্চু!"

কথা শেষ করে রুদ্র এগিয়ে গেলো বাচ্চাটার দিকে। বাচ্চাটার নিষ্পাপ মুখটা দেখেই রুদ্রর মনটা প্রশান্তিতে ভরে উঠলো। বাচ্চাটার দিকে তাকিয়ে আবেশিত গলায় বলল,,

"এই ছোট্ট প্রাণটা আমাদের মাঝে আসার পর থেকে আমাদের জীবনটা সুন্দর আর আলোকিত করে তুলেছে। এই পুচকি সাতদিনেই আমাদের বাড়িটাকে আনন্দমুখর করে তুলেছে। তাই আমি চাই, ওর নামটা এমন হোক- যা ওর ভবিষ্যতকে উজ্জ্বল আর স্নেহময় করবে। ওর নামটা হবে- শক্তি, শান্তি আর নির্মলতার প্রতিচ্ছবি।"

রুদ্রর কথাগুলো যেন সবার মনে দাগ কাটলো। উপস্থিত সবাই ভাবুক দৃষ্টিতে মুগ্ধ হয়ে রুদ্রর দিকে তাকালো। রুদ্রও একটু থেমে বাচ্চাটার আঙুলের ভাঁজে নিজের একটা আঙুল ধরিয়ে দিলো। বাচ্চাটা আঙুল নাড়াঁতেই রুদ্র মৃদু হাসি দিয়ে ঘোষণা করল,,

"আজ থেকে- আমাদের পরিবারে এই কনিষ্ঠ সদস্যদের নাম— অভ্রনীল। মিস্টার অভ্রনীল চৌধুরী! অর্থাৎ শুভ্র আকাশ।"

রুদ্রর ঘোষণায়, এক মুহূর্তের জন্য চারদিকে নীরবতা নেমে এলো। আর তারপর হঠাৎই- করতালি, হাসি আর প্রশংসার ধ্বনিতে চারপাশ ভরে উঠলো। মোমোর দু-চোখে দেখা মিললো- আনন্দাশ্রুর!

লারা বলে উঠলো,,

"অভ্রনীল? সত্যিই আকাশের মতোই দারুণ নাম।"

হিয়া এগিয়ে এসে আলতো করে বাচ্চাটার কপালে একটা চুমু খেলো। বাচ্চার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল,,

"তোমার নামের মতোই তোমার জীবন আলোয় ভরে উঠুক, বাবু!"

এরপরে সোজা হয়ে সে দু'হাতে মোমোকে জরিয়ে ধরলো। রুদ্র কিছুটা ঝুঁকে বাচ্চাটার কানে ফিসফিসিয়ে বলল,,

"শুভ্র আকাশের মতোই- নীল আর বিস্তৃত ভবিষ্যৎ হোক তোমার। আমার ছোট্ট অভ্রনীল চাচ্চু!"

রুদ্র তার কথাটা শেষ করতে না করতেই শুভ্র তা ধরে বসলো। চিন্তিত গলায় ডেকে উঠলো,,

"ভাইয়া..!"

রুদ্র ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাতেই সে ভ্রু কুঁচকে চিন্তার স্বরে বলল,,

"শুভ্র টা নাহয় আমি, বুঝলাম! কিন্তু, এই আকাশটা কে? তুমি ওর ভবিষ্যৎ টা আকাশের মতো কেন হতে বললে?"

শুভ্রকে দেওয়ার মতো কোনো উত্তর যেন রুদ্র খুঁজে পেলো না। সে এগিয়ে এসে শুভ্রর মুখোমুখি হয়ে কোমরে হাত রেখে বলল,,

"তোর ফুতুরে দ্বিতীয় ছেলে!"

"এ্যাঁ??"

হঠাৎ সাবিলা বেগম রুদ্রর কাছে এসে, মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন,,

"খুব সুন্দর নাম রেখেছিস তুই। নামটাকে বেশ অর্থবহ করেছিস! এবার খুব দ্রুত আরেকটা নামকরণের আয়োজন যেন করতে পারি, সেই ব্যবস্থা কর।"

কথাটুকু শেষ করেই সাবিলা বেগম সামনে হাঁটলেন। রুদ্র তার যাওয়ার পানে চোখ রাখলো। তার আর বুঝতে বাকি রইলো না- সাবিলা বেগম তাকে কিসের ইঙ্গিত দিলেন। এই তিনবছরে, এই প্রথম তিনি এমন ইঙ্গিত দিলেন। তাহলে, ইঙ্গিতের বিষয়টা নিয়ে কি রুদ্রর একটু ভাবা উচিত??

-

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হলো। কোলাহলপূর্ণ বাড়িটা কিছুটা শান্ত হলো। সারাদিনের ক্লান্তি শেষে সবাই এবারে কিছুটা স্বস্তি পেলো। আর এই সবকিছুর মাঝে হিয়া বারবার চেষ্টা করলো, রুদ্রকে একা পাওয়ার জন্য। কিন্তু, সে যতোবার রুদ্রর কাছে যাচ্ছে, ততোবার রুদ্র এদিক-ওদিক ছুটছে। গোছানো জিনিসগুলো পুনরায় গোচ্ছাছে। হুটহাট কলে মেতে উঠছে। ভাব এমন যেন সে অনেক কাজের দায়িত্ব পালন করছে। আদৌতে তার কিছুই না।

রুদ্র যখন করিডোরের এক কর্ণারে দাঁড়িয়ে কারো সাথে কলে কথা বলছিলো। তখন হিয়া নিশ্চুপ হয়ে গিয়ে তার পেছনে দাঁড়ালো। রুদ্র কল কেটে পেছন ঘুরতেই- হিয়াকে এতোটা কাছে দেখে কিছুটা ঘাবড়ে গেলো। ভয় পাওয়ার ভান করে বুকে কয়েকবার থুড়থুড়ি দিলো। এরপরে হিয়ার দিকে এবার বাঁকা চোখে তাকিয়ে পাশ কাটিয়ে যেতে নিলো। আর তখনই হিয়া তীক্ষ্ণ গলায় সামনে তাকিয়ে বলে উঠলো,,

"তুমি আমায় ইগনোর করছো রুদ্র!"

হিয়ার কথায় রুদ্র থমকে দাঁড়ালো। হঠাৎ কিছু একটা ভেবে সে মুচকি হাসলো। পেছন না ঘুরেই গম্ভীর গলায় বলল,,

"বুঝতে যখন পেরেছো, তখন বারবার পিছু কেন করছো? দূরত্ব বজিয়ে রাখলেই তো পারো!"

রুদ্রর এই অপমানজনক কথা হিয়াকে যেন একটুও তার উদ্দেশ্য থেকে টলাতে পারলো না। রুদ্র আবারো সামনে পা বাড়াতেই- হিয়া পূর্বের ন্যায় অটল গলায় বলে উঠলো,

"লারা এখানে কেন এসেছে?"

রুদ্র আবারো ভ্রু কুঁচকে থমকে দাঁড়াতেই- হিয়া দু'কদম পিছিয়ে সরাসরি তার সামনে এসে দাঁড়ালো।

"লারাকে হঠাৎ তুমি এখানে কেন ডাকলে রুদ্র? কখন এসেছে সে?"

হিয়ার প্রশ্নে রুদ্র ঘাবড়ে গিয়ে কিছুটা ইতস্তত বোধ করলেও, হিয়াকে সেটা বুঝতে দিলো না। এদিক-ওদিক ঘাড় ঘুরিয়ে বলল,,

"এসেছে ভোর চার'টার দিকে।"

"তাকে ডাকার আগে কি তুমি একবারও আমাকে জানানোর প্রয়োজন করোনি??"

"না করিনি! এজ অ্যা ফ্রেন্ড আমি তাকে আমার বাড়িতে দাওয়াত দিতেই পারি। এরজন্য, আমাকে তোমার পারমিশন কেন নিতে হবে? হু আর ইউ?"

রুদ্রর কথাগুলোকে হিয়া যেন গায়ে মাখলো না। সে রুদ্রর প্রশ্নগুলোকে অবজ্ঞা করে উল্টা প্রশ্ন করলো,,

"কি আসলে, ঠিক কি চাইছো? বলোতো রুদ্র!"

রুদ্র কপালে ভাঁজ ফেলে পাল্টা প্রশ্ন করলো,,

"কি চাইছি?"

হিয়া চোখের কার্ণিশ বেয়ে একফোঁটা নোনাপানি ফেলালো। তারপরে, একটা অবজ্ঞার হাসি দিয়ে বলল,,

"কি চাইছো?- ঢাকায় থাকতে লারাকে হুটহাট বাসায় ডাকা, আমার থেকে তাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া, তার সামনে আমাকে ছোট করা, তাকে বেবি বলে ডাকা! আর....

একদমে এতোটুকু বলে থামলো হিয়া। এরপরে রুদ্রর মুখের দিকে তাকিয়ে অদ্ভুত হেঁসে যোগ করলো—

" আর এখন আবার তাকে, এই বাড়িতে ডেকে আনা। সে একটা বেহায়া মেয়ে হওয়ার পরও- বাড়ির সবার সামনে তাকে সুন্দর ভাবে প্রেজেন্ট করা। তার এতো খেয়াল রাখা। এসব কিসের জন্য রুদ্র? কি উদ্দেশ্য এই সবকিছুর?"

সহজভাবে বলা হিয়ার কথাগুলো রুদ্রর কাছে যেন বেশ কটু শোনালো। অবাক হওয়ার সাথে সাথে তার রাগটা'ও যেন এবার চরম পর্যায়ে পৌঁছালো। দাঁতে দাঁত চেপে বলল,,

"কি মিন করতে চাইছো তুমি?"

রুদ্রর এহেন কথায় হিয়া তাচ্ছিল্য হাসলো। রুদ্রর রাগটা যেন এতে আরো কয়েকগুণ বেড়ে গেলো। সে চোখ বন্ধ করে হাত মুষ্টিবদ্ধ করলো। চোখ খোলা মাত্রই প্রচন্ড রাগে হিয়ার ডান বাহু'টা একহাতে স্বজোরে চেপে ধরলো। ব্যাথায় হিয়ার চোখ-মুখ কুঁচকে যেতেই রুদ্র দাঁত চেপে শক্ত গলায় বলল,,

"লিসেন হিয়া! আমাদের মাঝে যা-কিছু দ্বিধা-দন্দ রয়েছে তার সবকিছুই আমাদের দু'জনের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এরমাঝে তুমি আমার পরিবারকে একদম টানবে না। আর এই সবকিছু শুরু হয়েছে ঢাকার বাড়িতে তাই এখানে তুমি এসব নিয়ে কোনো সিনক্রিয়েট করবে না!"

হিয়া চোখ ভর্তি পানি নিয়ে হেয়ালি সুরে প্রশ্ন করলো,,

"কেন? ভয় পাচ্ছ নাকি? নিজের দ্বিতীয় রুপটা সবার সামনে আসার ভয়?"

"আমি এমন কিছু করিনি হিয়া- যার জন্য আমাকে ভয় পেতে হবে!"

"করো-নি.. বলছো? তাহলে, ঘরে বউ রেখে অফিসের কলিগের সাথে অবৈধ সম্পর্কে যাওয়া টা-কে কিভাবে নিচ্ছ তুমি? সুশীল সমাজের ভাষায় যেটাকে পরকীয়া বলে- তোমার ভাষায় সেটাকে কি বলে রুদ্র? পবিত্রতা?"

কটাক্ষ করে হিয়ার কথাগুলো বলতে দেরী হলেও, তার গালে স্বজোরে একটা শক্তপোক্ত চড় বসাতে রুদ্রর একমুহূর্তও দেরী হলো না। তার ধৈর্যের সীমা ফুরাতেই সে রাগের মাথায় এমন উত্তাল একটা কাজ করে ফেললো। কিন্তু, কে জানতো- তার এই কাজটাকে কেউ একজন আড়াল থেকে পর্যবেক্ষণ করছিলো।

চোখ ভর্তি টলমল করা নোনাপানি আর লাল হয়ে যাওয়া চোয়ালে- একহাত দিয়ে হিয়া ঘাড় ঘুরিয়ে আড়চোখে তাকালো রুদ্রর দিকে। রুদ্রর চোখে তখনো রাগ স্পষ্ট। হিয়ার চুলের মুঠি ধরে সে আবারো যখন হিয়াকে শাসাতে নিলো—

ঠিক তখন-ই কেউ একজন যেন তীরের বেগে ছুটে এসে, রুদ্রর থেকে হিয়াকে ছাড়িয়ে নিলো। আর শক্ত হাতে কষিয়ে একটা থাপ্পড় বসালো রুদ্রর বাম গালে। হঠাৎ- অপ্রস্তুত এমন থাপ্পড়ে রুদ্র কয়েক কদম পিছুয়ে গেলো। পরক্ষণেই, তাকে মারা লোকটাকে দেখার জন্য সে চোখ তুললো-

তবে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ টাকে দেখা মাত্রই, তার চোখ দুইটা যেন কোটর ছেড়ে বেরিয়ে আসতে চাইলো। ভয়ে আরো কয়েক কদম পিছিয়ে গেলো সে। অস্ফুটে গলায় দিয়ে উচ্চারণ হলো,

"আ.. আম্মু...!"

#চলবে~

(এতো ছোট পার্ট দেওয়ার জন্য দুঃখিত।🙂 আর পরবর্তী পর্ব বুধবারে আসবে। এর আগে গল্প দিন গল্প দিন করে কেউ অস্থির করে তুলবেন না- দয়া করে!😊)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩৪তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন